২৩ মাস পর দীপ্তি-শাহেদের কাছেই ফিরল চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি ও সম্পাদক
অভ্যন্তরীণ সংঘাত, আধিপত্য বিস্তার ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে বিলুপ্ত করা হয়েছিল চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি। যদিও বিলুপ্তির কারণ হিসেবে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কথা বলা হয়েছিল। গত ২৩ মাসে নতুন কমিটি গঠনের বেশ তোড়জোড়ও দেখা যায়। না পেরে শেষপর্যন্ত দীপ্তি-শাহেদের সেই বিলুপ্ত কমিটিকেই আবার ফিরিয়ে আনল কেন্দ্রীয় যুবদল।
ফের সাংগঠনিক দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বসিত নগর যুবদলের নেতারা বলছেন, সত্যের জয় হয়েছে। তবে কেউ কেউ একে নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ে কেন্দ্রের ব্যর্থতা ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়ানোর কৌশল হিসেবে দেখছেন।
আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর এবং এর আওতাধীন সকল থানা ও ওয়ার্ড কমিটি পুনর্বহালের বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদল বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের সিদ্ধান্তে এ নির্দেশনা বলে জানালেন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া।
চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ বললেন, ‘প্রমাণ হল চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কোনো ধরনের অন্যায়-অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। আমরা পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। ২৩ মাস পর দায়িত্ব আবার আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হল। আমাদের ওপর আস্থা রাখায় আমরা প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞ। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন পরবর্তী প্রেক্ষাপটে ২১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। এর আগের দিন নগরীর চান্দগাঁও এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন একটি স্পোর্টস জোন কমপ্লেক্সের দখল ও চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে জুবায়ের উদ্দিন বাবু নামের এক যুবদল কর্মী নিহত হন।
২০১৮ সালের ১ জুন মোশাররফ হোসেন দীপ্তিকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ শাহেদকে সাধারণ সম্পাদক করে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়।







