বাণিজ্যমন্ত্রী
জাহাজভাঙা শিল্প শীর্ষ পর্যায়ে উন্নীত করতে কাজ করছে সরকার

বাংলাদেশকে আবারও বিশ্বে জাহাজ রিসাইক্লিং শিল্পের শীর্ষ অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে গ্রিন লাইসেন্স ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান শিপ রিসাইক্লিং ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না। এ লক্ষ্যে উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় কারিগরি ও নীতিগত সহায়তা দেবে সরকার।
সোমবার সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পিএইচপি শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী সেখানে ইয়ার্ড মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, বর্তমানে দেশের ৩১টি শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ড গ্রিন লাইসেন্স অর্জন করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিবেশবান্ধব উপায়ে জাহাজ পুনর্ব্যবহার করছে। যেসব প্রতিষ্ঠান এখনও এই সনদ পায়নি, তাদেরও একই মানদণ্ডে নিয়ে আসতে সরকার প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহায়তা দেবে।
মন্ত্রী বললেন, একসময় পরিবেশ দূষণ, শ্রমিক নিরাপত্তাহীনতা ও অস্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশের কারণে জাহাজভাঙা শিল্প ব্যাপক সমালোচনার মুখে ছিল। তবে বর্তমানে গ্রিন ইয়ার্ডগুলোতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যা বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক। এ শিল্পের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশ সুরক্ষা ও শ্রমিক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সভায় শিপইয়ার্ড মালিকরা ব্যাংক খাতের তারল্য সংকট, শিল্পসংশ্লিষ্ট নীতিগত জটিলতা এবং খাতটির বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। সভায় বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন চৌধুরী, শওকত আলী চৌধুরীসহ এই শিল্পের মালিক সমিতির সদস্য এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




