রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত হলেন সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন

ছবি: আগামীর সময়
যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিনকে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কুলাউড়া শহরের নবীন চন্দ্র সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম জানাজার আগে কুলাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিসুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মরহুমকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর বাদ জোহর জয়চণ্ডী ইউনিয়নের হযরত বিবিমাই (রহ.) মোকামে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে সংলগ্ন কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় সম্মানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
মো. আব্দুল মতিন ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মহাজোটের প্রার্থীর সমর্থনে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি দুইবার কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং জয়চণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
মরহুমের জানাজায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ঢল নামে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়ার বর্তমান সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল জলিল জামাল, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, সাবেক আহ্বায়ক রেদওয়ান খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির জাকির হোসেন, শূরা সদস্য রাজানুর রহিম ইফতেখার ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আসম কামরুল ইসলাম।
এছাড়াও বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম শামীম, মৌলভীবাজার জেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জামাল উদ্দিন, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. খুরশিদ উল্ল্যাহ, পৌর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল ইসলাম, কুলাউড়া সমিতি ঢাকার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন, উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সুশীল চন্দ্র দে এবং মরহুমের ছেলে আরাফাত মো. মুজিবসহ বিশদ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়ে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।





