Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

মূল্যস্ফীতির আগুন ইরানের ঘরে এবার অর্থনীতির যুদ্ধ

  • ছয় মাসের সংঘাতে ক্ষত-বিক্ষত কারখানা-বিদ্যুৎকেন্দ্র-পরিবহণব্যবস্থা
  • জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশ
  • আরও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকিতে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে উদ্বেগ তেহরানে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৪৮
মূল্যস্ফীতির আগুন ইরানের ঘরে এবার অর্থনীতির যুদ্ধ

খাবারের দাম বাড়ছে, কাজ হারাচ্ছেন মানুষ, ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে, রিয়ালের মূল্য কমছে।

যুদ্ধক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস টিকে আছে ইরান। হরমুজ প্রণালিতে নিজের প্রভাব দেখিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকেও চাপে রেখেছে। কিন্তু বাইরে সেই প্রতিরোধের ছবির আড়ালে দেশের ভেতরে চলছে আর এক লড়াই–সংসার চালানোর লড়াই। খাবারের দাম বাড়ছে, কাজ হারাচ্ছেন মানুষ, ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে, রিয়ালের মূল্য কমছে। এমন সময় ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের উদ্বেগ তাই শুধু নতুন নিষেধাজ্ঞা নয়; সেই চাপ সাধারণ মানুষের জীবন আরও কঠিন করে তুললে দেশে আবার বড় বিক্ষোভ মাথাচাড়া দিতে পারে।

সোমবার রয়টার্সের প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ইরানের তিন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক মহলের দুই ব্যক্তি, এক সাবেক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শহরের এক ডজন সাধারণ মানুষের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। তাঁদের কথায় উঠে এসেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে থেকেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল রিয়াল, জ্বালানিঘাটতি, দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনীতির কাঠামোগত সমস্যায় ভুগছিল ইরান। যুদ্ধ সেই পুরোনো ক্ষতের ওপর নতুন চাপ যোগ করেছে যেখানে কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পরিবহণব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বাণিজ্য ব্যাহত হয়েছে, উৎপাদন কমেছে এবং সামনে রয়েছে পুনর্গঠনের বিশাল ব্যয়।


কাজ ছিল, এখন শুধু অপেক্ষা                                                                                

মধ্য ইরানের ইসফাহানের বাসিন্দা আরশিয়া পেশায় পুরকৌশলী। প্রায় এক দশক নির্মাণশিল্পে কাজ করেছেন। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বহু নির্মাণ প্রকল্প বন্ধ, স্থগিত কিংবা বাতিল হয়ে গেছে। বাড়ছে নির্মাণসামগ্রীর দামও। দুই সন্তানের বাবা আরশিয়ার এখন নিয়মিত কাজ পাওয়াই কঠিন।

তার আশঙ্কা, ওয়াশিংটন নতুন নিষেধাজ্ঞা চাপালে সাধারণ মানুষের অবস্থাই সবচেয়ে বেশি খারাপ হবে। সামরিক হামলা কিংবা অর্থনৈতিক শাস্তি কোনোটির মূল্যই সাধারণ ইরানিদের দেওয়া উচিত নয়, এমনটাই তার বক্তব্য।

দক্ষিণের বন্দর আব্বাসে ৫৩ বছরের মোহসেনের গল্পটিও প্রায় একই। উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ছোট একটি আমদানি-রপ্তানি ব্যবসা ছিল তার। মার্কিন হামলার জবাবে অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি ও সম্পদে ইরানের পাল্টা আঘাতের পর বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে ১০ কর্মীকে ছাঁটাই করতে হয়েছে তাকে। এখন পরিবারের খরচ চলছে সঞ্চয় ভেঙে।

জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশ

মানুষের পকেটের ওপর চাপ কতটা, তার সবচেয়ে স্পষ্ট ছবি পাওয়া যায় সরকারি পরিসংখ্যানে। ইরানের পরিসংখ্যান কেন্দ্রের হিসাবে, জুলাইয়ে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার পৌঁছেছে ৬৬ শতাংশে। এক বছর আগের তুলনায় ভোক্তামূল্য ছিল ৮৭ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। আর খাদ্যের দাম বেড়েছে ১২৮ শতাংশ।

ফলে মধ্যবিত্ত পরিবারেও বদলে যাচ্ছে খাবারের তালিকা। মাংস ও মুরগি বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত সস্তা খাবারের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে।

ইয়াজদের এক সরকারি কর্মচারী হোসেইন জানিয়েছেন, বেতন হাতে পাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। সন্তানদের সামনে নিজের অসহায়ত্ব তাকে কষ্ট দেয়। একসময় নিয়মিত মাংস-মুরগি থাকা পরিবারের খাবারের টেবিলে এখন সেগুলো প্রায় উধাও।

বাসাবাড়ির খরচও থেমে নেই। মার্চে আগের বছরের তুলনায় বাড়িভাড়া বেড়েছিল ৩১ শতাংশ। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের হিসাবে, তেহরানে বাড়ির দাম এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। সরকার এ বছর ন্যূনতম মজুরি প্রায় ৬০ শতাংশ বাড়ালেও রিয়ালের অবমূল্যায়নে সেই বৃদ্ধির বড় অংশই মুছে গেছে। মার্চের শেষ দিকে ডলারের হিসাবে ন্যূনতম মাসিক মজুরি যেখানে প্রায় ১০৫ ডলার ছিল, তা নেমে এসেছে প্রায় ৮৬ ডলারে।

হাজার ডলারের প্রকৌশলী এখন ৪০০ ডলারে সংসার চালান

৪০ বছরের বিজান যখন ১৫ বছর আগে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন, মাসে প্রায় এক হাজার ডলার সমমূল্যের আয় করতেন। এখন মূল পেশার পাশাপাশি অনলাইনে পড়িয়েও স্ত্রীকে নিয়ে মাসে প্রায় ৪০০ ডলার জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

ব্যয় কমাতে তেহরানও ছেড়েছেন তারা। অপেক্ষাকৃত সস্তা একটি প্রদেশে চলে গেছেন। বিজানের কথায়, আগে দিনে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা কাজ করতেন; এখন প্রায় পুরো দিনটাই কাটে কাজ করে, নতুন কাজ খুঁজে কিংবা কাজ না পাওয়ার উদ্বেগে।

সমুদ্র আটকে, স্থলপথও কঠিন

ইরানের অর্থনৈতিক চাপের আরেকটি বড় কারণ মার্কিন নৌ অবরোধ। প্রয়োজনীয় পণ্য দেশে আনতে স্থলপথ ও কাস্পিয়ান সাগরের মতো বিকল্প পথ ব্যবহার করছে তেহরান। কিন্তু যুদ্ধের মধ্যে সেতু ও পরিবহণ অবকাঠামোয় হামলার কারণে সেসব পথেও পণ্য আনা ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান গত সপ্তাহে পরিস্থিতির গুরুতর অবস্থা স্বীকার করেছেন। তার বক্তব্যের সারকথা, ইরানের সমস্যা কয়েক গুণ বেড়েছে, অথচ আয় কমেছে। আগে যে পণ্য জাহাজে সহজে আসত, সেটিই এখন দীর্ঘ বিকল্প পথে আনতে হচ্ছে। একই সময়ে তেল বিক্রি কমেছে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বা সংকটে থাকা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরকারের কর আদায়ও কমেছে।

পেট্রলের ক্ষেত্রেও চাপ বাড়ছে। ইরানি আইনপ্রণেতা রেজা সেপাহভান্দ জানিয়েছেন, মার্কিন নৌঅবরোধে পেট্রল আমদানি কার্যত বন্ধ। দেশে দৈনিক উৎপাদন প্রায় ১৩ কোটি লিটারের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছেছে, অথচ ব্যবহার প্রায় ১৩ কোটি ৭০ লাখ লিটার। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ লিটারের ব্যবধান তৈরি হচ্ছে।

এবার ‘অর্থনৈতিক আঘাতের’ হুমকি ওয়াশিংটনের

এই অবস্থাতেই শুক্রবার ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। তার আগের দিন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, তেহরানের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। নতুন পদক্ষেপ ঠিক কী হবে, তা এখনো ওয়াশিংটন প্রকাশ করেনি।

ইরানের জন্য উদ্বেগের জায়গা এখানেই। প্রায় ছয় মাসের যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে চাপ সৃষ্টি করেও তেহরান সামরিকভাবে ভেঙে পড়েনি। কিন্তু অর্থনৈতিক চাপ যদি ক্রমেই সাধারণ মানুষের রান্নাঘর, চাকরি ও বাড়িভাড়ায় গিয়ে লাগে, তবে সেই অসন্তোষ রাজনৈতিক রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ইরানি কর্মকর্তাদের একাংশ।

জানুয়ারির বিক্ষোভের স্মৃতি এখনো তাজা

অর্থনৈতিক দুরবস্থা থেকে ইরানে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার নজির নতুন নয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে দেশ জুড়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। বিপ্লবী গার্ড ও বাসিজ সেই আন্দোলন কঠোরভাবে দমন করে; হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার কথা বিভিন্ন সূত্রে জানানো হয়েছে।

সেই অভিজ্ঞতার পর নতুন অস্থিরতার আশঙ্কা সরকারের ভেতরে রয়েছে। গত সপ্তাহে বাসিজের নেতৃত্বে হোসেইন তায়েবকে নিয়োগ দেওয়াকে সেই উদ্বেগের একটি লক্ষণ হিসেবে দেখছেন সাবেক এক সংস্কারপন্থী কর্মকর্তা। তায়েব অতীতে ইরানের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন এবং বিক্ষোভ দমনের সঙ্গে তার নাম জড়িয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় সাংবাদিক, আইনজীবী, শিক্ষার্থী, মানবাধিকারকর্মী ও রাজনৈতিক কর্মীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার, তলব, দীর্ঘ কারাদণ্ড এবং মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার বেড়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, যুদ্ধকালীন নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এসব ব্যবস্থা প্রয়োজন। সমালোচকেরা বলছেন, অর্থনৈতিক ক্ষোভের সঙ্গে রাজনৈতিক দমন যোগ হলে সরকার ও জনগণের ব্যবধান আরও বাড়তে পারে।

যুদ্ধের ছয় মাস পরও হরমুজে অচলাবস্থা

এদিকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কে নতুন কূটনৈতিক অগ্রগতি হয়নি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না এবং নতুন বৈঠকও নির্ধারিত নেই। ইরান পাল্টা জানিয়েছে, জুনের অন্তর্বর্তী সমঝোতার শর্ত যুক্তরাষ্ট্র না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক জাহাজ চলাচলের জন্য খুলবে না।

যুদ্ধের আগে হরমুজ দিয়ে দিনে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল তেল যেত; চলমান সংকটে তা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক তেল রপ্তানিও যুদ্ধপূর্ব সময়ের অর্ধেকের নিচে। অর্থাৎ ইরান হরমুজকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারছে, কিন্তু একই সংঘাত আবার তার নিজের আমদানি, রপ্তানি ও মানুষের জীবনকেও কঠিন করে তুলছে।

এই যুদ্ধের সবচেয়ে কঠিন অঙ্ক সম্ভবত সেখানেই। ওয়াশিংটন হিসাব করছে, আরও অর্থনৈতিক চাপ দিলে তেহরান একসময় নতি স্বীকার করবে। তেহরান হিসাব করছে, হরমুজের চাপ ও দীর্ঘ যুদ্ধের ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রকে আগে সমঝোতায় বাধ্য করবে।

কিন্তু ইসফাহানের আরশিয়া, বন্দর আব্বাসের মোহসেন কিংবা ইয়াজদের হোসেইনের কাছে সেই ভূরাজনৈতিক অঙ্ক অনেক সরল। তাদের প্রশ্ন–আগামী মাসে কাজ থাকবে কি না, সন্তানদের জন্য খাবার কেনা যাবে কি না, বেতন দিয়ে বাড়িভাড়া মিটবে কি না।

যুদ্ধের ক্ষেপণাস্ত্র কোথায় পড়ল, তার মানচিত্র থাকে। অর্থনৈতিক যুদ্ধের আঘাতের তেমন মানচিত্র নেই। সেটি ধরা পড়ে খালি হয়ে যাওয়া খাবারের টেবিলে, বন্ধ দোকানের ঝাঁপে আর কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়া বেতনে। প্রায় ছয় মাসের যুদ্ধের পর ইরানের সামনে তাই এখন শুধু সীমান্ত রক্ষার লড়াই নয়, সাধারণ মানুষের জীবনটুকু টিকিয়ে রাখার লড়াইটিও সমান বড় হয়ে উঠছে।

ইরানমূল্যস্ফীতিঅর্থনীতি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise