মামলার ভয় দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ায় দুই পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

ফাইল ছবি
খুলনার ডুমুরিয়ায় হরিণের মাংসসহ আটক ব্যক্তিকে ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে পুলিশের দুই সদস্যকে। তারা হলেন, মাদারতলা পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল মাঈনুল ইসলাম ও মুছাব্বির হোসেন।
আজ রবিবার তাদের প্রত্যাহার করে সংযুক্ত করা হয়েছে খুলনার শিরোমণি পুলিশ লাইনে। নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। যাকে আটক করা হয়েছিল, তিনি হলেন- ডুমুরিয়ার মাদারতলা এলাকার সুফল মন্ডল।
সুফলের পরিবার জানিয়েছে, গত ১২ মে ডুমুরিয়ার মাদারতলা এলাকায় ১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ তাকে আটক করেন কনস্টেবল মাঈনুল ও মুছাব্বির। মামলার দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নেন ওই দুজন। মাংস নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে ছেড়ে দেওয়া হয় সুফলকে। ঘটনাটি পরে জানাজানি হলে ব্যাপক সমালোচনা হয়।
পরে দুই কনস্টেবল ৪০ হাজার টাকা ফেরত দেন বলেও জানান সুফলের স্বজনরা।
ঘটনা আগে জানতেন না বলে দাবি করেছেন মাদারতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজির হোসেন। ‘ঘটনার সময় জানতাম না। পরে শুনে ডুমুরিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করি। ডুমুরিয়া থানার ওসি আছের আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানান।’
জেলা পুলিশ সুপার তাজুল বলেছেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় আজ রবিবার দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।




