মিজোরামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে. সাপডাঙ্গা
মিজোরামে মিয়ানমারের শরণার্থীদের ৯৮.৯% নথিভুক্ত

মিজোরামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে. সাপডাঙ্গা
মিজোরামে বর্তমানে ২৯,৫৭৫ জন মিয়ানমারের নাগরিক আশ্রয় নিয়ে রয়েছেন। তাদের ৯৮.৯০ শতাংশের বায়োমেট্রিক নথিভুক্তিকরণ সম্পন্ন হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার রাজ্য বিধানসভায় জানিয়েছেন মিজোরামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে. সাপডাঙ্গা।
রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের ২০ আগস্ট পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, মিজোরামের বিভিন্ন এলাকায় মিয়ানমার থেকে আসা ২৯,৫৭৫ জন অবস্থান করছেন। তাদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সাপডাঙ্গা জানান, মিয়ানমার ও বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের বায়োমেট্রিক নথিভুক্তিকরণের জন্য এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার ৪০.৬০ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছে। মিয়ানমারের শরণার্থীদের দেখভাল ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কেন্দ্রের কাছ থেকেও আর্থিক সহায়তা পেয়েছে মিজোরাম।
কেন্দ্রের নির্দেশ অনুসারে, গত বছরের জুলাইয়ের শেষ দিকে ‘ফরেনার্স আইডেন্টিফিকেশন পোর্টাল অ্যান্ড বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট’-এর মাধ্যমে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের নাগরিকদের বায়োমেট্রিক নথিভুক্তিকরণ শুরু হয়।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর মূলত চিন প্রদেশের বাসিন্দারা প্রাণ বাঁচাতে মিজোরামে প্রবেশ করেন। অন্য দিকে, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে ২০২২ সালে একটি জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর বম জনগোষ্ঠীর একাংশ মিজোরামে আশ্রয় নেয় বলে দাবি করে আসছে ভারতীয় কতৃপক্ষ।
ভারত সরকারের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকেও ২,০০০-এর বেশি মানুষ বর্তমানে মিজোরামে আশ্রয় নিয়ে রয়েছেন। মিয়ানমারের চিন এবং বাংলাদেশের বম জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মিজোদের ঘনিষ্ঠ জাতিগত সম্পর্ক রয়েছে।
এ দিকে, মিজোরাম-মিয়ানমার সীমান্তে পুলিশি পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও রাজ্য সরকার পর্যালোচনা করছে বলে জানান সাপডাঙ্গা।







