স্যান্ডরের সেবা চালু রাখার দাবি ২৭৬ কিডনি রোগীর

চমেক হাসপাতালের স্যান্ডর ডায়ালাইসিস সেন্টারের সেবা চালু রাখার দাবি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের স্যান্ডর ডায়ালাইসিস সেন্টারের সেবা চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন সেখানে চিকিৎসা নেওয়া রোগীরা।
আগামী ২৯ নভেম্বর স্যান্ডরের সঙ্গে সরকারের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ডায়ালাইসিস পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
আজ বুধবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। স্যান্ডরে সেবা গ্রহিতা ২৭৬ জন কিডনি রোগীর পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। রোগীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শুভ ভট্টাচার্য।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২০১৭ সালে (পিপিপি) আওতায় স্যান্ডরের মাধ্যমে চমেক হাসপাতালে ৩১টি মেশিন নিয়ে ডায়ালাইসিস সেন্টার চালু করা হয়। বর্তমানে ২৭৬ জন রোগী সেখানে নিয়মিত সেবা নিচ্ছেন। প্রতি সেশনে ৬২১ টাকা খরচে ডায়ালাইসিসের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও উপকরণও সেখান থেকে পাওয়া যায়।
রোগীদের আশঙ্কা, কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণে স্যান্ডরের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন না হলে বিকল্প ব্যবস্থায় চিকিৎসা নিতে তাদের বাড়তি খরচের মুখে পড়তে হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় নতুন মেশিন বসাতে প্রায় তিন মাস লাগতে পারে। এ সময় বেসরকারি হাসপাতালে ডায়ালাইসিসের খরচ প্রতি সেশনে তিন হাজার ৫০০ থেকে সাত হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এই ব্যয় বহন করা অনেক রোগীর পক্ষে সম্ভব হবে না।
রোগীদের দাবি, চমেক হাসপাতালের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ডায়ালাইসিস ইউনিটে রোগীর চাপ বেশি। সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী শিডিউল ও সেবা পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তাই বর্তমান সেন্টারের সেবার মান ও সুবিধা বজায় রেখে বিকল্প কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হলেও পিপিপি প্রকল্প চালু রাখার আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন হলেও প্রতি সেশনে ৬২১ টাকায় মানসম্মত ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা রাখার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কিডনি রোগী কল্যাণ সংস্থার প্রতিনিধি মো. আব্দুল আলী, মো. নজরুল হোসেন, তানভীন জান্নাত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



