মেসির জাদুকরি খেলায় ব্রাজিল ছেড়ে আর্জেন্টিনায়

ছবি: আগামীর সময়
পেশায় ইনটেরিয়র ডিজাইনার মইনুল হাসান ছোট্টবেলা থেকেই আর্জেন্টাইন ফ্যান। বিশ্বজোড়া জনপ্রিয় দিয়াগো ম্যারাডোনা ভক্ত এখন হলেন লিওনেল মেসির। আর্জেন্টিনার কোনো ম্যাচ বাদ দেননি। বিশ্বকাপ হলে তো কথাই নেই। পরিবার নিয়ে জমিয়ে খেলা দেখতে বসেন। এবার দুই সন্তান বেশ বড়ো হয়েছে। টিভিতে খেলা বুঝতে শিখেছেন।
নয় বছর বয়সী এলমির আজওয়াদ এবং ছয় বছরের আফরা নাওয়ার হয়ে গেছেন আর্জেন্টিনার ভক্ত। কিন্তু তাদের মা ফারজানা দিবা ছিলেন ব্রাজিল ভক্ত। কাতার বিশ্বকাপের সময়ও ব্রাজিল ভক্ত ছিলেন। সেবার আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জয়ের পর মেসির পারফরম্যান্স দেখে মন গলে তার। পুরোপুরি আর্জেন্টিনার ভক্ত এখন তিনি।
২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে লিওনেল মেসির জাদুকরি পারফরম্যান্স আর হ্যাটট্রিকের ওপর ভর করে আর্জেন্টিনা আজ বুধবার দুর্দান্ত জয় পেয়েছে। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মেসিভক্তের আনন্দের ঢেউ লেগেছে চট্টগ্রামেও। পরিবারসহ মেসির এই নান্দনিক পারফরম্যান্স দেখে উচ্ছ্বসিত নিখাদ আর্জেন্টাইন সমর্থক হলেন ফারজানা দিবা।
স্ত্রী, দুই সন্তান পরিবার নিয়ে আর্জেন্টাইন জার্সি গায় দুপুরে খেতে এসেছেন অভিজাতি এক রেস্টুরেন্টে। ‘আজকে সুখের দিন। আমার ছেলে-মেয়ে দুইজন আর্জেন্টিনার ভক্ত। এবার স্ত্রীও আমাদের কাতারে আসলেন। এই উপলক্ষে দুপুরের খাওয়ার উৎসব।’
ছোটবেলা থেকেই এই ভালোবাসার সূত্রপাত মূলত বাবার হাত ধরে। মইনুল বললেন, ‘আমার বাবাও আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিলেন। ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে বসেই খেলা দেখা শুরু করি। ম্যারাডোনার সেই স্মৃতি আর বাবার অনুপ্রেরণাই আমাকে এই দলের প্রেমে পড়তে বাধ্য করেছে।’
মেসির হ্যাটট্রিক ও মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে মইনুল হাসান অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। জানালেন, ‘এই বয়সেও মেসি মাঠের ভেতরে যেভাবে পারফর্ম করছেন এবং হ্যাটট্রিক করলেন, তা একজন আর্জেন্টাইন ফ্যান হিসেবে আমাকে ভীষণভাবে আপ্লুত করেছে।’
সন্তানদের পরীক্ষার ব্যস্ততা থাকায় এবারের ম্যাচটি মাঠে বা বড় পর্দায় গিয়ে দেখা সম্ভব হয়নি মইনুলের। তাই সাতসকালে ঘুম থেকে উঠেই পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘরের ড্রয়িংরুমে টেলিভিশনের পর্দায় বসে উপভোগ করেছেন প্রিয় তারকার এই জাদুকরী প্রদর্শন।





