গুম-খুন ও বিচারহীনতার সংস্কৃতিই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য’: খন্দকার মারুফ

সংগৃহীত ছবি
গুম, খুন, অপহরণ, আয়নাঘর এবং ভুয়া মামলার মাধ্যমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করাই ক্ষমতাচ্যুত ও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অতীত ঐতিহ্য বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলামের গুমের ষষ্ঠ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
গুম হওয়া সাইফুলের পরিবারের উদ্যোগে আয়োজিত ওই সমাবেশে ড. মারুফ গুমের শিকার ছাত্রদল নেতার দ্রুত সন্ধান এবং অপরাধে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম ছিলেন একজন মেধাবী যুবক। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে তাকে অপহরণ করে নিখোঁজ করা হয়, যার হদিস আজও তার পরিবার পায়নি। এ ধরনের নৃশংস ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করে তুলে ধরেন, বিগত ১৬ বছর ধরে বিএনপি এবং ভিন্নমতের মানুষই ছিল হাসিনা সরকারের প্রধান লক্ষ্যবস্তু। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালালেও তাদের চক্রান্ত থেমে নেই। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের নেতারা বিদেশে বসে বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছেন।
এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে খন্দকার মারুফ আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণের জানমাল এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় যেকোনো অপতৎপরতা মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে থাকতে হবে। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আবুল হাশেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিবাদ সভায় জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লিয়াকত আলী, মানবাধিকারকর্মী মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপি নেতা এম এ লতিফ ভূঁইয়া, ভিপি জাহাঙ্গীর আলম ও গুম হওয়া সাইফুলের ভাই মো. জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



