মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা নেই

ভারী বৃষ্টিতে জনজীবনে ভোগান্তি। ছবি : চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রামে দুদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে আজ সোমবার মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রামে। তবে এতে অন্যান্যবারের মতো নগরের কোথাও সেভাবে জলাবদ্ধতা দেখা যায়নি।
নগরের কয়েকটি নিচু এলাকায় ভারী বৃষ্টির সময় পানি উঠলেও বৃষ্টি থামার পর পর তা নেমে যায়। স্থায়ী জলাবদ্ধতা হয়নি। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজের সময় বিভিন্ন খালের মধ্যে থাকা বাঁধ খুলে দেওয়ার কারণে পানি তাড়াতাড়ি নেমে যাচ্ছে।
সন্ধ্যার দিকে ভারী বৃষ্টির সময় নগরের কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, বাদুরতলার নিচু এলাকায় কিছু সময়ের জন্য পানি দেখা গেছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২০৬ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টি এবং পাহাড়ধসের সতর্কবার্তা রয়েছে বলে জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্তব্যরত আবহাওয়াবিদ বশির আহমেদ।
সোমবার সকাল ১০টা ৫৭ মিনিটে সর্বোচ্চ জোয়ার ছিল। বিকেল ৪টা ৪৭ মিনিটে ভাটা হয়। আবার রাত ১১টা ২৬ মিনিটে দ্বিতীয় জোয়ার হওয়ার কথা রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে জোয়ার যোগ হয়ে অতীতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তবে এবার তা এখনো পর্যন্ত দেখা যায়নি। এই প্রতিবেদন লেখার সময় নতুন করে আবার মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়।
এদিকে, বৃষ্টির সময় সোমবার সকালে মেয়র নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের বাস্তব চিত্র, খাল-নালা ও ড্রেনের পানি প্রবাহ, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
মেয়র বললেন, বর্ষা মৌসুমে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সব বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে। কোথাও পানি জমার খবর পাওয়া মাত্র সংশ্লিষ্ট টিম দ্রুত সেখানে গিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে। নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছি।
জলাবদ্ধতা নিরসনে জনগণকে নালা নর্দমায় ময়লা আবর্জনা না ফেলে সিটি করপোরেশনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান মেয়র।




