পুশব্যাকের অপেক্ষায় মিয়ানমারের ৪৭ খুমি নাগরিক

ছবি: আগামীর সময়
একদিকে ভারত অপরদিকে মিয়ানমার। প্রতিবেশী দুই দেশ থেকেই আসছে পুশইন। বিএসফকে কখনো কখনো ঠেকানো গেলেও বিপত্তি আরাকান আর্মিতে। গত বৃহস্পতিবার দেশে প্রবেশ করা মিয়ানমারের ৪৭ খুমি নাগরিককে এখনো করা যায়নি পুশব্যাক। এ তথ্য জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে নারী-পুরুষ ছাড়াও বেশ কিছু শিশুও রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের আন্তর্জাতিক পিলার নং ৬৯-৭০ এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে। থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের হৈকু খুমি পাড়ায় আশ্রয় নেয় সকলে।
বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুশব্যাক বিষয়ে করা হয়নি কোনো মন্তব্য। তবে সীমান্তের এপার-ওপারের খবর রাখেন, এমন সূত্রগুলো জানাচ্ছে, অনুপ্রবেশকারী খুমিদের তাড়িয়ে নিয়ে এসেছে আরাকান আর্মির সশস্ত্র গেরিলারা। তারা সীমান্তের ওপারে প্লাওয়া এলাকায় নিয়েছে অবস্থান। এমতাবস্থায় খুমিদের ফেরত পাঠানো হলে বিপদ হতে পারে। এমন আশঙ্কা থেকেই পুশব্যাক করছে না বিজিবি।
সূত্র জানায়, রাখাইন প্রদেশের অধিকাংশ অংশ দখলে নিয়েছে বিদ্রোহী আরাকান আর্মি। পার্শবর্তী চিন প্রদেশের খুমি নাগরিকদের ওপর নানা ধরনের চাপ দিয়ে আসছে তারা। আরাকান আর্মির সশস্ত্র তৎপরতায় আতঙ্কে থাকা খুমিদের একটি অংশ প্রথম দফায় সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে।
বলিপাড়া জোনে দায়িত্বরত ৩৮ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ইয়াসির আরাফাত হোসেন শুক্রবার আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন খুমি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তাদের স্থায়ী ঠিকানা যাচাই-বাছাই করে পুশব্যাকের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেছেন, ওপার থেকে এসে এপারের খুমি পাড়াগুলোতে ঢুকে পড়লে তাদের শনাক্ত করা কিছুটা কঠিন হবে।
তবে আজ একাধিকবার চেষ্টা করেও বিজিবির দায়িত্বশীল কারো সঙ্গে কথা বলা যায়নি।




