Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
২১০০ কবর খুঁড়েছেন জাকির
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

নড়াইল

‘একটা গরু পুষি, তাও বাইন্ধে রাখার মতো জায়গা নাই’

ফরহাদ খান, নড়াইল
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ২১:০৩
‘একটা গরু পুষি, তাও বাইন্ধে রাখার মতো জায়গা নাই’

নড়াইলের ইসলামপুরে নবগঙ্গা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে হুমকির মুখে বসতবাড়ি। দ্রুত ভাঙনরোধের দাবিতে এলাকাবাসী—ছবি: সংগৃহীত

নড়াইলের নড়াগাতী থানার মাউলি ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রাম। নবগঙ্গা নদীর ভাঙনে গত ১০ বছর ধরে গ্রামটির বসতবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে। কিন্তু ভাঙনরোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাই দ্রুত নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ইসলামপুর গ্রামের খাজা ফকির জানালেন, গত ১০ বছরে নদীগর্ভে অন্তত ৬০টি বসতবাড়ি বিলীন হয়েছে। তিনি নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তিনি বললেন, ‘আমাদের গ্রামটা রক্ষা করুন।

আতিয়ার মোল্যা বললেন, ‘প্রায় এক দশক ধরে ইসলামপুর পূর্বপাড়া নদীভাঙনের কবলে রয়েছে। কিন্তু এখনো কোনো কাজ হয়নি। ভাঙনের কারণে অনেক পরিবার আশ্রয়ণ প্রকল্পে চলে গেছে। কেউ কেউ ভাড়াবাসায় থাকছেন। তিনি দ্রুত ভাঙনরোধের কাজ শুরুর দাবি জানান।

‘ইসলামপুর গ্রামের অনেক বসতবাড়ি ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে আরও ৮০ থেকে ৯০টি বসতবাড়ি এবং বিস্তীর্ণ ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়বে।’—বললেন স্থানীয় আতিক কাজী।

ময়না বেগম জানালেন, এই বসতভিটা ছাড়া আমাদের আর কোনো জায়গা নেই। এটুকুও নদীতে চলে গেলে আমরা কোথায় যাব? আমরা গরিব মানুষ।

‘ভাঙনের আতঙ্কে রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। তাদের দুটি ঘর ইতোমধ্যে নদীতে চলে গেছে। আরেকটি ঘর ভাঙনের মুখে। ছেলে-মেয়েরাও আতঙ্কে থাকে।’—জানালেন রোজিনা বেগম (৪৫) নামের আরেকজন।

তিনি বললেন, ‘একটা গরু পুষি, তাও বাইন্ধে রাখার মতো জায়গা নাই। পরের জায়গায় রাখি। আমাদের একটাই দাবি, নদী বাইন্ধে দেন।’

আজগর মোল্যা বললেন, ‘নদীভাঙনের কারণে তার দুই চাচা প্রায় পাঁচ বছর আগে গ্রাম ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এখন তার নিজের জমিও ভাঙছে। প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধ করা জরুরি। তা না হলে এখানে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়বে।’

ভুক্তভোগী আরও অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। দীর্ঘদিনের ভাঙনে নদীর ওপারে এখন তাদের হারানো জমির চর জেগে উঠেছে। কিন্তু সেই জমি তাদের কোনো কাজে আসছে না। অবশিষ্ট বাড়িঘর, গাছপালা ও কৃষিজমি রক্ষায় দ্রুত ভাঙনরোধের দাবি জানান তারা।

ভাঙন প্রতিরোধের দাবিতে গত ৩ জুলাই ভাঙনকবলিত এলাকায় মানববন্ধনও করেন স্থানীয়রা। তারা জানান, ভাঙনের ভয় নিয়ে দিন-রাত কাটছে। দীর্ঘদিনের ভাঙনে গ্রামের অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেকে ভূমিহীন হয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করছেন। আবার অনেকে ভাড়াবাসায় রয়েছেন।

বর্তমানে আরও ৮০ থেকে ৯০টি বসতবাড়ি এবং বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত দেড় কিলোমিটার এলাকায় স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ বিষয়ে নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা বললেন, ‘মধুমতি ও নবগঙ্গা অত্যন্ত ভাঙনপ্রবণ নদী। এসব নদীর ভাঙন প্রতিরোধে একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে স্থায়ীভাবে কাজ শুরু করা হবে।’

‘বর্ষা মৌসুমে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপদকালীন কাজের প্রস্তুতি রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার চেষ্টা করা হবে। এবারের বর্ষা মৌসুমেও সেই প্রস্তুতি রয়েছে।’—যোগ করলেন তিনি।

নড়াইলনড়াগাতী থানাভাঙন
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৯ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    ২০ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    স্পেন
    ০
    advertisement
    advertisement
    বিস্ময়ের শতবর্ষী কাইজেলিয়া

    বিস্ময়ের শতবর্ষী কাইজেলিয়া

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩২

    ফাতেমা হত্যারহস্য উদঘাটন, ৮৭ সিসিটিভি ফুটেজে মিলল ক্লু

    ফাতেমা হত্যারহস্য উদঘাটন, ৮৭ সিসিটিভি ফুটেজে মিলল ক্লু

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৭

    সরকারকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে

    সরকারকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫

    আলোচনার আগেই কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে উন্নতি চায় ইইউ

    আলোচনার আগেই কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে উন্নতি চায় ইইউ

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:০২

    বাংলাদেশে নতুন করে দারিদ্রঝুঁকিতে ১২ লাখ মানুষ

    বাংলাদেশে নতুন করে দারিদ্রঝুঁকিতে ১২ লাখ মানুষ

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৩

    দেখা যাক

    দেখা যাক

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩

    ২১০০ কবর খুঁড়েছেন জাকির

    ২১০০ কবর খুঁড়েছেন জাকির

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৫

    বিছানায় স্বামীর মরদেহ ও রক্তাক্ত সন্তান, পাশেই ফোনে মগ্ন স্ত্রী

    বিছানায় স্বামীর মরদেহ ও রক্তাক্ত সন্তান, পাশেই ফোনে মগ্ন স্ত্রী

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০০:২৪

    সোয়া লাখ কোটি টাকার রাজস্ব একাই দেয় চট্টগ্রাম

    সোয়া লাখ কোটি টাকার রাজস্ব একাই দেয় চট্টগ্রাম

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২

    যে অঙ্কে বদলাচ্ছে না সরকারি গাড়ি সুবিধা

    যে অঙ্কে বদলাচ্ছে না সরকারি গাড়ি সুবিধা

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৬

    একদিন তোমাদের শহরও হবে ডাস্টবিন

    একদিন তোমাদের শহরও হবে ডাস্টবিন

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১২

    গাইবান্ধায় এনসিপির সমাবেশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, এলাকায় তোলপাড়

    গাইবান্ধায় এনসিপির সমাবেশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, এলাকায় তোলপাড়

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮

    জনসমুদ্রে ‘ঘনঘটা’, নাচের ঢেউয়ে ভাসল চারুকলা

    জনসমুদ্রে ‘ঘনঘটা’, নাচের ঢেউয়ে ভাসল চারুকলা

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ১৩:৫৯

    সুতরাং

    সুতরাং

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২১

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫০

    advertiseadvertise