সজিবের লাঞ্চ বক্স

বছর কয়েক আগেও লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে খুব একটা পরিচিত ছিল না অনলাইনে খাবার অর্ডার দেওয়া। কিন্তু সেই চিত্র পাল্টে দিয়েছেন ভোলাকোট ইউনিয়নের নাগমুদ গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা মো. সজিব আহমেদ।
কর্মজীবন শুরু স্থানীয় একটি হাউজিং কোম্পানিতে চাকরি দিয়ে। তবে লক্ষ্য ছিল নিজে কিছু করার। সেই ভাবনা থেকেই ২০২২ সালে চাকরির পাশাপাশি চালু করেন অনলাইনভিত্তিক খাবার সরবরাহ। নাম দেন ‘লাঞ্চ বক্স’। ফেসবুকে পেজ খুলে দুপুরের খাবার সরবরাহ শুরু করেন।
সজিবের ভাষ্য, ‘প্রথম দিকে অর্ডার ছিল খুব কম। কিন্তু খাবারের মান ঠিক রাখার চেষ্টা করেছি সবসময়।’
রামগঞ্জ বাইপাস সড়কের পাশে ও পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দোতলা ভবনে লাঞ্চ বক্স নামে রেস্টুরেন্ট চালান সজিব। নিচতলায় দুপুরের খাবার এবং দোতলায় রাখা হয়েছে ফাস্টফুড। রেস্টুরেন্টে ফাস্টফুড প্রস্তুত হলেও দুপুরের খাবার এখনো নিজের বাসা থেকে রান্না করে আনেন তিনি। তার ভাষায়, ‘মান ও স্বাদের সঙ্গে চাই না আপস করতে।’
এ উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত সফলতাই এনে দেয়নি, তৈরি করেছে কর্মসংস্থানের সুযোগও। রেস্টুরেন্টে কাজ করছেন ছয়জন কর্মী।
স্বপ্ন, পরিশ্রম আর নতুন কিছু করার সাহস— এই তিনের সমন্বয়েই এগিয়ে চলেছেন সজিব আহমেদ। তার গল্প এখন রামগঞ্জের অনেক তরুণ উদ্যোক্তার কাছে অনুপ্রেরণার নাম।


