Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের ভাগ্য বদলাচ্ছেন জুয়েল
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ‘ঝুঁকিতে’ থাকে ক্ষমতাসীন দল, ইতিহাস কী বলে

আগামীর সময় ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৯:৩৫
শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ‘ঝুঁকিতে’ থাকে ক্ষমতাসীন দল, ইতিহাস কী বলে

এআই

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে মঙ্গলবার ভোট দেবেন মার্কিনরা। প্রেসিডেন্টের চার বছর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটাররা প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সব কটিতে এবং সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। আগামী দুই বছর কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তা নির্ধারণ করবে এই ভোট।

ব্যালটে প্রেসিডেন্টের নাম না থাকলেও এই নির্বাচনকে ব্যাপকভাবে তার শাসনামলের মূল্যায়ন হিসেবে দেখা হয়। আর প্রায় সব সময়ই এর খেসারত দিতে হয় প্রেসিডেন্টের দলকে।

১৯৪৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ২০টি মধ্যবর্তী নির্বাচনের মধ্যে ১৮টিতেই ভোটাররা হোয়াইট হাউসের নিয়ন্ত্রণে থাকা দলের কাছ থেকে প্রতিনিধি পরিষদের আসন কেড়ে নিয়েছেন। গড়ে দলটি ২৬টি আসন হারিয়েছে। শুধু ১৯৯৮ সালে বিল ক্লিনটনের ডেমোক্র্যাটরা এবং ২০০২ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের রিপাবলিকানরা এই প্রবণতার ব্যতিক্রম ঘটাতে পেরেছিল।

রাজনৈতিক বিজ্ঞানীরা একে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল পেনাল্টি’ বা ‘মিডটার্ম পেনাল্টি’ বলে অভিহিত করেন। প্রেসিডেন্টের দল ক্ষমতায় থাকার কারণেই সাধারণত আসন হারায়। কারণ, ভোটাররা মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে হোয়াইট হাউসের ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন।

প্রতিনিধি পরিষদ: ২০ নির্বাচনের ১৮টিতেই আসন হারিয়েছে ক্ষমতাসীন দল

নিচের চিত্রে ১৯৪৬ সাল থেকে হ্যারি এস ট্রুম্যান থেকে শুরু করে জো বাইডেন পর্যন্ত প্রতিটি মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল প্রতিনিধি পরিষদে কতটি আসন পেয়েছে বা হারিয়েছে, তা দেখানো হয়েছে।

১৯৪৬ সালের পর থেকে মধ্যবর্তী নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্টরা। তাদের দলের গড় আসন হারানোর সংখ্যা প্রায় ২৯। অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টদের আমলে গড়ে প্রায় ২৩টি আসন হারিয়েছে দলটি।
সবচেয়ে বড় পরাজয় ঘটে ২০১০ সালে। বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার দুই বছর পর ওই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের ৬৪টি আসন হারায়। নিয়ন্ত্রণ নেয় রিপাবলিকানরা। ১৯৪৬ সালে ট্রুম্যানের আমলে ডেমোক্র্যাটরা ৫৬টি আসন হারিয়েছিল। আর ১৯৯৪ সালে বিল ক্লিনটনের আমলে হারিয়েছিল ৫৪টি আসন। দুই ক্ষেত্রেই প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারায় দলটি।রিপাবলিকানদের সবচেয়ে বড় পরাজয় ঘটে ডুইট ডি আইজেনহাওয়ারের আমলে ১৯৫৮ সালে। ওই নির্বাচনে দলটি ৫০টি আসন হারায়। ১৯৭৪ সালে জেরাল্ড ফোর্ডের আমলে হারায় ৪৮টি আসন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও ২০১৮ সালে ৪২টি আসন হারায় রিপাবলিকানরা। একই সঙ্গে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণও হারায় দলটি।

বড় ধরনের আসন হারানোর ফলে প্রায়ই প্রেসিডেন্টের দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। ১৯৪৬ সালের পর থেকে অনুষ্ঠিত ২০টি মধ্যবর্তী নির্বাচনের মধ্যে সাতটিতে (১৯৪৬, ১৯৫৪, ১৯৯৪, ২০০৬, ২০১০, ২০১৮ ও ২০২২) প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ এক দল থেকে অন্য দলের হাতে গেছে।

সিনেট: ২০ নির্বাচনের ১৩টিতে আসন হারিয়েছে ক্ষমতাসীন দল


১৯৪৬ সালের পর থেকে অনুষ্ঠিত ২০টি মধ্যবর্তী নির্বাচনের মধ্যে ১৩টিতে প্রেসিডেন্টের দল সিনেটে আসন হারিয়েছে। তবে মাত্র ছয়বার সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে তারা। বছরগুলো হলো ১৯৪৬, ১৯৫৪, ১৯৮৬, ১৯৯৪, ২০০৬ ও ২০১৪।

প্রতিনিধি পরিষদের মতো প্রতি দুই বছর পর সিনেটের সব আসনে নির্বাচন হয় না। সিনেটরদের মেয়াদ ছয় বছর এবং তাদের নির্বাচন পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হয়। ফলে প্রতি নির্বাচনে ১০০টি আসনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশে ভোট হয়। এ কারণে কোন কোন অঙ্গরাজ্যে নির্বাচন হচ্ছে, তা জাতীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতির মতোই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এই সময়ে সিনেটে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছিল আইজেনহাওয়ারের নেতৃত্বাধীন রিপাবলিকানরা। ১৯৫৮ সালে তারা ১৩টি আসন হারায়। ১৯৪৬ সালে ট্রুম্যানের ডেমোক্র্যাটরা ১২টি আসন হারিয়েছিল। আর ২০১৪ সালে ওবামার ডেমোক্র্যাটরা হারিয়েছিল ৯টি আসন। এর ফলে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় রিপাবলিকানদের হাতে।

কখনো কখনো কংগ্রেসের দুই কক্ষে নির্বাচনের ফল হয়েছে বিপরীতমুখী। ১৯৮২ সালে রোনাল্ড রিগ্যানের রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদের ২৬টি আসন হারালেও সিনেটে একটি আসন বাড়াতে সক্ষম হয়। ২০১৮ সালে ট্রাম্পের রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালেও সিনেটে একটি আসন বাড়ায়। আর ২০২২ সালে বাইডেনের ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালেও সিনেটে একটি আসন বাড়াতে সক্ষম হয়।

এই ভিন্নধর্মী ফলাফল দেখায়, প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ভোটারদের ক্ষোভ কংগ্রেসের দুই কক্ষে সমানভাবে প্রভাব ফেলে না। অনুকূল অঙ্গরাজ্যভিত্তিক নির্বাচনী সমীকরণের কারণে কোনো দল সিনেটে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারে, অথচ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রতিনিধি পরিষদের আসনগুলোতে পরাজিত হতে পারে।

প্রতিনিধি পরিষদ বা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানোর অর্থ কী?

আসন হারানো আর নিয়ন্ত্রণ হারানো এক বিষয় নয়। ১৯৬৬ সালে লিন্ডন জনসনের ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের ৪৭টি আসন হারালেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছিল। এর ২০ বছর পর রোনাল্ড রিগ্যানের রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদে মাত্র চারটি আসন হারিয়েছিল। কিন্তু সিনেটে আটটি আসন হারিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় দলটি।

কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ করে কোন দল আইন প্রণয়নের কর্মসূচি ঠিক করবে এবং আইন পাস করাবে। কোনো বিল প্রেসিডেন্টের অনুমোদন বা ভেটোর জন্য পাঠানোর আগে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষেই পাস হতে হয়। ফলে যেকোনো এক কক্ষে বিরোধী দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনা আটকে দেওয়া সম্ভব।

প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে কোনো দল প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে পারে এবং অভিশংসনের উদ্যোগ নিতে পারে। অন্যদিকে সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে প্রেসিডেন্টের মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগ আটকে দেওয়া সম্ভব। এর মধ্যে ফেডারেল বিচারকেরাও রয়েছেন, যারা আজীবন দায়িত্ব পালন করেন।এ বছর প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ডেমোক্র্যাটদের তিনটি আসন বাড়াতে হবে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রয়োজন চারটি আসন। সিনেটে দুই দলের আসনসংখ্যা সমান—৫০-৫০ হলে নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের হাতেই থাকবে। কারণ, সমান ভোটের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তমূলক ভোট দিতে পারবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

সূত্র: আলজাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রমধ্যবর্তী নির্বাচন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    আইন সংশোধনে ‘একচ্ছত্র ক্ষমতা’ নিতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

    আইন সংশোধনে ‘একচ্ছত্র ক্ষমতা’ নিতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

    কী হচ্ছে জামায়াত-এনসিপিতে? জোটে ভাঙনের সুর, নাকি দর কষাকষির কৌশল?

    কী হচ্ছে জামায়াত-এনসিপিতে? জোটে ভাঙনের সুর, নাকি দর কষাকষির কৌশল?

    সাহিত্যে ‘সযত্ন ভালোবাসার প্রকৃতিবিজ্ঞান’

    সাহিত্যে ‘সযত্ন ভালোবাসার প্রকৃতিবিজ্ঞান’

    ‘আমার মৃত্যুর জন্য সুমাইয়া দায়ী, আমার ছেলেকে মেরেছে শরীফ’

    ‘আমার মৃত্যুর জন্য সুমাইয়া দায়ী, আমার ছেলেকে মেরেছে শরীফ’

    জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে হামলায় যুবক নিহত

    জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে হামলায় যুবক নিহত

    তাহসিফের সঙ্গে বারে যাওয়া সেই তরুণী গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

    তাহসিফের সঙ্গে বারে যাওয়া সেই তরুণী গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    কেন আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়লেন রাশেদ খাঁন, অন্যরা কে কী বলছেন

    কেন আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়লেন রাশেদ খাঁন, অন্যরা কে কী বলছেন

    শ্যামলকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আততায়ীদের হাতে তুলে দেন বিশ্বস্ত মাঝি

    শ্যামলকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আততায়ীদের হাতে তুলে দেন বিশ্বস্ত মাঝি

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    চিকিৎসক বলেছিলেন আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচব: তানিয়া বৃষ্টি

    চিকিৎসক বলেছিলেন আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচব: তানিয়া বৃষ্টি

    বদলে যাচ্ছে  জিয়া উদ্যান

    বদলে যাচ্ছে জিয়া উদ্যান

    লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত মিজান, দুই মেয়েকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার

    লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত মিজান, দুই মেয়েকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার

    তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপের পর দিশাও রিমান্ডে

    তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপের পর দিশাও রিমান্ডে

    অনুদান বন্ধ নয়, প্রয়োজন সংস্কার, সৃজনশীলতা ও দূরদর্শী নীতিমালা

    অনুদান বন্ধ নয়, প্রয়োজন সংস্কার, সৃজনশীলতা ও দূরদর্শী নীতিমালা