চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেশের প্রথম সমুদ্র গবেষণা কেন্দ্র

দেশের প্রথম ও একমাত্র স্যাটেলাইটভিত্তিক সমুদ্র গবেষণা কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউটের পাশে। এর নাম ‘স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন অ্যান্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টার’। এ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সমুদ্র ও আবহাওয়ার তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা যাবে। দুর্যোগের আগাম সতর্কতা-পূর্বাভাস প্রদান করতে সহায়তা করবে এটি।
কেন্দ্রটি চালু হলে সমুদ্র ও আবহাওয়া সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যেই সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতদিন অন্য দেশ থেকে ডাটা সংগ্রহে বিলম্ব, সীমিত প্রবেশাধিকার ও কম রেজোলিউশনের সমস্যার কারণে গবেষণা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হতো।
এসব সীমাবদ্ধতা দূর করতেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের সেকেন্ড ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফি (এসআইও) এর যৌথ উদ্যোগে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৬ মার্চ অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং বর্তমানে ডাটা সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ও অ্যালগরিদম উন্নয়নের কাজ শেষ হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় স্টেশনটি উদ্বোধন করেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
এসময় প্রতিমন্ত্রী বললেন, ‘আমাদের নাবিক, পণ্যবাহী জাহাজ ও ট্রলারের জন্য এ প্রকল্প খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা এখন আবহাওয়া ও মাছের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারবে। এ প্রকল্পে সীমাবদ্ধতা থাকলেও যে উদ্দেশ্যে এটি স্থাপন করা হয়েছে, আমরা সে উদ্দেশ্য পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব।’




