Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

চাওয়া শুধু একটি হিমাগার

  • কমলগঞ্জে নষ্ট হচ্ছে কষ্টের ফসল
আহমেদুজ্জামান, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার)
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০৩
চাওয়া শুধু একটি হিমাগার

মৌলভীবাজারের অন্যতম প্রধান কৃষিনির্ভর উপজেলা কমলগঞ্জ। কৃষিভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত এ উপজেলায় প্রতি বছর রেকর্ড পরিমাণ উৎপন্ন হয় আলু, টমেটো ও বিভিন্ন মৌসুমি সবজি। কিন্তু সেখানে কোনো হিমাগার না থাকায় হতাশায় ভুগছেন স্থানীয় কৃষকরা। বারবার আশ্বাস আর ফাইলবন্দি প্রস্তাবনার জালে আটকে আছে কৃষকদের এ স্বপ্নের দাবি। এর ফলে নষ্ট হচ্ছে কষ্টের ফসল।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য, কমলগঞ্জের আদমপুর, মাধবপুর, আলীনগর, ইসলামপুর, মুন্সীবাজার, পতনঊষার, সদর, রহিমপুর ইউনিয়নসহ পৌরসভায় বিপুল পরিমাণ সবজি চাষ হয়। তবে হিমাগার না থাকায় ফসল তোলার মৌসুমে ন্যায্যমূল্য পান না কৃষক। বাধ্য হয়ে বিক্রি করতে হয় কম দামে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ২০২৪ সালে সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদকে হিমাগার স্থাপনের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়। সরকার পতনের পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও হিমাগারের বিষয়টি গুরুত্বসহ নেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেন। সরকারি পর্যায়ে হিমাগার করার জন্য জায়গা নির্ধারণ ও প্রাথমিক প্রস্তাবনা পাঠাতে নির্দেশ দেন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাকে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে সেই ফাইল দেখেনি আলোর মুখ। কৃষকদের দাবির মুখে মাঝেমধ্যে আশার বাণী শোনা গেলেও বাস্তবে নেই অগ্রগতি।

টমেটোচাষি আবদুল মতিন, আবদুল মন্নান, আহমদ হোসেন ও শামীম আহমেদ জানালেন তাদের কষ্টের কথা, ‘হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে ফসল ফলাই। কিন্তু রাখার জায়গা নেই বলে পানির দরে সেগুলো বিক্রি করতে হয়। একটি কোল্ড স্টোরেজ হলে ঋণের জালে জড়াতে হতো না।’

এদিকে বীজের জন্য আশপাশের উপজেলার ওপর নির্ভর করতে হয় স্থানীয় আলুচাষিদের। হিমাগার থাকলে নিজেদের বীজ সংরক্ষণ করতে পারতেন নিজেরাই। হিমাগার হলে বড় পরিসরে চাষাবাদে আগ্রহী হবেন কৃষকরা, যা পাল্টাতে পারে স্থানীয় অর্থনীতি।

হিমাগারের গুরুত্ব তুলে ধরেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায়। তিনি বললেন, ‘কমলগঞ্জে টমেটোসহ বিভিন্ন শাকসবজি উৎপাদন হয়। টমেটোসহ শাকসবজি পচনশীল হওয়ায় হিমাগার খুব জরুরি। এ ব্যাপারে সরকারিভাবে প্রস্তাবনা দেওয়া আছে।’  

‘উপজেলায় হিমাগার করার বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন’— বললেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান।

কমলগঞ্জের সাধারণ কৃষকদের এখন একটাই চাওয়া— আশ্বাস নয়, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে অবসান হোক তাদের দীর্ঘদিনের এই চাওয়ার।

হিমাগারফসল
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: