Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনামূল্যে চিকিৎসার ছয় দশক
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে পড়ছে ইসরায়েলে

  • ইসরায়েল যদি রক্ত-মাংসের একজন মানুষ হতো, তাহলে সম্ভবত গতকালই তাকে আইসিইউতে নেওয়া হতো।
অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ২০:০৫
রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে পড়ছে ইসরায়েলে

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: রয়টার্স

'ইসরায়েল যদি রক্ত-মাংসের একজন মানুষ হতো, তাহলে সম্ভবত গতকালই তাকে আইসিইউতে নেওয়া হতো।' ইসরায়েলের হিব্রু ভাষার দৈনিক মারিভ-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে এভাবেই দেশটির বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আভি আশকেনাজি। তার দাবি, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের অধীনে দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক কাঠামো ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং রাষ্ট্রটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের দিকে এগোচ্ছে।

আশকেনাজির মতে, প্রায় ৮০ বছর ধরে সেনাবাহিনী, পুলিশ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত, গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ, কারা বিভাগ, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং পেশাদার গণমাধ্যমের ওপর ভর করে ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে উঠেছে। কিন্তু সেই ভিত্তিগুলোই দুর্বল করে দিচ্ছে বর্তমান সরকার । তার ভাষায়, নেতানিয়াহু শুধু রাজনৈতিক দিকনির্দেশনাই হারাননি, হারিয়েছেন ক্ষমতার ওপর থাকা প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণও ।

নিবন্ধে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে এই সংকটের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আল্ট্রা-অর্থডক্স ইহুদি ধর্মীয় শিক্ষার্থীদের সেনাসদস্যদের সমপর্যায়ে আনার আইন। আশকেনাজির দাবি, এ বিষয়ে সেনাপ্রধান ইয়াল জামিরের সতর্কবার্তা সরকার উপেক্ষা করেছে। উল্টো ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির আইনপ্রণেতা টালি গোটলিভ সেনাপ্রধানের অপসারণ দাবি করেন। তার মতে, জাতীয় নিরাপত্তার চেয়ে দলীয় রাজনীতি ও লিকুদের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনী হিসাবই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্টজের একটি উদ্যোগেরও সমালোচনা করেছেন আশকেনাজি। ২০১৬ সালে আহত ফিলিস্তিনি আবদ আল-ফাত্তাহ আল-শরিফকে হত্যার দায়ে দণ্ডিত সাবেক ইসরায়েলি সেনা এলোর আজারিয়াকে ক্ষমা করে তার অপরাধের রেকর্ড মুছে দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে আবেদন করেন কাটজ। যদিও সেনাপ্রধান, সামরিক আইন কর্মকর্তা এবং সেনাবাহিনীর জনবল বিভাগের প্রধান এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছিলেন। তার মতে, আজারিয়া নিজের দায় স্বীকার বা অনুশোচনা প্রকাশ না করা সত্ত্বেও তাকে ক্ষমা করার চেষ্টা সরকারের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভের নেয়া সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ইসরায়েলি গণমাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জ্বালানিবাহী বিমানকে প্রথমে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণে বাধা দেওয়া এবং দুই ঘণ্টা পর সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করাকে রাজনৈতিক প্রচারণার কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন আশকেনাজি । বলেছেন , পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অপ্রয়োজনীয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে।

পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভের একটি সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জ্বালানিবাহী বিমানকে প্রথমে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণে বাধা দিয়ে দুই ঘণ্টা পর সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন তিনি। আশকেনাজির মতে, এটি কোনো কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং রাজনৈতিক প্রচারণার কৌশল। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকলেও অপ্রয়োজনীয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি করা হয়েছে।

এ ছাড়া আহত ইসরায়েলি সেনাদের পুনর্বাসন তহবিল নিয়ে বিরোধ এবং আল্ট্রা-অর্থডক্স সম্প্রদায়ের বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ এড়ানো ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আইনকেও তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন।

বলেছেন,  নেসেট (ইসরাযেলের সংসদ) এবং লিকুদ পার্টির অভ্যন্তরীণ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও বাড়লে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর চাপও বাড়বে। তার এই নিবন্ধ ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম অঙ্গনের একাংশে ক্রমবর্ধমান সেই উদ্বেগের প্রতিফলন, যেখানে অভিযোগ উঠছে, ক্ষমতা ধরে রাখতে নেতানিয়াহুর সরকার রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তিকেই ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহুইসরায়েল
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    প্রিয় ৫ বই

    প্রিয় ৫ বই

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে