ইসরায়েলের কয়েক স্থানে সন্ত্রাসী হামলা, সেনাসদস্য নিহত

ইসরায়েলে গ্যাস স্টেশনে সন্ত্রাসী হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি বর্ষণের ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা ও উদ্ধারকারী বাহিনী। ছবি : সংগৃহীত
মধ্য ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি স্থানে একজন বন্দুকধারী সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সময় রবিবারে চালানো এ হামলায় ৫৫ বছর বয়সী ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর চিফ সার্জেন্ট হাইম কালোমিতি নিহত হয়েছেন এবং আরও পাঁচজন হয়েছেন মারাত্মক আহত। পরে বন্দুকধারীকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি পুলিশ।
সকাল ১১টার দিকে সুর ইগাল এলাকার একটি গ্যাস স্টেশনে গুলি চালিয়ে দুজনকে আহত করে এ বন্দুকধারী। এসময় সুর ইৎশাক এবং সুর নাতানে সন্ত্রাসী অনুপ্রবেশের সাইরেন বেজে ওঠে, যা বাসিন্দাদের নিজ নিজ স্থানে আশ্রয় নিতে সতর্ক করে।
এরপর বন্দুকধারী সুর ইৎজাকের দিকে এগিয়ে গিয়ে প্রহরী চৌকিতে গুলি চালায়। এতে আরও দুজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়।
এরপর, সুর নাতানের দিকে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় বন্দুকধারী একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়, এতে হাইম কালোমিতি নিহত হন এবং আরেকজন রিজার্ভিস্ট আহত হন। কালোমিতি এফ্রাইম আঞ্চলিক ব্রিগেডের ৮৮৮১তম ব্যাটালিয়নে প্রতিরক্ষা সৈনিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হামলা চালানো শহরগুলোর অন্যতম সুর নাতানের ইমার্জেন্সি সার্ভিস দলের প্রধান ছিলেন।
এরপর বন্দুকধারী সেলাইত শহরের প্রবেশপথে পৌঁছে প্রহরী চৌকিতে গুলি চালায় এবং শহরের পুলিশ প্রধানের সঙ্গে গোলাগুলির পর পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক সতর্কবার্তা পাওয়ার প্রায় আধ ঘণ্টা পর ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী বন্দুকধারীকে শনাক্ত করে তার পিছু ধাওয়া শুরু করে এবং সুর নাতান ও তাইবের মধ্যবর্তী একটি খোলা জায়গায় তাকে হত্যা করে।
ইসরায়েলি পুলিশ কমিশনার ড্যানিয়েল লেভি বলেছেন, বন্দুকধারী তাইবের একজন ২১ বছরের আরব ইসরায়েলি পুরুষ। তার নাম ওমর ইয়াসিন।
হামলাটির পুলিশি তদন্তের অংশ হিসেবে ইয়াসিনের পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট




