সাত দিনের রিমান্ডে সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন

মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন
চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর দুই হত্যা মামলায় আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে আলাদাভাবে মোট সাত দিন হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশকে অনুমতি দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে নগরীর বায়েজিদে সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলা হত্যা মামলায় দুই দিন এবং বাকলিয়ায় প্রাইভেট কারে গুলি করে জোড়া খুনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।
আজ বুধবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ও আলাউদ্দিন মাহমুদের আদালতে আলাদাভাবে পুলিশের দুই রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী জানালেন, দুই মামলায় রিমান্ড শুনানির জন্য সকালে ডেভিড ইমনকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাকে আবার কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৯ মার্চ গভীর রাতে নগরীর বাকলিয়া এক্সেস রোডে একটি প্রাইভেট কারকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে ছুড়তে এগিয়ে যান পাঁচ মোটরসাইকেলে থাকা সন্ত্রাসীরা। প্রায় দুই কিলোমিটার ধরে পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণের পর কারটি থেমে যায়। ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া কারে পড়ে থাকে দুই যুবকের লাশ। এরা আরেক সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলার অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
‘মালিক হঠাও, বাগান বাঁচাও’ স্লোগানে উত্তাল চা-বাগান, মজুরির দাবিতে আন্দোলনে শ্রমিকরা
২৮ অক্টোবর ২০২৬
এরপর সে বছরের ৫ নভেম্বর বিকালে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার হাজীপাড়া এলাকায় চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী জনসংযোগে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এরশাদ উল্লাহ পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। সঙ্গে থাকা সরোয়ার হোসেন বাবলাকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে খুন করা হয়। পুলিশ জানায়, উভয় ঘটনায় করা মামলায় ডেভিড ইমন অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি।
গত ২৯ জুলাই ভারতে পালানোর সময় যশোরে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ডেভিড ইমন। বিদেশে পলাতক শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের অনুসারী ইমন।




