ইরানে পারমাণবিক বোমা ব্যবহার বিবেচনা করছেন ট্রাম্প, দাবি সাবেক সিআইএ কর্মকর্তার

ছবি: রয়টার্স
৭০ বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্বরাজনীতিতে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে যে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা চলে আসছে, এবার তা ভাঙার পথে ডোনাল্ড ট্রাম্প! ইরানের ভূগর্ভস্থ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করতে কৌশলগত পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট—এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন সাবেক এক সিআইএ কর্মকর্তা।
শুধু একটি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস নয়, ট্রাম্প নাকি ভাঙতে চান পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের শেষ নিষিদ্ধ সীমাটিও। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচার করা হচ্ছে পারমাণবিক বিস্ফোরণ থেকে বাঁচার নির্দেশনা। মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি। সব মিলিয়ে নতুন করে এক ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন বিশ্ব।
১৯৯০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএতে কাজ করা জন কিরিয়াকু সতর্ক করে বলেছেন, পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে শেষ নিষেধাজ্ঞাটিও ভাঙতে চাইছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তার ভাষায়, ট্রাম্প ‘শেষ নিষিদ্ধ সীমা’ অতিক্রম করতে চাইছেন।
সাবেক এই গোয়েন্দা কর্মকর্তার দাবি, ভবিষ্যতের প্রেসিডেন্টরাও যেন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিধ্বংসী অস্ত্রভাণ্ডার আরও অবাধে ব্যবহারের ক্ষমতা নিজেদের আছে বলে মনে করেন, সেটি নিশ্চিত করতে চান ট্রাম্প।
ফক্স নিউজের সাবেক উপস্থাপক ও মাগা আন্দোলনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত টাকার কার্লসন দাবি করার পর কিরিয়াকুর এই মন্তব্য এলো। কার্লসনের দাবি, ইরানে পারমাণবিক হামলা চালাতে ট্রাম্পের হয়তো আর মাত্র কয়েক দিন বাকি।
পিয়ার্স মরগ্যান আনসেন্সরড অনুষ্ঠানে কিরিয়াকু বলেন, ‘হোয়াইট হাউসে আমার নিজের যোগাযোগের মাধ্যম থেকেও একই কথা শুনেছি। প্রেসিডেন্ট পিক্যাক্স মাউন্টেনে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করছেন, যাতে সেটি ভূগর্ভের গভীরে প্রবেশ করে সবকিছু ধ্বংস করতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে এর চেয়েও বড় বিষয় হলো, তিনি শেষ নিষিদ্ধ সীমাটি ভাঙতে চান। আমাকে বলা হয়েছে, তিনি নিজেই এই শব্দটি ব্যবহার করছেন—“শেষ নিষিদ্ধ সীমা”। যাতে ভবিষ্যতের প্রেসিডেন্টরাও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারে নিজেদের ক্ষমতাবান মনে করেন। আমার কাছে বিষয়টি পাগলামি মনে হচ্ছে।’
পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার যুদ্ধকে ভয়াবহভাবে আরও বিস্তৃত করবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমা হামলার পর আর কোনো যুদ্ধে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি।
অতীতে ইরান প্রকাশ্যে পিক্যাক্স মাউন্টেনে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রমের জন্য সেন্ট্রিফিউজ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছে। ধারণা করা হয়, ওই স্থাপনাটি এতটাই বড় যে সেখানে একটি সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব। তবে এর প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনো রহস্যে ঘেরা।
ভূগর্ভের অনেক গভীরে অবস্থিত ইরানের ওই পাহাড়ি স্থাপনায় প্রচলিত বাংকারবিধ্বংসী বোমা ব্যবহার করেও এখন পর্যন্ত যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি ঘটানো কঠিন হয়েছে। আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ৪০০ কিলোটন ক্ষমতার বি৬১-১১-এর মতো তুলনামূলক ছোট কৌশলগত পারমাণবিক বোমা ব্যবহার করলে স্থাপনাটি ধ্বংস করার মতো শক্তি পাওয়া যেতে পারে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা আরও বেড়েছে গত রাতে। এ সময় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পারমাণবিক হামলা হলে কী করতে হবে, সে বিষয়ে সতর্কবার্তা প্রচার করা হয়।
ওই সম্প্রচারে ইরানিদের বলা হয়, পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটলে ‘কোনো আড়ালের পেছনে আশ্রয় নিতে, মাটিতে শুয়ে পড়তে এবং মাথা ও মুখ ঢেকে রাখতে’। একই সঙ্গে ‘তীব্র আলোর ঝলকানির’ দিকে তাকাতে নিষেধ করা হয়।
সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিস্ফোরণের ধাক্কা কেটে গেলে মানুষকে ‘নিকটতম ভবনে প্রবেশ করতে’ বলা হয়। বিস্ফোরণের পরের পরিস্থিতি দেখতে বা ছবি তুলতে বাইরে অবস্থান না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টা আশ্রয়ে থাকতে এবং পরিস্থিতি নিরাপদ বলে কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়।
উদ্বেগ বাড়তে থাকায় মঙ্গলবার সকালে তেহরানের রাজপথে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়। রাজধানীর রাস্তায় নেমে বিক্ষোভকারীরা ‘ট্রাম্পের মৃত্যু চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড বহন করেন।
এনগেলাব স্কয়ারের একটি বড় বিলবোর্ডেও ট্রাম্পের কারাবন্দি অবস্থার একটি ব্যঙ্গাত্মক ছবি দেখানো হয়। সেখানে লেখা ছিল, ‘আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব’।
ইরানে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হবে নজিরবিহীন পদক্ষেপ। তবে এ ধরনের হামলার দাবি ব্যাপকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন বিশ্লেষকেরা। হামলার ফলে তেজস্ক্রিয় দূষণ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েক শ মাইল জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এর আগে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইরানে পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা তার নেই।
গত এপ্রিলে তেহরানে পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের এটির প্রয়োজন নেই। কেন আমার এটি দরকার? এমন বোকা প্রশ্ন করা হবে কেন? আমরা যখন সম্পূর্ণ প্রচলিত পদ্ধতিতেই তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছি, তখন কেন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করব?’
তিনি আরও বলেন, ‘কাউকেই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়।’
গত আগস্টের শেষ দিকেও একই অবস্থানের কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘সামরিকভাবে তারা পুরোপুরি পরাজিত। আমি তাদের পরাজিত করেছি, আর এখন তাদের ওপর পারমাণবিক অস্ত্রও ব্যবহার করতে হবে? কী বোকা প্রশ্ন!’
পেন্টাগন জানায়নি, যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত পারমাণবিক হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছে কি না। এ বিষয়ে ছড়িয়ে পড়া সর্বশেষ গুঞ্জন নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি ট্রাম্প।
তবে সোমবার রাতে পিক্যাক্স মাউন্টেনের ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় নতুন করে কোনো ধরনের হামলা চালানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, ইরান সেখানে অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম উৎপাদনে কাজ করতে পারে।
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের হয়তো পিক্যাক্সে হামলা চালাতে হতে পারে। তবে এটি বড় কোনো বিষয় নয়। আক্ষরিক অর্থেই এক ঘণ্টার মধ্যে আমরা কাজটি করতে পারি।’
বিশেষজ্ঞরা পাহাড়ি ওই স্থাপনায় ট্রাম্পের পারমাণবিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার সম্ভাবনাকে কম বলে মনে করছেন। তবে একেবারে উড়িয়ে দিতেও পারছেন না তারা।
আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের (এসিএ) নির্বাহী পরিচালক ড্যারিল কিমবল টিডব্লিউজেডকে বলেন, ‘এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি? না। কিন্তু অস্থিতিশীল ও মরিয়া কোনো প্রেসিডেন্টের হাতে যদি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের একক ক্ষমতা থাকে, তাহলে তিনি তা ব্যবহার করতে পারেন কি? হ্যাঁ। বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এবং আন্তর্জাতিক নেতাদের যেকোনো ধরনের বড় মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে কথা বলা অত্যন্ত জরুরি।’
বিশ্লেষকদের দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফায় সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
গত কয়েক সপ্তাহে আরব সাগরে বড় ধরনের নৌ-হামলা বাহিনী জড়ো করেছে ওয়াশিংটন। ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে দুটি ভারী অস্ত্রসজ্জিত বিমানবাহী রণতরীর স্ট্রাইক গ্রুপ এবং উভচর হামলাকারী জাহাজ।
ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বে তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরীর স্ট্রাইক গ্রুপও ফিলিপাইন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে ১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের উভচর হামলা বাহিনী।
কয়েক দিনের মধ্যেই এই নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর কথা। এটি পৌঁছালে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নাবিক ও মেরিন সেনার সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়াবে। পাশাপাশি ২০টির বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন থাকবে।
এদিকে, রাতারাতি হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে ইরানের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে সীমিত আকারে প্রতিরক্ষামূলক হামলার অনুমোদন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপটি হরমুজ প্রণালির সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশের দিকে মুখ করে অবস্থিত। এই অবস্থানের কারণে নৌপথটির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে দ্বীপটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
একসময় পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় স্থান হলেও দ্বীপটি এখন সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। সেখানে একটি ‘ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র নগরী’ রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তেহরান সেখানে জাহাজবিধ্বংসী অস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মজুদ করে রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বীপটির সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক এতটাই গভীরে বিস্তৃত যে প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে সেখানে আঘাত করা প্রায় অসম্ভব। কিছু বিশ্লেষকের ধারণা, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিটি মাটির ১ হাজার ৬০০ ফুট গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে বলে মনে করা হয়। একই সঙ্গে দ্বীপটির উপকূল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ছোট ছোট বন্দর ব্যবহার করে দেশটির সরকার হামলাকারী নৌযান ও ড্রোন পাঠিয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনবিসি নিউজকে দুই মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে এবং ওই অঞ্চলে নৌযান চলাচল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদের ওপর তেহরানের অব্যাহত হামলার জবাবে এসব আঘাত হানা হয়েছে।
তারা আরও বলেছেন, এসব হামলা ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর ইঙ্গিত নয়।
এক কর্মকর্তা দাবি করেন, জাহাজ চলাচলকে লক্ষ্য করে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিদিনই প্রতিহত করছে যুক্তরাষ্ট্র। গত কয়েক সপ্তাহে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নিয়মিতভাবে হরমুজ প্রণালির ওপর দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের চালকবাহী ও চালকবিহীন উড়োজাহাজ লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে এবং হামলা চালিয়েছে।
পুরোদমে যুদ্ধ শুরুর পরিবর্তে সীমিত আকারের হামলা বলেই মনে হচ্ছে এগুলো। তবে মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন করে হামলা চালানো হবে না বলে এর আগে ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যের পরই এ হামলা হলো।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের নতুন হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কিরিয়াকু। আগের মার্কিন বোমাবর্ষণেও ইরান দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
পিয়ার্স মরগ্যানকে তিনি বলেন, ‘ইরানের আয়তন পুরো পশ্চিম ইউরোপের সমান। দেশটির জনসংখ্যা ৯ কোটি ২০ লাখ। তিন দিকে পাহাড় আর চতুর্থ দিকে পানি দিয়ে ঘেরা দেশটি। আমরা যদি ১০ লাখ স্থলসেনা পাঠাতে প্রস্তুত না থাকি, তাহলে পারমাণবিক বোমা দিয়েও এই যুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন বুঝতেই পারছেন না, আমরা ইতিমধ্যে যুদ্ধে হেরে গেছি। কার্যত যুদ্ধ শেষ, আর আমরা পরাজিত হয়েছি। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাকে বিশ্বাস করিয়েছিলেন, ইরান সরকার তাসের ঘরের মতো। নেতৃত্বকে সরিয়ে দিলেই পুরো ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং সবাই সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে।’
কিরিয়াকুর ভাষায়, ‘এ ধারণা কখনোই সত্য ছিল না। এখন তা আরও বেশি অসত্য।’
সূত্র : ডেইলি মেইল



