তৃতীয় লিঙ্গের মানবাধিকার নিশ্চিতে সভা

চট্টগ্রামে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরাও সমাজের অংশ। হিজড়া কোনো লিঙ্গ নয়, বরং এটি একটি সম্প্রদায়। যেখানে নির্দিষ্ট রীতিনীতি ও সামাজিক কাঠামোর মাধ্যমে এই জনগোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধ থাকে। এই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরাও প্রতিনিয়ত আবাসন সমস্যা ও সামাজিক লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছে।
সেই জনগোষ্ঠীর সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে এ কথা বলা হয়। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ‘বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’। এতে সাংবাদিক, আয়োজক ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধিসহ মোট ১৮ জন উপস্থিত ছিলেন।
এ বিভাগীয় ফোরাম সভায় বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন, হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা এবং আইনি সহায়তার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কেন্দ্রীয় ম্যানেজার অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড কমিউনিকেশন মোহাম্মদ মশিউর রহমান, সিনিয়র ডিআইসি ম্যানেজার এ কে হুমায়ুন কবির, বন্ধু সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়ক সৌরভ ভট্টাচার্য।
বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর হিজড়া জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক গেজেট বা প্রজ্ঞাপন জারি করে। গেজেটে উল্লেখ করা হয়, “সরকার বাংলাদেশের হিজড়া জনগোষ্ঠীকে ‘হিজড়া লিঙ্গ’ হিসাবে চিহ্নিত করে স্বীকৃতি প্রদান করিল।” ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী তাদের সংখ্যা মাত্র ১২ হাজার ৬২৯ জন।






