অপ্রতিম হত্যা: গ্রেপ্তার দুই কিশোর টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে

সংগৃহীত ছবি
কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত চার আসামির মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) পাঠানো হয়েছে।
আজ সোমবার বেলা ৩টার দিকে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্য দিয়ে দুই কিশোরকে টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির তত্ত্বাবধায়ক মো. এমরান খান।
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে না পাঠিয়ে এই উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, অপ্রতিম হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ১৯ বছর বয়সী সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনসহ প্রথমে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তদন্তে আরও একজনের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় মোট চার আসামিকে আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বয়স বিবেচনা করে দুই কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
নিহত ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে এবং স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
গত শুক্রবার কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতী এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়। পরদিন শনিবার দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা এলাকার লালমাই পাহাড়ের এক নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।



