কক্সবাজার
হোটেলের পার্কিংয়ে লুকানো তিন বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ

ছবি: আগামীর সময়
কক্সবাজারের একটি বিলাসবহুল হোটেলের পার্কিং এলাকা থেকে তিনটি দামি গাড়ি আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গাড়িগুলোর ক্রয় ও আমদানি-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় এগুলো জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে মিথ্যা ঘোষণা, শুল্ক ফাঁকি, চোরাচালান কিংবা দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে গাড়ি তিনটি দেশে আনার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শক্রবার (২৮ আগস্ট) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রাম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি নিবারক দল অভিযানটি চালায়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের হোটেল ওশান প্যারাডাইজের পার্কিং এলাকায় অভিযানটি চালানো হয়।
অভিযানে ঢাকা মেট্রো-গ ৩০-১২৩৪ নম্বরের একটি লাল রঙের টয়োটা গাড়ি, ঢাকা মেট্রো-গ ১৮-৯৬৩৮ নম্বরের লাল রঙের হোন্ডা গাড়ি এবং ঢাকা মেট্রো-গ ২৪-৭৩৫৯ নম্বরের টুইন গ্রে রঙের একটি মাজদা গাড়ি জব্দ করা হয়।
কাস্টমস কর্মকর্তারা গাড়িগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় টয়োটা গাড়িটির বহনকারী হিসেবে হাসিবুর রহমান সিনহা, হোন্ডা গাড়িটির বহনকারী সাফিয়াত মাহমুদ এবং মাজদা গাড়িটির বহনকারী সারাফাত রহমান ইশানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে গাড়ি তিনটির ক্রয় কিংবা আমদানির বিষয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা দলের কাছে কোনো প্রয়োজনীয় তথ্য বা দলিল উপস্থাপন করতে পারেননি তারা। ফলে গাড়িগুলোর বৈধতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে পার্কিংয়ে থাকা অবস্থায় তিনটি গাড়িই জব্দ করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রৈজভী আহম্মেদ জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে গাড়িগুলো শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, ভিন্নতর উপায়ে বা চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে বলে সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ক্ষেত্রে দলিল জালিয়াতি হয়েছে বলেও দাবি তার।
জব্দ করা গাড়ি তিনটির বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।








