Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের কল্যাণেই ঈদের আনন্দ বাবুর
শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জীববৈচিত্র্য

ইলিশের মোহে মোহনায় তেত্রিশ বছর

জহির রায়হান
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩০
ইলিশের মোহে মোহনায় তেত্রিশ বছর

মেঘনার মোহনায় গবেষণায় নিমগ্ন আনিছুর রহমান -আগামীর সময়

আনিছুর রহমানের জীবন যেন এক রোমাঞ্চকর অভিযানের গল্প। ৩৩ বছর ইলিশের খোঁজে ছুটেছেন— কখনো পদ্মা-মেঘনার উত্তাল স্রোতে, কখনো বঙ্গোপসাগরের অস্থির ঢেউয়ে, কখনোবা প্রজননক্ষেত্র, অভয়াশ্রম আর বিচরণপথের অজানা জলরেখায়। তার কাছে ইলিশ শুধু একটি মাছ নয়; এক অনন্ত অনুসন্ধানের নাম।

ইলিশ যে আবার বাঙালির পাতে ফিরেছে, তার পেছনে আনিছুর রহমানের দীর্ঘ গবেষণারও রয়েছে উল্লেখযোগ্য অবদান। তার সঙ্গী ছিল ৪৮ ফুটের একটি কাঠের নৌকা, ছোট্ট একটি স্পিডবোট। বৈরী আবহাওয়া, উত্তাল নদী, হঠাৎ বদলে যাওয়া সাগরের মেজাজ— সবকিছুকেই সঙ্গী করে দিনের পর দিন কাটিয়েছেন অথৈজলে। আজকের মতো হাতে হাতে মোবাইল ফোন ছিল না তখন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছাড়াই পেরিয়ে গেছে সপ্তাহের পর সপ্তাহ। তবু হাল ছাড়েননি। ইলিশের জীবনচক্রের প্রতিটি রহস্য তার কাছে ছিল নতুন এক আহ্বান।

সেই দীর্ঘ সাধনার ফলই ধীরে ধীরে বদলে দিয়েছে বাংলাদেশের ইলিশ ব্যবস্থাপনার চিত্র। তার গবেষণার ভিত্তিতে ২০০৬-০৭ সাল থেকে অক্টোবরের ভার পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে ২২ দিনের জন্য ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা চালু হয়। পরে এ সিদ্ধান্তই দেশের ইলিশ সংরক্ষণ কৌশলের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হয়ে ওঠে। চাঁদপুরকে সরকারি উদ্যোগে ‘সিটি অব হিলসা’ বা ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’— হিসেবে পরিচিত করে তোলার পেছনেও রয়েছে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে প্রযুক্তি, বদলেছে গবেষণার পদ্ধতি। কিন্তু মোহনার জলরেখায় ইলিশের পিছু ছুটে বেড়ানো সে মানুষটির গল্প ইলিশ-ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে। পেশায় তিনি মাৎস্যবিজ্ঞানী। সাগর, নদী ও মোহনায় কত ইলিশ আছে, কত ধরা হচ্ছে— এসব বিষয়ে সমীক্ষাই তার কাজ। ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বরে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) চাঁদপুর নদীকেন্দ্রে যোগ দেন। এরপর প্রায় ৩৩ বছর চাঁদপুরেই কেটেছে তার। পুরোটা সময় ছিলেন গবেষণা নিয়েই। এরপর প্রশাসক হিসেবে কেটেছে দুই বছর।

শৈশব ও কর্মজীবনের শুরু: ১৯৬৪ সালে মাগুরার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে জন্ম আনিছুর রহমানের। মাগুরায় স্কুল ও কলেজের পড়াশোনা শেষে ১৯৮১-৮২ শিক্ষাবর্ষে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অনুষদে ভর্তি হন তিনি। পরে ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড লিমনোলজি বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন।

চাকরিজীবনের শুরুতে বাবার একটি উপদেশ তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। স্কুলশিক্ষক বাবা আব্দুস সামাদ মিয়া তাকে বলেছিলেন, ‘যে বিষয়ে পড়াশোনা করবে, চাকরিটাও সেই লাইনে করবে। তাহলে জীবনে ভালো কিছু করতে পারবে।’ বাবার সে কথাই মেনে নিয়েছিলেন আনিছুর রহমান।

নদী-সাগরের মোহনায় ছুটে চলা: আনিছুর রহমান বলেছেন, গবেষণার শুরুতে তিনি ইলিশের জীবনচক্র বোঝার চেষ্টা করেন— প্রজনন, খাদ্যাভ্যাস এবং সাগর থেকে মোহনায় ইলিশের স্থানান্তর বা মাইগ্রেশন। একই সঙ্গে কত পরিমাণ ইলিশ রয়েছে এবং কতটা ধরা হচ্ছে— এসব তথ্য সংগ্রহ করে ইলিশের মজুদ মূল্যায়ন করা হতো। তার বেশিরভাগ সময় কেটেছে ইলিশের প্রজননক্ষেত্র নোয়াখালীর ঢালচর, মৌলভীরচর, কালীরচর ও ভোলার মনপুরায়। এ ছাড়া ইলিশের অভয়াশ্রম পদ্মার নিম্নাঞ্চল, শরীয়তপুরের অংশ, চাঁদপুরের ষাটনল থেকে চর আলেকজান্ডার, মেঘনার শাহবাজপুর চ্যানেল, তেঁতুলিয়া নদী, আন্ধারমানিক নদী এবং হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ অঞ্চলেও নিয়মিত যাতায়াত করেছেন তিনি।

সাগরই ‘বিশাল প্রাকৃতিক পুকুর’: ২০০২-০৩ সালে দেশে ইলিশের উৎপাদন কমে ১ লাখ ৯৯ হাজার টনে নেমে এলে হতাশ হয়ে পড়েন আনিছুর রহমান। তখন পুকুরে ইলিশ চাষের পরীক্ষামূলক উদ্যোগ নেন। এ নিয়ে অনেকের উপহাসও শুনতে হয়েছিল তাকে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই বুঝতে পারেন, পুকুরে বাণিজ্যিকভাবে ইলিশ উৎপাদন সম্ভব নয়। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই নদী, সাগর ও মোহনাকে একটি ‘বিশাল প্রাকৃতিক পুকুর’ হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি ‘একটি পাত্রে দুটি ছিদ্র’ নামে একটি রূপক তত্ত্বের কথা বলেন। তার মতে, একটি পাত্রে দুটি ছিদ্র থাকলে সেটি কখনোই পূর্ণ হবে না। ইলিশের ক্ষেত্রেও তেমন দুটি ‘ছিদ্র’ হলো— জাটকা নিধন এবং প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ শিকার। আনিছুর রহমানের গবেষণার ভিত্তিতে ২০০৬-০৭ সাল থেকে অক্টোবরের ভরা পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে ২২ দিনের জন্য ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এতে মা ইলিশকে নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এ নিষেধাজ্ঞা ও অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা কার্যকর হওয়ার পর ইলিশের উৎপাদন বাড়তে শুরু করে। তার ফলাফলও আসে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে উৎপাদন হয় ৫ লাখ ৭১ হাজার টন, যা এখন পর্যন্ত রেকর্ডসংখ্যক উৎপাদন।

আছে অন্য রকম অভিজ্ঞতাও: ১৯৯২ সালে সুন্দরবনে ইলিশ পর্যবেক্ষণে যায় আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল। তখন তারা বুঝতে পারেননি, তাদের কাছেই ছিল প্রয়াত মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিনের ডেরা। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে জিয়া বাহিনীর লোকজন গবেষক দলটিকে ডেরায় নিয়ে যায়।

আনিছুর রহমান বললেন, ওইদিন মেজর জিয়াউদ্দিন তার কাছে নানা বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। তিনি তাকে বলেছিলেন, ‘আমি গবেষক। বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে ইলিশ ডিম ছাড়ে, সেগুলো অনুসন্ধান করতে এসেছি।’ আলাপের পর মেজর জিয়াউদ্দিন তাকে সম্মান দেখিয়েছিলেন বলে জানালেন তিনি।

২০০৯ সালের ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলার সময়ও এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন আনিছুর রহমান। তখন গবেষণার কাজে ভোলার একটি চরে ছিলেন তারা। চলছিল ১০ নম্বর বিপৎসংকেত। দুদিন বিপজ্জনক অবস্থায় সেখানে আটকে থাকতে হয়।

তিনি বললেন, ‘জলোচ্ছ্বাসের সময় এশার নামাজে সেজদারত অবস্থায় পিঠের ওপর একটি পাখি এসে বসে। পায়ের কাছে আশ্রয় নেয় চেলা, বিচ্ছু ও সাপের মতো বিষাক্ত প্রাণী। কিন্তু সেদিন সবাই ছিল অসহায়। কেউ কারও ক্ষতি করেনি।’

‘তুমি ছেলের বাবা হয়েছ!’: ১৯৯৩ সালের জানুয়ারিতে আনিছুর রহমানের প্রথম সন্তান আসিমুর রহমান রিয়ানের জন্ম। তখন ভোলার মৌলভীরচরে গবেষণার কাজে ছিলেন তিনি। সে সময় বঙ্গোপসাগরে বড় ঝড় বা জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল।

ঝড় কেটে যাওয়ার দু-তিন দিন পর ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় যোগাযোগ করতে সক্ষম হন তিনি। তখন তৎকালীন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জি সি হালদার ফোনে তাকে বললেন, ‘আমরা তোমাকে নিয়ে ভীষণ চিন্তায় ছিলাম। তবে তোমার জন্য একটি দারুণ সুখবর আছে— তুমি ছেলের বাবা হয়েছ!’ মেয়ে আনিকা রহমান লিলিয়ানের জন্মের স্মৃতিও জ্বলজ্বল করছে তার মনে। ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বরে মেয়ের জন্মের সময় আনিছুর রহমান ইংল্যান্ডের হাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর করছিলেন। মেয়ের জন্মের চার মাস পর দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো তাকে কোলে নেন। আনিছুর রহমান বললেন, তার সন্তানেরা এখন আর কোনো অভিযোগ করেন না; বরং বাবার কাজ নিয়ে তারা গর্বিত। তার ৩৩ বছরের গবেষণাজীবন নিয়ে ৩৩ মিনিটের একটি জীবনীচিত্রও নির্মাণ করেছেন ছেলে রিয়ান।

যাদের কাছে ঋণী: গবেষণার কাজে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা ও সমর্থন পেয়েছেন স্ত্রী ফরিদা খাতুন রিতার কাছ থেকে— এ কথা অকপটে স্বীকার করেন আনিছুর রহমান। তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন চাঁদপুর নদীকেন্দ্রের তৎকালীন মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জি সি হালদারকে। তিনি বলতেন, ‘আনিছুর, ইলিশ নিয়ে আমাদের নতুন কিছু ভাবতে হবে। একটি পলিসি বা অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করতে হবে।’

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. মো. খলিলুর রহমান আগামীর সময়কে বললেন, ড. আনিছ সারাজীবনই ইলিশের ওপর কাজ করেছেন। ইলিশের উৎপাদন, উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা নিয়ে যা যা নীতিমালা হয়েছিল— সবকিছুতে তিনি ছিলেন। কাজকে সারাজীবন প্রাধান্য দিয়েছেন এ মাৎস্যবিজ্ঞানী।

অবসরেও অবসর নেই: ২০২৩ সালের এপ্রিলে বিএফআরআইয়ের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) হিসেবে অবসর নেন আনিছুর রহমান। তবে অবসর নেওয়ার পরও থেমে নেই তার কাজ। বর্তমানে ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ত্রিদেশীয় ‘ট্রান্সবাউন্ডারি হিলসা রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে’ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন। আনিছুর রহমানের কাছে প্রশ্ন ছিল, ইলিশ আপনাকে কী দিয়েছে? তিনি উল্টো প্রশ্ন করে বললেন, ‘ইলিশ আমাকে কী দেয়নি? এ দেশের সব শ্রেণির মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি মাৎস্যবিজ্ঞানী হিসেবে। দেশ-বিদেশের সম্মান ও একজন বিজ্ঞানী হিসেবে আমাকে এ দেশে প্রতিষ্ঠিত করেছে ইলিশ। বিশ্বের অনেক দেশে আমাকে নিয়ে গেছে ইলিশ। বিদেশে আমার উচ্চতর ডিগ্রি এই ইলিশের কারণে হয়েছে।’ আলাপের শেষ পর্যায়ে প্রশ্ন ছিল, জীবন নিয়ে মূল্যায়ন কী?

আনিছুর রহমান বললেন, গবেষকদের কোনো অবসর নেই। কথাটি আমি সবসময় মনে রেখে চলি। তখন আমার মনে হলো, ইলিশের জীবনচক্রের মতোই গবেষণাজীবনও বহমান— নদী থেকে মোহনায়, মোহনা থেকে সাগরে।

ইলিশবাংলাদেশআবহাওয়াবঙ্গোপসাগর
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের গোপন বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার ৬

    কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের গোপন বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার ৬

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৭

    সেক্যুলার স্বৈরাচারের পতনে ধর্মীয় স্বৈরাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়

    সেক্যুলার স্বৈরাচারের পতনে ধর্মীয় স্বৈরাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৯

    মানুষের কল্যাণেই ঈদের আনন্দ বাবুর

    মানুষের কল্যাণেই ঈদের আনন্দ বাবুর

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩১

    স্কুলব্যাগে মিলল ১০০ বোতল ফেনসিডিল!

    স্কুলব্যাগে মিলল ১০০ বোতল ফেনসিডিল!

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০০:৪২

    ক্যাম্পাসে সাবধানে!

    ক্যাম্পাসে সাবধানে!

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০০:৪৩

    সবজিতে স্বস্তি, ডিম-মাছে বাড়ছে বাজারের চাপ

    সবজিতে স্বস্তি, ডিম-মাছে বাড়ছে বাজারের চাপ

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৯

    সীমান্তে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ দুই কাভার্ডভ্যান জব্দ

    সীমান্তে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ দুই কাভার্ডভ্যান জব্দ

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪১

    জুলাই কৃতিত্ব নিয়ে টানাটানি

    জুলাই কৃতিত্ব নিয়ে টানাটানি

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪০

    ডোবা থেকে যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার

    ডোবা থেকে যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫১

    তত্ত্বে ‘থ্রি জিরো’ বাস্তবে কত

    তত্ত্বে ‘থ্রি জিরো’ বাস্তবে কত

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩০

    শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

    শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪০

    অবিশ্বাস্য ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশের বড় হার

    অবিশ্বাস্য ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশের বড় হার

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৫

    সন্ধ্যার মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে দেশের যেসব এলাকায়

    সন্ধ্যার মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে দেশের যেসব এলাকায়

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১৭

    গোপন ঘর থেকে চোরাই গরু উদ্ধার, যুবদল কর্মী গ্রেপ্তার

    গোপন ঘর থেকে চোরাই গরু উদ্ধার, যুবদল কর্মী গ্রেপ্তার

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৪

    আজকের নামাজের সময়সূচি (০৮ আগস্ট)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (০৮ আগস্ট)

    ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২১

    advertiseadvertise