Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
সোয়া লাখ গাছ লাগিয়েছেন রাজ্জাক
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

ভয়ংকর তিস্তা

স্বপন চৌধুরী, রংপুর
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ২১:৩২
শেয়ার করুন:
ভয়ংকর তিস্তা

ছবি: আগামীর সময়

‘ওরে বাবারে..চোকের সামনোত মোর সউগ শ্যাষ হয়্যা গেইল। মন্নের (মরণের) তিস্তা আর হামাক বাইচপার দেইল না। ছাওয়াগুলা এ্যালা কোনটে থাকপে, কায় ওমাক খাওয়াইবে।’

ভিটেমাটি-আবাদি জমিসহ ১৪ রুমবিশিষ্ট পাকা বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় এভাবে বিলাপ করছিলেন রংপুরের গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউনিয়নের চর নোহালী কাচারিপাড়া এলাকার আব্দুল মোতলেবের স্ত্রী সুলতানা খাতুন।

গত কয়েকদিনে ওই গ্রামের ১১ পরিবারের ঘরবাড়িসহ অন্তত ৫০ একর আবাদি জমি তিস্তায় বিলীন হয়ে যায়।

যুগের পর যুগ ধরে ওই এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন আব্দুল মোতালেব (৭০)। স্ত্রী ও তিন ছেলেসহ সুখের সংসার ছিল তার, ১৪ রুমের পাকা বাড়িও করেছিলেন। ভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় এলাকার ব্রিফ বাজার থেকে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ স্বেচ্ছাশ্রমে একটি বাঁধও নির্মাণ করেছিলেন স্থানীয়রা।

সপ্তাহখানেক ধরে তিস্তার পানি বাড়া-কমার কারণে সেই বাঁধ বিলীন হয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। তীব্র ভাঙন এলাকাটিকে তছনছ করে দেয়। আব্দুল মোতালেব ছাড়াও আর যাদের বাড়িঘর বিলীন হয়েছে তারা হলেন আনোয়ার হোসেন, আমিনুর রহমান, আবু তালেব, সুরুজ মিয়া, শাহাজুল ইসলাম, শাহজাহান, লেবু মিয়া, মোতালেব হোসেন, সাদেকুল ইসলাম ও সুমন মিয়া। নোহালী ইউনিয়নের কচুয়া খেয়াঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে প্রায় দেড় ঘণ্টার পথ কাচারিপাড়া গ্রাম।

সরেজমিনে বুধবার দুপুরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, এলাকাটি যেন বিরানভূমিতে পরিণত হয়েছে। কষ্টে পাথর হয়ে গেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা। স্বজনরা খোঁজখবর নিতে আসলে কেউ কেউ গলা জড়িয়ে কাঁদছেন। সকাল ৮টায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে দুপুরে সেখানে পৌঁছান আব্দুল মোতালেবের শ্যালিকা অভাবি পরিবারের আনোয়ারা খাতুন (৫৫), সঙ্গে এনেছেন পান-সুপারি ও অল্পকিছু মুড়ি। তাকে দেখে পরিবারের সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমন অবস্থা বিরাজ করছে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটা বাড়িতে। অব্যাহত ভাঙনে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে গ্রাম জুড়ে। ভয়ে কেউ কেউ ঘরের টিন, ইট খুলে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী আরও শতাধিক পরিবার। ক’দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো।

আব্দুল মোতালেব বললেন, অনেক যোগাযোগ করেও পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙনরোধে কোনো কাজ করেনি। এলাকার সবাই মিলে স্বেচ্ছাশ্রমে একটি বাঁধ দিলেও সেটি টেকানো গেল না। এখনো জিওব্যাগসহ ভাঙনরোধের ব্যবস্থা নিলে বাকি পরিবারগুলো রক্ষা পাবে।

লেবু মিয়ার ভাষ্য, যাদের ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে তারা একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছে। অন্যত্র বাড়িঘর সরিয়ে নেবে এমন জায়গাও নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মশিউর রহমান জানান, ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এমন অবস্থা থাকলে গ্রামের আরও শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যাবে।

নোহালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলীর মতে, ভাঙনের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ১১ পরিবারের ঘরবাড়িসহ বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড রংপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বললেন, ভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার জানালেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিস্তাভাঙনগঙ্গাচড়া
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    নিজের এক টাকাও নেই আইএফআইসি ব্যাংকের

    নিজের এক টাকাও নেই আইএফআইসি ব্যাংকের

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ,  এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ, এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কথা ঘুরিয়ে রুমি এখন বললেন, কেন দেশ ছাড়ব?

    কথা ঘুরিয়ে রুমি এখন বললেন, কেন দেশ ছাড়ব?

    ঢাকা মেট্রোরেলে উঠে বসতে চেয়ে জায়গা পাননি, পরে স্ট্রোকে মৃত্যু

    ঢাকা মেট্রোরেলে উঠে বসতে চেয়ে জায়গা পাননি, পরে স্ট্রোকে মৃত্যু

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    সিলভিয়া প্লাথের বিক্ষত হৃদয়ের প্রতিধ্বনি

    সিলভিয়া প্লাথের বিক্ষত হৃদয়ের প্রতিধ্বনি

    মেট্রোরেলে হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

    মেট্রোরেলে হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

    বাসায় তালা, শাহজালাল রুমি কোথায় জানে না কেউ

    বাসায় তালা, শাহজালাল রুমি কোথায় জানে না কেউ

    জামায়াত এমপি মাসুদ সাঈদীর পাঁচ তারকা হোটেলের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন

    জামায়াত এমপি মাসুদ সাঈদীর পাঁচ তারকা হোটেলের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন

    আইজিপিকে কি সরানো হবে? উপদেষ্টা বললেন, প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনা

    আইজিপিকে কি সরানো হবে? উপদেষ্টা বললেন, প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনা

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    ডেঙ্গুতে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, মাকে খুঁজছে চার বছরের মৈত্রী

    ডেঙ্গুতে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, মাকে খুঁজছে চার বছরের মৈত্রী

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    নির্মলেন্দু গুণ বলেছিলেন, সৌন্দর্যের সুষম বিকাশ আছে পরীমনির দেহাবয়বে

    নির্মলেন্দু গুণ বলেছিলেন, সৌন্দর্যের সুষম বিকাশ আছে পরীমনির দেহাবয়বে

    সিলভিয়া প্লাথের একমাত্র সাক্ষাৎকার

    সিলভিয়া প্লাথের একমাত্র সাক্ষাৎকার