জয়পুরহাট
ছাত্রলীগ নেতাদের মেস বাণিজ্য

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে মেস ও কোচিং সেন্টার বন্ধের ভয় দেখিয়ে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জয়পুরহাট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে।
আজ রবিবার দুপুরে এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখ্য সংগঠক এহসান আহম্মদ নাহিদ।
অভিযোগে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলার পর মেস ও কোচিং সেন্টার বন্ধের তোড়জোড় শুরু হয়। তৎকালীন জয়পুরহাট থানার ওসি হুমায়ুন কবির ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয়ে এ কার্যক্রম তদারকি করেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের জয়পুরহাট কমিটির সাবেক সভাপতি জাকারিয়া হোসেন রাজা ও সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক রেজা।
তাদের সহযোগী হিসেবে ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ হাসান শোভন, সাব্বির হোসেন ও নাহিদ আনজুম হৃদয়।
পরবর্তীতে জিম, রকি ও সম্রাট নামের তিন কোচিং চালক প্রতিষ্ঠান চালু রাখার স্বার্থে অভিযুক্ত নেতাদের ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেন। টাকা পাওয়ার পরই বন্ধের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়।
অভিযোগকারী এহসান নাহিদ তৎকালীন হামলার নিরপেক্ষ তদন্তসহ বিলুপ্ত কমিটির অভিযুক্ত নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তৎকালীন ওসি হুমায়ুন কবির দাবি করেন, ঘটনাটি তার মনে নেই।
জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আল-মামুন মিয়া জানান, লিখিত অভিযোগ সাপেক্ষে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







