Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

১২ মাসে মবের হাতে নিভেছে ২৪৯ প্রাণ

শহিদুল ইসলাম রাজী
শহিদুল ইসলাম রাজী
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৮
১২ মাসে মবের হাতে নিভেছে ২৪৯ প্রাণ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

রাত তখন ১১টা। প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলে কয়েক যুবক এলেন বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে। সন্দেহ হলো স্থানীয়দের। মাইকে ঘোষণা হলো— ‘ডাকাত এসেছে!’ ধাওয়া খেয়ে পালানোর চেষ্টা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। মালোপাড়ায় পাঁচজনকে ধরে দলবেঁধে পিটুনি। এরপর পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে যশোর সদর উপজেলার এ ঘটনা শুধু একটি উদাহরণ।

এরই কয়েক দিন আগে খুলনার এক মেসে চুরি করে ভাত খেয়ে ফেলার অভিযোগ তুলে পিটিয়ে মারা হয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আজমুলকে। একই দিন পাবনায় ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান আসামির দ্বিতল বাড়িতে আগুনের পর তা গুঁড়িয়ে দেয় একদল মানুষ। এভাবে কখনো চুরির অভিযোগ, কখনো পূর্ববিরোধ, আবার কখনো ধর্ষণ বা নিপীড়নের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা মুহূর্তেই কেড়ে নিচ্ছে প্রাণ। দেশে এ ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ বা মব সহিংসতা বাড়ছে উদ্বেগজনকভাবে। প্রায় দিনই কোথাও না কোথাও ঘটছে প্রাণহানির এমন ঘটনা।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আশঙ্কাজাগানিয়া এক চিত্র। গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ৬১২টি। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৪৯ জন। আহত হন অন্তত ৬৬৪ জন। মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণবিষয়ক ওই প্রতিবেদন বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর— এই ৯ মাসেই ঘটেছে ৫০১টি সহিংসতা। যাতে প্রাণ গেছে ২৩৫ জনের। এসব সহিংসতায় আহত হয়েছেন ৫৪০ জন। অর্থাৎ এ সময়ে মবের শিকার হয়েছেন ৭৭৫ জন। এর মধ্যে গত আগস্টে সবচেয়ে বেশি ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মানবাধিকারকর্মী ও অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন মব সহিংসতার মূল কারণ বিচারহীনতার সংস্কৃতি। অপরাধের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই ‘জনতার রায়’— এমন প্রবণতা সমাজকে ঠেলে দিচ্ছে অন্ধকারের দিকে।

আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এই প্রবণতা শুধু সাধারণ মানুষকে নয়, ঝুঁকির মুখে ফেলছে পুলিশকেও। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, শুধু গত আট মাসেই পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ৪০০টি।

মব সহিংসতায় অপরাধীদের পাশাপাশি প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ মানুষেরও। চোর-ডাকাত-ছিনতাইকারী ছাড়াও দলবদ্ধ এমন সহিংসতার শিকার হচ্ছেন পুলিশ, শিক্ষক থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। এমনকি বাদ যাচ্ছেন না ভিনদেশিরাও।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, মব সহিংসতা গভীর এক সামাজিক সংকট হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত রূপ নিচ্ছে প্রাণঘাতী সহিংসতায়। যার নেপথ্যে প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে সামাজিক সহনশীলতার অভাব।

মানবাধিকারকর্মী ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরাধীর বিচার নিশ্চিতের পাশাপাশি মব সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও দ্রুত ও দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে গুজব ও উসকানি ঠেকানো এবং মানুষের মধ্যে আইনি প্রতিকার পাওয়ার বিষয়ে আস্থা তৈরি জরুরি। কারণ অপরাধের বিচার যদি আদালতের বদলে রাস্তায় হতে শুরু করে, তাহলে শুধু আইনের শাসন নয়, শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়বে।

মানবাধিকার সংগঠন আসকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত মব সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা ১৫৪। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৫৭ জন। আর চট্টগ্রামে ৩৪, খুলনায় ২০, রাজশাহীতে ১৫, বরিশাল ও ময়মনসিংহে ১১ জন করে এবং রংপুর বিভাগে নিহত ৬ জন। এ ছাড়া ২০২৪ সালে মব সহিংসতায় নিহত হন ১২৮ জন। ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯৮ জনে। যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৮১, খুলনায় ১৯, রাজশাহীতে ১৭, রংপুরে ১২, সিলেটে ৪, চট্টগ্রামে ৩৬, বরিশালে ১৬ এবং ময়মনসিংহে নিহত হন ১৩ জন।

দেশে মব সহিংসতার যে ভয়াবহ চিত্র সামনে আসছে, তা ‘গভীরভাবে উদ্বেগজনক’ বলে মনে করছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী। তিনি আগামীর সময়কে বলছিলেন, ‘মানুষের জীবন, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আর সেই দায়িত্বের কেন্দ্রে রয়েছে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। আইন যখন দুর্বল হয়ে পড়ে কিংবা মানুষ আইনি প্রতিকারের বদলে নিজেরাই বিচার করতে শুরু করে, তখন সমাজে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ে এবং ন্যায়বিচারের পথও সংকুচিত হয়ে আসে। এক্ষেত্রে মব সহিংসতা বন্ধে রাষ্ট্রকে দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।’

প্রতিটি ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি অপরাধে অভিযুক্তের নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ এই অপরাধ বিশেষজ্ঞের। তিনি বললেন, ‘দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করে মানুষের মধ্যে এই আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে যে, অপরাধের বিচার হবে আদালতে, রাস্তায় নয়। একই সঙ্গে গুজব ও উসকানি প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং স্থানীয় পর্যায়ে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। মবে বিচার বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই হতে পারে জননিরাপত্তা নিশ্চিতের সবচেয়ে কার্যকর পথ।’

কারও বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলেই তাকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার কোনো ব্যক্তি বা জনতার নেই উল্লেখ করে অধ্যাপক সাজ্জাদ সিদ্দিকী বললেন, ‘অভিযোগের সত্যতা যাচাই, প্রমাণ সংগ্রহ এবং অপরাধীর বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। মবের হাতে বিচার চলতে থাকলে শুধু নিরপরাধ মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়বে না, ধীরে ধীরে আইনের প্রতি মানুষের আস্থাও ক্ষয়ে যাবে। তাই অপরাধীর বিচার যেমন নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সংস্কৃতি।’

এমএসএফের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, বছরের শুরুতে মব সহিংসতা ছিল তুলনামূলক কম। জানুয়ারিতে ২৯টি ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ২৬ জন আহত হন। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩১টি; নিহত ১৮ ও আহত ৩৩ জন। মার্চে ৩৬টি ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ৩১ জন আহত হন। এরপর এপ্রিল থেকে পরিস্থিতির অবনতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ওই মাসে ৪৯টি ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ৪৯ জন আহত হন। মে মাসে সহিংসতার ঘটনা বেড়ে হয় ৬৯টি। এ সময় নিহত ৩২ এবং আহত হন ৭১ জন। জুনে মব সহিংসতা পৌঁছে যায় আরও ভয়াবহ পর্যায়ে। ওই মাসে ৭৮টি ঘটনায় ৩৩ জন নিহত এবং ১২৬ জন আহত হন। আহতের হিসাবে এটিই বছরের প্রথম ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। জুলাইয়ে কিছুটা কমে ৬৬টি থাকলেও আগস্টে সহিংসতার ঘটনা বেড়ে হয় ৭৮টি। ওই মাসে ৩৫ জন নিহত হয়েছেন, যা ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাণহানি। আগস্টে ৭৮টি মব সহিংসতার ঘটনায় হতাহত হয়েছেন ১০৯ জন। এর মধ্যে ৩৫ জন নিহত এবং ৭৪ জন আহত। সেপ্টেম্বরে নিহতের সংখ্যা কমে ২৩ এবং আহতের সংখ্যা ৭৪, একই রয়েছে। অর্থাৎ নিহতের সংখ্যা কমে এসেছে। তবে চুরি, জমির বিরোধ, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, ধর্ষণ, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ ঘিরে এসব সহিংসতা এখনো জননিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় বলে এমএসএফের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এ ছাড়া ২০২৫ সালের অক্টোবরে অন্তত ৪৪টি দলবদ্ধ পিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যেসব ঘটনায় ১২ জন নিহত ও ৫২ জন গুরুতরভাবে আহত হন। পিটুনির শিকার ২৫ জনকে আহত অবস্থায় তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। এই বছরের নভেম্বরে এমএসএফের পরিসংখ্যান অনুযায়ী অন্তত ৪৬টি দলবদ্ধ পিটুনির ঘটনা ঘটে, যাতে ১৯ জন নিহত ও  ৪১ জন গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া ডিসেম্বরে ২৪টি পিটুনির ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং আহত হন অন্তত ৩৪ জন।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে মব সহিংসতার আরেকটি ভয়াবহ দিক উঠে এসেছে, তা হলো ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিরোধের ঘটনা। ছোটখাটো বিরোধও রূপ নিচ্ছে প্রাণঘাতী সহিংসতায়। এ ছাড়া মব সহিংসতার নতুন ও উদ্বেগজনক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে যৌন সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে। সেপ্টেম্বরে ধর্ষণচেষ্টা বা নিপীড়নের অভিযোগ-সংক্রান্ত ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬ জন। মব সহিংসতা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না পুলিশ সদস্যরাও। পুলিশ সদর দপ্তরের অপরাধ পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা গেল, গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ৬০১টি। আর চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৮ মাসে এমন হামলা হয়েছে ৪০০টি। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৪২টি, ফেব্রুয়ারিতে ৪২, মার্চে ৬৩ ও এপ্রিলে ৬৬টি হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর মে মাসে ৫৫টি, জুনে ৪৯, জুলাই মাসে ৪২ এবং আগস্টে পুলিশ আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে ৪১টি।

মব বা দলবদ্ধ পিটুনির ধারাবাহিক ঘটনার কারণ হিসেবে সমাজে সহনশীলতার অভাবকে তুলে ধরলেন মানবাধিকারকর্মী ও এমএসএফের প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান। বললেন, ‘এ ধরনের ঘটনা বন্ধে পুলিশ প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে। মবের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে ঘটনাস্থলে গিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাপত্তা দিতে হবে এবং মবে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। যারা মবের নেতৃত্ব দেয় বা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে, তাদেরও শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।’

এক্ষেত্রে কমিউনিটি পুলিশিং আরও জোরদারের প্রয়োজন বলে মনে করেন এই মানবাধিকারকর্মী। বললেন, ‘প্রত্যন্ত এলাকায় পুলিশ পৌঁছতে সময় লাগতে পারে। তাই স্থানীয় জনগণকে সচেতন করে মব প্রতিরোধে তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে। কমিউনিটির মানুষকে মবের বিরুদ্ধে সচেতন করা এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিও পুলিশের দায়িত্ব।’

‘একই সঙ্গে মবের ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে যথাযথ চার্জশিট আদালতে দিতে হবে। বিচার বিভাগকেও এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী বিচারক নিয়োগ, আদালতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন জরুরি। কোনো মবের ঘটনার বিচার ৫ বা ১০ বছর পরে হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার প্রভাব কমে যায়। তাই অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। মব প্রতিরোধে পুলিশ প্রশাসন, কমিউনিটি ও বিচার বিভাগের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন’— যোগ করলেন অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান।

পুলিশ আক্রান্ত হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে বলে মনে করেন পুলিশ সদর দপ্তরের সদ্য বিদায়ী মুখপাত্র এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন। আগামীর সময়কে তিনি বলছিলেন, ‘কেউ অপরাধ করলে তার বিচারের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। দেশের প্রচলিত আইনে অপরাধীর বিচারের সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী মনে হলেও তাকে নিজের হাতে শাস্তি দেওয়ার অধিকার কারও নেই। অভিযোগ থাকলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে বিচার বা শাস্তি দেওয়ার যেকোনো চেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি।’

যারাই আইন হাতে তুলে নেবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ আক্রান্তের বিষয়ে বললেন, ‘পুলিশের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পেশাদারিত্ব, সংযম ও প্রয়োজন অনুযায়ী আইনসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’ 

মবনিভেছেপ্রাণডাকাতদলবেঁধে পিটুনিঅভিযোগএমএসএফ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    গড়াই নদে হবে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’,  ব্যয় ২৫০-৩০০ কোটি

    গড়াই নদে হবে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’, ব্যয় ২৫০-৩০০ কোটি

    টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট

    টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট

    বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর ব্যবস্থা

    এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর ব্যবস্থা

    ‘ওরা আমাকে বেচে দিয়েছে’, বিগ বসের ঘরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মনামী

    ‘ওরা আমাকে বেচে দিয়েছে’, বিগ বসের ঘরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মনামী