এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক

সংগৃহীত ছবি
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দিনে ১০৬০ ঘনফুট সরবরাহ দিয়েছে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কম্পানি লিমিটেড। সাগর উত্তাল, ভারী বৃষ্টিপাত এবং বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার এই সুখবর দিল সরকারি প্রতিষ্ঠানটি।
সরকারি এই সিদ্ধান্তে শহরের বাইরে বন্যা আর নগরজুড়ে জলাবদ্ধতার মধ্যে মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমবে।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, সাগর উত্তাল থাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে এলএনজি সরবরাহ কমিয়ে ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট করা হয়েছিল। পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে স্বাভাবিক সময়ের মতো ১০৬০ মিলিয়ন ঘনফুট দেওয়া হচ্ছে।
স্বাভাবিক সময়ে কক্সবাজারের মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে দিনে গড়ে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ দেওয়া হয়। সাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ৭ জুলাই থেকে সেটি কমানো হয়েছিল। কাতার, ওমান এবং আর্ন্তজাতিক স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনে জাহাজে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে রাখা হয়। সেখানে তরল এলএনজিকে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করা হয়। টার্মিনাল থেকে সাগরের তলদেশ দিয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস প্রথমে মহেশখালীর ল্যান্ডিং স্টেশনে আসে। সেখান থেকে স্থলভাগের পাইপলাইন দিয়ে মহেশখালী থেকে পেকুয়া, চকরিয়া, বাঁশখালী হয়ে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নির্মিত গ্যাস ট্রান্সমিশন লাইনে পৌঁছায়। আনোয়ারা থেকেই এই গ্যাসেএকটি লাইনে সরাসরি সিইউএফএল এবং কাফকো সার কারখানায় যায়। অন্য লাইনটি শিকলবাহা হয়ে চট্টগ্রামের প্রধান বিতরণ লাইন এবং জাতীয় গ্রিডের ফেনী-আশুগঞ্জ লাইনে যুক্ত হয়।
দেশের মোট উৎপাদিত ও সরবরাহকৃত গ্যাসের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আমদানিকৃত এলএনজি থেকেই মেটানো হয়ে থাকে। এলএনজি সরবরাহ কমায় দেশের শিল্প এলাকা, সিএনজি পাম্প, আবাসিকে গ্যাস সরবরাহ সংকটে পড়েন গ্রাহকরা।




