Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
জনদুর্ভোগ লাঘবে উদ্যমী তপন
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ঠিকানাহীন একটি প্রজন্ম বেড়ে উঠছে রোহিঙ্গা শিবিরে

ইমরান হোসাইন, কক্সবাজার
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪০
ঠিকানাহীন একটি প্রজন্ম বেড়ে উঠছে রোহিঙ্গা শিবিরে

সংগৃহীত ছবি

আগুন জ্বলছিল গ্রামের পর গ্রাম। চারদিকে গুলির শব্দ। প্রাণ বাঁচাতে সন্তানদের হাত ধরে মানুষ ছুটছিল সীমান্তের দিকে। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের সেই রাতে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে ৯ সন্তান নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়েছিলেন জামাল হোসেন ও ছকিনা খাতুন। সাত দিন পাহাড়, জঙ্গল ও নদী পেরিয়ে তাদের ঠাঁই হয় কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থীশিবিরে।

এরপর কেটে গেছে ৯ বছর। ৯ সন্তান নিয়ে আসা সেই দম্পতির পরিবারে এখন সদস্য ১৪ জন। বাংলাদেশে জন্মেছে আরও তিন সন্তান। ১৫০ বর্গফুটের ছোট্ট ঘরে গাদাগাদি করে তাদের বসবাস। কিন্তু শুধু জামালের পরিবার নয়, ৯ বছরে কক্সবাজারের শরণার্থীশিবিরে এভাবেই বড় হয়ে উঠছে একটি নতুন প্রজন্ম— যারা কখনো মিয়ানমার দেখেনি, অথচ বাংলাদেশও তাদের দেশ নয়।

আজ ২৫ আগস্ট, রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মরণ দিবস। ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন শুরু হয়নি। বরং ক্যাম্পে জন্ম নিচ্ছে নতুন শিশু, বড় হচ্ছে পুরনো প্রজন্ম, কমছে আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং দীর্ঘ হচ্ছে অনিশ্চয়তার তালিকা। যে আশ্রয় ছিল সাময়িক, তা যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে স্থায়ী এক অপেক্ষায়।

গত ২৩ আগস্ট দুপুরে কুতুপালং ক্যাম্প-৩-এর ঘরে বসে জামাল হোসেন বলছিলেন, ‘মিয়ানমারে যখন ছিলাম, তখন ৯ সন্তান ছিল। বাংলাদেশে আসার পর আরও তিন সন্তান হয়েছে। পরিবার বড় হয়েছে, কিন্তু খাদ্য সহায়তা কমেছে। আয়েরও সুযোগ নেই। সংসার চালানো খুব কঠিন।’

পরিবারটি মাসে যে খাদ্যসহায়তা পায়, তা দিয়ে ১৪ জনের সংসার চলে না বলে জানিয়েছেন জামাল। মাসের শেষ দিকে জ্বালানি নিয়েও সংকটে পড়তে হয়। বড় ছেলে অসুস্থ, আরেক ছেলে দিনমজুরের কাজ করেন, একজন সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছেন। মেয়েদের কেউ বিয়ে করে আলাদা হয়েছেন, কেউ পড়াশোনা ছেড়েছেন, কেউ এখনো ক্যাম্পের শিক্ষাকেন্দ্রে যায়।

জামালের মতোই ২০১৭ সালে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে এসেছিলেন মোহাম্মদ আরিফুল্লাহ। তখন তিনি তরুণ ছিলেন। এখন তার বয়স ২৮। ৯ বছর ধরে কাঁটাতারের ভেতরের জীবনই তার বাস্তবতা। কিন্তু তার দেশের নাম এখনো মিয়ানমার।

আরিফুল্লাহ বলছিলেন, ‘মিলিটারির হাত থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলাম। সেই সময়ের কথা মনে পড়লে এখনো কান্না পায়। কিন্তু মিয়ানমারই আমার দেশ। একদিন সেখানে আবার ফিরতে চাই।’

রোহিঙ্গাদের বড় অংশের চাওয়াও একই। তারা বাংলাদেশে স্থায়ী হতে চায় না। নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও নিজ ভূমিতে মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের নিশ্চয়তা পেলে মিয়ানমারে ফিরতে চায়। কিন্তু সেই পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি।

ইউসিআরের প্রেসিডেন্সিয়াল প্যানেলের সদস্য ও রোহিঙ্গা অধিকারকর্মী সৈয়দ উল্লাহ বলেছেন, ‘বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। এই দেশ আমাদের আশ্রয় দিয়েছে, জীবন বাঁচিয়েছে। আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠীও আমাদের সহায়তা করছে। কিন্তু আমরা এখানে স্থায়ী নই। আমাদের একদিন নিজ দেশে ফিরতে হবে। রোহিঙ্গাদের কাছে একমাত্র স্থায়ী সমাধান প্রত্যাবাসন।’

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একাধিকবার প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তালিকা দেওয়া হয়েছে, পরিচয় যাচাইও হয়েছে। বাংলাদেশের পাঠানো তালিকা থেকে তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে যাচাই করেছে মিয়ানমার। তবু একজন রোহিঙ্গাও প্রত্যাবাসিত হননি।

কারণ, প্রশ্নগুলো এখনো একই জায়গায়। ফিরলে নিরাপত্তা মিলবে কি না, নাগরিকত্ব দেওয়া হবে কি না, নিজেদের গ্রামে যাওয়া যাবে কি না, ফিরে পাওয়া যাবে কি না বাড়ি ও জমি— কোনোটিরই স্পষ্ট উত্তর নেই।

এ দীর্ঘ অপেক্ষার মধ্যেই ক্যাম্পে বদলে যাচ্ছে প্রজন্মের চেহারা। ২০১৭ সালে যারা শিশু ছিল, তাদের অনেকেই এখন তরুণ। আবার গত ৯ বছরে জন্ম নেওয়া হাজার হাজার শিশু কখনো মিয়ানমার দেখেনি।

ইউএনএইচসিআরের কক্সবাজার সাব-অফিসের প্রধান মার্সেল কলুন বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। কিন্তু চলমান সংঘাতের কারণে কীভাবে প্রত্যাবাসন বাস্তবায়ন হবে, তার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করা যাচ্ছে না। আগে সংঘাত বন্ধ হতে হবে।’

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের তথ্য অনুযায়ী, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম চললেও প্রতি বছর ক্যাম্পে ২০-৩০ হাজার নতুন শিশুর জন্ম হচ্ছে। অর্থাৎ কাঁটাতারের ভেতর ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে এমন একটি প্রজন্ম— যাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশ নয়, আবার যে দেশকে তাদের নিজের বলা হয়, সেই মিয়ানমারও তাদের কাছে দেখা কোনো বাস্তবতা নয়।

 

রোহিঙ্গারোহিঙ্গা শিশুকক্সবাজারকুতুপালংশরণার্থীশিবির
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    নুসরাত হত্যা: সিরাজ ও শাহাদাতের মৃত্যুদণ্ড বহাল

    নুসরাত হত্যা: সিরাজ ও শাহাদাতের মৃত্যুদণ্ড বহাল

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৫

    নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইন বিস্ফোরণে হাত ছিল না ইউক্রেনের, দাবি জেলেনস্কির

    নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইন বিস্ফোরণে হাত ছিল না ইউক্রেনের, দাবি জেলেনস্কির

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৯

    যাত্রাবাড়ীতে মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই

    যাত্রাবাড়ীতে মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৪:২২

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় জর্ডানে সিরিয়া-ইসরায়েল বৈঠক

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় জর্ডানে সিরিয়া-ইসরায়েল বৈঠক

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৫

    ২০২৭ সালের ১৪ মার্চ থেকে এসএসসি পরীক্ষা, শেষ ১৫ এপ্রিল

    ২০২৭ সালের ১৪ মার্চ থেকে এসএসসি পরীক্ষা, শেষ ১৫ এপ্রিল

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২১

    নুসরাত হত্যা মামলার বিচারককে ফৌজদারি কার্যক্রম থেকে সরানোর নির্দেশ

    নুসরাত হত্যা মামলার বিচারককে ফৌজদারি কার্যক্রম থেকে সরানোর নির্দেশ

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৪:১৫

    বরিশাল থেকে সব রুটে বাস বন্ধ

    বরিশাল থেকে সব রুটে বাস বন্ধ

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৫:১১

    আড়াই ঘণ্টা পর বরিশালে বাস চলাচল স্বাভাবিক

    আড়াই ঘণ্টা পর বরিশালে বাস চলাচল স্বাভাবিক

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৫৭

    সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেই কেন চীন সফরে অজিত দোভাল

    সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেই কেন চীন সফরে অজিত দোভাল

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৪৪

    বিনাবিচারে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখা বন্ধ করুন: এইচআরডব্লিউ

    বিনাবিচারে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখা বন্ধ করুন: এইচআরডব্লিউ

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৫২

    ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গীদের শায়েস্তা করতে কতটা সক্ষম ইরান?

    ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গীদের শায়েস্তা করতে কতটা সক্ষম ইরান?

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৪:০০

    বঙ্গোপসাগরে ১৩ জেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৫

    বঙ্গোপসাগরে ১৩ জেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৫

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২২:১০

    ৮ মাসে কাজ হারিয়েছে ৬২ হাজার শ্রমিক

    ৮ মাসে কাজ হারিয়েছে ৬২ হাজার শ্রমিক

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৯

    ধর্ষণের শিকার শিশুটির সন্তানের বাবা সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই

    ধর্ষণের শিকার শিশুটির সন্তানের বাবা সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৪

    হাইকোর্টের রায়েও বহাল থাকবে হিটুর ফাঁসি, আশা আছিয়ার মায়ের

    হাইকোর্টের রায়েও বহাল থাকবে হিটুর ফাঁসি, আশা আছিয়ার মায়ের

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২০:১০

    advertiseadvertise