সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

ছবি: আগামীর সময়
সিলেট বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগে হাম সন্দেহে ও নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১৭২ জনে দাঁড়িয়েছে বলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আজ সোমবার এসব তথ্য জানিয়েছেন সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৫৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে ৫৩৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন।
মারা যাওয়া দুই শিশুর মধ্যে সাম্য নামে ৭ মাস বয়সী এক শিশু সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবা শুভ্র তালুকদার। অপর শিশু ফারিয়া, বয়স ২ বছর ২ মাস। তার বাবা মাহবুবুল আলম এবং বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে। দুজনই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
৫ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীকে রিমান্ডে চাইছে পুলিশ
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৫৮ জনের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৫৩ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৫ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন, বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১১ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৪৩ জন ভর্তি হয়েছেন।
বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫৩৫ জন সন্দেহজনক রোগীর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৬৭ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৮৯ জন রয়েছেন। এ ছাড়া রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৭ জন, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ২৫ জন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ জন, বিশ্বনাথে ৫ জন, বিয়ানীবাজারে ৪ জন, গোলাপগঞ্জে ৪ জন এবং ফেঞ্চুগঞ্জে ৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৭৫ জন, ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৫ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৩০ জন সন্দেহজনক হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ নজরদারি ও চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালে সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা বাড়ায় শিশুদের হাম উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।




