বিসিবির কাভার্ড ভ্যান থেকে চুরি হওয়া সেই ৩ লাখ টাকা উদ্ধার

ছবি: আগামীর সময়
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মালামাল বহনকারী কাভার্ড ভ্যান থেকে চুরি হওয়া তিন লাখ টাকা উদ্ধার করেছে রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজশাহী মহানগরীর কাজলা মৃধাপাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করা হয়। এর আগে একই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজশাহীর জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জেলা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া মোজাম্মেল হক (৩২) জিজ্ঞাসাবাদে চুরি যাওয়া টাকা নিজের ভাড়া বাসায় লুকিয়ে রাখার কথা জানান। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সেখানে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশের একটি দল। পরে বাসার শয়নকক্ষে ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে রাখা খাকি কাগজের একটি প্যাকেট থেকে টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা টাকার পরিমাণ তিন লাখ। ৫০০ টাকার নোটের ছয়টি বান্ডিলে টাকাগুলো রাখা ছিল। প্রতিটি বান্ডিলে ছিল ১০০টি নোট।
রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি শেখ মাহাবুবুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। এতে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসানসহ ডিবি পুলিশের একটি দল অংশ নেয়। রাজশাহীর পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এ অভিযান চালানো হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার তারাপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে একটি আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স, ৩০০ মার্কিন ডলার, নগদ আট হাজার টাকা, একটি ম্যাসাজ বেড, একটি লাগেজ, চারটি প্লাস্টিকের বাক্স, চুরির সরঞ্জাম এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া রুবেল আহমেদ (৩৮) আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজশাহী জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার পুঠিয়া থানায় মামলা হয়েছে। চুরি যাওয়া অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধার এবং চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদ বলেছেন, 'চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। ইতিমধ্যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের একজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিন লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি মালামাল উদ্ধার ও জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'




