ক্রিকেটার নাঈমকাণ্ডের পর সিএমপিতে বড় রদবদল

সংগৃহীত ছবি
যোগদানের আড়াই মাসেই ওসি পদে বড় রদবদল করলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী।
সম্প্রতি জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্থার পর কঠোর সমালোচনা ও বিতর্কের মুখে পড়ে সিএমপি। মাঠপর্যায়ে কর্মরত পুলিশের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি প্রতিপালন না করার অভিযোগ ওঠে। এ অবস্থায় মাঠ প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফেরাতে কমিশনার আস্থাভাজন কর্মকর্তাদের থানায় পাঠাচ্ছেন, এমন আভাস মিলেছে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে।
একযোগে পাঁচ থানার ওসিসহ আট পুলিশ পরিদর্শক পদে পরিবর্তন এনে আজ সোমবার সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার আদেশ জারি করেন। আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী।
গত ১২ জুন রাতে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে বিমানবন্দর থেকে ফেরার পথে আটক করে খুলশী থানায় নিয়ে হেনস্থা করা হয়। এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে ওসি আরিফুল ইসলামকে পুলিশ লাইনে বদলি করা হয়। আর খুলশীর ওসি পদে দায়িত্ব দেওয়া হয় বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে। তিনি গতকাল রবিবার যোগ দেন।
আলোচিত ১০ (১৫ জুন ২০২৬)
১৫ জুন ২০২৬
কর্ণফুলী থানার ওসি শাহীনুর আলমকে বদলি করা হয়েছে ডবলমুরিং থানায়। বিশেষ শাখার পরিদর্শক কাজী মাসুদ ইবনে আনোয়ারকে কর্ণফুলীতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর ডবলমুরিং থানার ওসি জামাল উদ্দিন খানকে পাঠানো হয়েছে বিশেষ শাখায়।
চকবাজার থানার ওসি বাবুল আজাদকে নগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দক্ষিণ জোনে বদলি করা হয়েছে। চান্দগাঁও থানার ওসি নুর হোসেন মামুনকে ওসি করা হয়েছে চকবাজার থানায়। আর ডিবি-দক্ষিণের পুলিশ পরিদর্শক জসিম উদ্দিনকে চান্দগাঁও থানার ওসি করা হয়েছে।
গত ১ এপ্রিল সিএমপি কমিশনার পদে যোগ দেন হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী। বদলি হওয়া কমিশনার হাসিব আজিজের কাছ থেকে দায়িত্ব পাওয়া কর্মকর্তাদের দিয়েই এতদিন কার্যক্রম সামলাচ্ছিলেন তিনি।





