পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপিপন্থি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়, জামায়াতের ভরাডুবি

ছবি: আগামীর সময়
পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ২০২৬-২৭ মেয়াদের নির্বাচনে বিএনপিপন্থি আইনজীবী প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে। বিপরীতে জামায়াত সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীদের ভরাডুবি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার। সমিতির মোট ৫২০ জন ভোটারের মধ্যে ৪০৯ জন সদস্য তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বলে আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা গেছে।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান ২৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল আহসান পেয়েছেন ১২৯ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. আরিফ হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৩২৮ ভোট, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মো. মহিউদ্দিন পেয়েছেন মাত্র ৬৯ ভোট। সহ-সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম ২৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ১২৭ ভোট।
সহ-সাধারণ সম্পাদক দুটি পদে একাধিক প্রার্থীর মধ্যে অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম সোহাগ ৩০৫ ভোট এবং অ্যাডভোকেট মো. মুজিবুল হক বিশ্বাস রানা ২৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসাইন ১০৯ ভোট এবং অ্যাডভোকেট মো. ওমর ফারুক ৭৩ ভোট পেয়েছেন। লাইব্রেরি সম্পাদক পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলামকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. মাইনুল ইসলাম রুবেল ২৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মো. আবু সাঈদ খান পেয়েছেন ৮৫ ভোট।
এ ছাড়া সদস্য পদের দুটি পদে অ্যাডভোকেট মো. এনামুল হক রাসেল ২৯০ ভোট এবং অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম পাটোয়ারী ২৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ারসহ অন্য সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করায় ভোটারদের ধন্যবাদ জানান। সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেন যে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে সমিতিতে জাতীয়তাবাদী শক্তির একচ্ছত্র আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলো।




