যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর খবর সঠিক নয়: হোয়াইট হাউস

সংগৃহীত ছবি
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধের বিষয়টি ‘সঠিক নয়’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস। একইসঙ্গে জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা এখনও ‘ফলপ্রসূ ও চলমান’ রয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।
ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে আলোচনায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছি। আলোচনা ফলপ্রসূ হচ্ছে এবং অব্যাহত রয়েছে।’
তিনি স্পষ্ট করেন, যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়নি।
সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন লেভিট। জোর দিয়ে বললেন, ‘এমন আলোচনা নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে কথাবার্তা চলছে, তবে এখনও কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। হোয়াইট হাউস থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কিছুই নিশ্চিত নয়।’
একইসঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আশাবাদও প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন। লেভিটের ভাষায়, আমরা একটি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রতি তার শর্তগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। নিজেদের স্বার্থেই ইরানের উচিত সেসব শর্ত মেনে নেওয়া।
প্রেস সেক্রেটারি আরও বলেছেন, ‘মার্কিন প্রতিনিধি দল সম্ভবত আবারও ইসলামাবাদেই ফিরে যাবে, যেখানে গত সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। খুব সম্ভবত তারা আগের বারের মতো একই স্থানে আলোচনায় বসবেন।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে তা আগের মতোই পাকিস্তানের ইসলামাবাদে হতে পারে। অতীতেও এই শহরকে নিরপেক্ষ আলোচনাস্থল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক উত্তেজনা কমাতে এবং সম্ভাব্য সমঝোতায় পৌঁছাতে এই আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পারমাণবিক ইস্যুতে অগ্রগতি সবকিছুই এই সংলাপের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করছে।
তবে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় পুরো প্রক্রিয়াটি অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছে। এরপরও উভয় পক্ষের ইতিবাচক অবস্থান ভবিষ্যতে একটি সমঝোতার পথ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
সূত্র: বিবিসি



