মিয়ানমার থেকে চোরাইপথে আনা ১০ গরু জব্দ, গ্রেপ্তার পিকআপ চালক

ছবি: আগামীর সময়
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে মিয়ানমার থেকে অবৈধ পথে আনা ১০টি গরু জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময়ে চোরাচালানে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানসহ সিরাজুল ইসলাম (২৫) নামে এক চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার দিনগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার মেহেরঘোনা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেপ্তার সিরাজুল রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ এলাকার বাসিন্দা।
ঈদগাঁও থানার ওসি এ টি এম শিফাতুল মাজদারের ভাষ্য, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চেকপোস্ট বসায়। এ সময় রামুর পানিরছড়া বাজারের দিক থেকে আসা সন্দেহভাজন একটি পিকআপ ভ্যান থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। চোরাইপথে আনা গরুগুলো পিকআপে করে ঈদগাঁও গরুর বাজার সংলগ্ন একটি অনুমোদনহীন আড়তে নেওয়া হচ্ছিল। রমজানুল আলম ও রেজাউল করিম সিকদার নামে দুই ব্যক্তি ওই আড়তটির মালিক। এ সময় চালককে গ্রেপ্তার করলেও দুই পাচারকারী পালিয়ে যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে চালক সিরাজুল গরু চোরাচালানের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন ওসি।
অভিযুক্ত আড়ত মালিক রমজানুলের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
ওসি শিফাতুল জানান, গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেছেন, সীমান্তঘেঁষা এলাকায় গরু চোরাচালান ঠেকাতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ঈদগাঁও এলাকা ধীরে ধীরে মিয়ানমারের গরু পাচারের একটি বড় ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হচ্ছে। সীমান্ত থেকে এনে প্রথমে স্থানীয় অবৈধ আড়তে গরু মজুদ করা হয়। পরে সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাচার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন তারা।






