ইরানের রাজধানীতে মিসাইল নিয়ে মিছিল

তেহরানে ইসলামি বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকীতেআয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি ক্ষেপণাস্ত্র। ইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটে সামরিক শক্তি প্রদর্শন অব্যাহত রেখেছে ইরান। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং স্থানীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করছে এই প্রদর্শনী।
মঙ্গলবার রাতে ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি সরকারপন্থি সমাবেশে প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা হয় ঘাদর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। সমাবেশে ‘মৃত্যু হোক আমেরিকার’ স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা। একই সঙ্গে আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার মাজিদ মুসাভিকে তেল আবিবকে লক্ষ্যবস্তু করতে আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রদর্শন করা হয় খোররমশাহর-৪ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও।
শুধু তেহরানেই নয়, একই ধরনের সামরিক প্রদর্শনী করা হয় শিরাজ, তাবরিজ এবং জানজান শহরেও। সমাবেশে প্রকাশ্যে প্রদর্শিত হয় ক্ষেপণাস্ত্র।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর থেকে প্রতিদিনই এ ধরনের সরকারপন্থি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইরানের বড় শহরগুলোর প্রধান জনসমাগমস্থলে। এসব সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগম ঘটছে সরকার ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের উৎসাহে।
সাধারণত রাতে অনুষ্ঠিত হয় এসব সমাবেশ। যেখানে মানুষ অংশ নেয় জাতীয় পতাকা হাতে। এটি বার্তা দেয় সরকারের প্রতি জনসমর্থনের।
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যদি পারস্য উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার ইরানে হামলা হয়, তবে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন।
সূত্র : ফার্স নিউজ এজেন্সি

