৫০০০ পাউন্ডের বোমা দিয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে হামলা

প্রতীকী ছবি
পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে পাঁচ হাজার পাউন্ডের বোমা দিয়ে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগেরমাধ্যম এক্সে এ তথ্য জানায়। খবর বিবিসি ও এনডিটিভির
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করার প্রথম বড় পদক্ষেপ হিসেবে তারা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের কাছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোতে আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডারের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমাগুলোর কিছু ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে।
সেন্টকম জানায়, তারা হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত শক্তভাবে সুরক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর ওপর একাধিক পাঁচ হাজার পাউন্ড (প্রায় ২ হাজার ২৬৮ কেজি) ওজনের বাংকার বাস্টার বোমা নিক্ষেপ করেছে।
তারা আরও জানায়, এই ঘাঁটিগুলোতে থাকা ইরানের জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রণালীতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি ছিল।
এই বোমা হামলার ঘটনা ঘটে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার পর। বিশ্বে সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় ইরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা যায়।
এই অবরোধের ফলে সমুদ্রপথে চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী জ্বালানি দামের বড় ধরনের বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে।
বাংকার বাস্টার নামে পরিচিত এই বোমাগুলোর প্রতিটির আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৮৮ হাজার ডলার। তবে এগুলো গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র যে ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা ব্যবহার করেছিল, তার চেয়ে কম শক্তিশালী।
এই ধরনের বোমা মূলত শক্তভাবে সুরক্ষিত বা মাটির গভীরে অবস্থিত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

