Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

তাইওয়ানকে অস্ত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে, ট্রাম্পকে জানালেন শি

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৯
তাইওয়ানকে অস্ত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে, ট্রাম্পকে জানালেন শি

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিং। ছবি: সংগৃহীত


চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে তাইওয়ানকে চীন–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু’ বলে উল্লেখ করেছেন। গতকাল বুধবার বিশ্বের শীর্ষ এই দুই নেতার মধ্যে ফোনালাপ হয়।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, শি ট্রাম্পকে তাইওয়ানে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়ে সতর্ক হতে বলেছেন। তিনি আরও বলেন, তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ককে ‘অত্যন্ত গুরুত্ব’ দেন এবং আশা করেন, উভয় পক্ষ মতপার্থক্য নিরসনের উপায় খুঁজে পাবে।

অন্যদিকে ট্রাম্প এই ফোনালাপকে ‘চমৎকার’ এবং ‘দীর্ঘ ও গভীর আলোচনা’ বলে বর্ণনা করেছেন।

এই ফোনালাপটি এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাজ্যের কিয়ার স্টারমারসহ একাধিক পশ্চিমা নেতা চীন সফর করেছেন—বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের আশায়।

ট্রাম্পেরও এপ্রিলে চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। এ সফরের অপেক্ষায় তিনি খুবই আগ্রহী বলে জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, বেইজিং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ কোটি টন সয়াবিন কেনার কথা বিবেচনা করছে। বর্তমানে চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ কোটি ২০ লাখ টন সয়াবিন আমদানি করে।

ট্রাম্প ট্রুথ সোশালে লেখেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক এবং প্রেসিডেন্ট শির সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। আমরা দুজনই বুঝি এই সম্পর্ক বজায় রাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রাম্প ও চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত নভেম্বরে ট্রাম্প ও শি বাণিজ্য, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন, ফেন্টানিল এবং তাইওয়ানসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফোনে কথা বলেন।

গত বুধবারের ফোনালাপে তাইওয়ান ও সয়াবিনের পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনের তেল ও গ্যাস কেনার বিষয়েও আলোচনা হয় বলে ট্রাম্প জানান।

তাইওয়ান প্রসঙ্গে শি বলেন, স্বশাসিত দ্বীপটি ‘চীনের ভূখণ্ড’ এবং বেইজিংকে অবশ্যই ‘তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করতে হবে’।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানায়, শি সতর্ক করে বলেন, তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই সতর্কতার সঙ্গে সামলাতে হবে।

চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানের সঙ্গে ‘পুনঃএকত্রীকরণ’-এর চেষ্টা করে আসছে। এ লক্ষ্যে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করেনি বেইজিং।

যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বেইজিংয়ের সঙ্গে, তাইওয়ানের সঙ্গে নয়। তবে কয়েক দশক ধরে দেশটি তাইওয়ানের সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রেখে চলেছে। একই সঙ্গে তাইওয়ানের শক্তিশালী মিত্র ও সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারীও ওয়াশিংটন।

ডিসেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন তাইওয়ানের সঙ্গে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার (৮.২ বিলিয়ন পাউন্ড) মূল্যের একটি বড় অস্ত্র চুক্তি ঘোষণা করে। এর মধ্যে উন্নত রকেট লঞ্চার, স্বচালিত হাউইটজার এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তখন বেইজিং বলেছিল, তাইওয়ানের ‘স্বাধীনতাকে সমর্থন করার এই প্রচেষ্টা’ তাইওয়ান প্রণালীজুড়ে ‘একটি বিপজ্জনক ও সহিংস পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেবে’।

শি বুধবার ট্রাম্পকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেমন নিজস্ব উদ্বেগ আছে, তেমনি চীনেরও উদ্বেগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সমতা, পারস্পরিক সম্মান ও পারস্পরিক লাভের চেতনায় যদি উভয় পক্ষ একই পথে কাজ করে, তাহলে আমরা অবশ্যই একে অপরের উদ্বেগ মোকাবিলার উপায় খুঁজে পাব।

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের কয়েক ঘণ্টা আগেই শি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে উভয় নেতা বেইজিং ও মস্কোর মধ্যকার সম্পর্কের শক্তিশালীকরণকে স্বাগত জানান।


সূত্র: বিবিসি

রাশিয়াযুদ্ধডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রশি জিনপিংচীনতাইওয়ানঅস্ত্র সরবরাহভ্লাদিমির পুতিনফোনালাপ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise