ট্রলারে অগ্নিকাণ্ডে ৫ দিন পর মারা গেল তামিমও

ছবি: আগামীর সময়
চট্টগ্রামের সদরঘাটে কর্ণফুলী নদীতে মাছ ধরার ট্রলারে আগুনে মারা গেছেন দগ্ধ প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান তামিমও। এ নিয়ে আগুনে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজনে।
গতকাল শনিবার রাতে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তামিমের বাড়ি সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নে। রবিবার (৫ জুলাই) বিকালে গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে ভগ্নিপতি মো ইব্রাহিম।
তিনি জানালেন, তিন ভাইবোনের মধ্যে তামিম সবার ছোট। টানা পাঁচ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বড় ভাই নগরীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। বাবা পেশায় ব্যবসায়ী। এর আগে তিনি ইউপি সদস্য ছিলেন।
এর আগে গত ৩০ জুন কর্ণফুলী নদীতে ‘এফভি দেশ’ নামের মাছ ধরার ট্রলারে ইঞ্জিন কক্ষে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর আগুন লাগে। এতে তামিমসহ এফভি দেশ-এর তিনজন এবং পাশে থাকা এফভি ডিজনির তিন নাবিক দগ্ধ হয়।
গত ৩০ জুন সন্ধ্যায় গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় ইঞ্জিন বিভাগের গ্রিজার মো. রুবেল (৩২) ও শাহ আলমের (৪০)। গতকাল মৃত্যু হয় তামিমের।
এ ছাড়া এফভি ডিজনির নাবিক নিজাম উদ্দিন, মো. রাসেল ও ছিদ্দিক আহমেদ দগ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসা নেন। তারা এখন মোটামুটি সুস্থ।




