Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
জনকল্যাণে বাবা-ছেলের দৃষ্টান্ত
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ভারত

ভারত

এক চড়েই থেমে গেল ছয় বছরের প্রাণ, তবু স্কুলে বন্ধ হচ্ছে না শাস্তি

কলকাতা প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ২২:১৫
এক চড়েই থেমে গেল ছয় বছরের প্রাণ, তবু স্কুলে বন্ধ হচ্ছে না শাস্তি

শ্রেণিকক্ষের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শিক্ষিকা শিশুটিকে কাছে টেনে চড় মারছেন এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সে তার গায়েই লুটিয়ে পড়ছে।

সেদিন সকালেও ছয় বছরের তাম্মানা প্রণয় তেজা জানত না, স্কুলে যাওয়াটাই তার জীবনের শেষ যাত্রা হয়ে উঠবে। গত ২০ আগস্ট সকালে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের লিটল গার্ডেন স্কুলে গিয়েছিল সে। দুপুরের দিকে খবর যায়, শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ হয়ে পড়েছে শিশুটি। পরে তাকে কিং জর্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ, হোমওয়ার্ক শেষ না করায় শিক্ষিকা তাকে শাস্তি দিয়েছিলেন। শ্রেণিকক্ষের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শিক্ষিকা শিশুটিকে কাছে টেনে চড় মারছেন এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সে তার গায়েই লুটিয়ে পড়ছে।

প্রণয়ের পরিবার বলছে, স্কুলে শারীরিক শাস্তি দেওয়ার প্রবণতা আগেও ছিল। মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু হওয়ার পর অন্ধ্রপ্রদেশের স্কুল শিক্ষা দফতর তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হলেও তদন্তের পর পুলিশ ২৪ আগস্ট তা সংশোধন করে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৫ ধারা এবং শিশুদের সুরক্ষা আইনের ৭৫ ধারা যুক্ত করে। ২৫ আগস্ট অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করা হয় এবং আদালত তাকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠায়।

ছয় বছরের ছোট্ট শিশু প্রণয়ের মৃত্যুতে ফের সামনে এসেছে ভারতের বহু পুরনো প্রশ্ন- স্কুলে শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ হওয়ার এক দশকেরও বেশি সময় পরেও কেন তা এতটা স্বাভাবিক? ২০০৯ সালের শিশুদের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইনে স্কুলে শারীরিক শাস্তি ও মানসিক হয়রানি নিষিদ্ধ করা হয়। ২০১৫ সালের কিশোর ন্যায়বিচার আইনেও শিশুদের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নিষ্ঠুর আচরণ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবু আইন আর শ্রেণিকক্ষের বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান রয়ে গেছে। ২০১৮ সালে গুরগাঁওয়ের নিম্নআয়ের পড়ুয়াদের নিয়ে করা এক সমীক্ষায় প্রায় ৮০ শতাংশ জানিয়েছিল, সপ্তাহে একাধিকবার তাদের মারধর করা হয়। আর এই শাস্তির বোঝা সবার উপর সমানভাবে পড়ে না। গবেষক ও অধিকারকর্মীদের বক্তব্য যে, দলিত সম্প্রদায়, আদিবাসী এবং মুসলিম পড়ুয়ারা অনেক সময় জাতপাত ও ধর্মীয় পরিচয়ের কারণেও বেশি বৈষম্যের শিকার হন। ২০২২ সালের একটি গবেষণাতেও দেখা যায়, শারীরিক শাস্তির নেতিবাচক প্রভাব সুবিধাবঞ্চিত জাতিগোষ্ঠীর শিশুদের ক্ষেত্রে আরও তীব্র হতে পারে।

২০২২ সালে রাজস্থানে দলিত ছাত্র ইন্দর মেঘওয়ালের মৃত্যুর ঘটনাও সেই প্রশ্ন তুলেছিল। শিক্ষকের ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট জলের পাত্র ছোঁয়ার অভিযোগে তাকে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। ২০২৩ সালে উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরনগরে সাত বছরের মুসলিম ছাত্র মোহাম্মদ আলতামাশকে গোটা শ্রেণিকে দিয়ে চড় মারানোর ঘটনাও দেশজুড়ে ক্ষোভ তৈরি করেছিল। বিশাখাপত্তনমে তদন্ত চলছে। শিক্ষকদের আরও সংবেদনশীল ও মানবিক হওয়ার প্রশিক্ষণের কথাও বলছে প্রশাসন। কিন্তু প্রশ্নটি থেকে যাচ্ছে- শিশুকে মানুষ করার নামে যদি ভয় দেখানোই শিক্ষার হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তবে সেই শ্রেণিকক্ষ আদৌ কতটা নিরাপদ?

ভারতস্কুলে শাস্তিশারীরিক শাস্তি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    জীবনের জুটি গড়ে মাঠে ভাঙেন রুবেল

    জীবনের জুটি গড়ে মাঠে ভাঙেন রুবেল

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৪

    বন্দুক হাতে পার্কে ঘোরার ভিডিও ভাইরাল, সেই দুই তরুণ গ্রেপ্তার

    বন্দুক হাতে পার্কে ঘোরার ভিডিও ভাইরাল, সেই দুই তরুণ গ্রেপ্তার

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪১

    বনজীবীদের মনে ভয়, কাঁধে ঋণ

    বনজীবীদের মনে ভয়, কাঁধে ঋণ

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৩

    ‘শারজাহ মডেলে’ সাজতে পারে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর

    ‘শারজাহ মডেলে’ সাজতে পারে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৫

    গভীর রাতে সাবেক সচিবের জমি দখলের অভিযোগ

    গভীর রাতে সাবেক সচিবের জমি দখলের অভিযোগ

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৫৯

    জনকল্যাণে বাবা-ছেলের দৃষ্টান্ত

    জনকল্যাণে বাবা-ছেলের দৃষ্টান্ত

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০৮

    নেপাল-তিব্বতের বন্যার ছবি চীনে দেখানো হচ্ছে না কেন

    নেপাল-তিব্বতের বন্যার ছবি চীনে দেখানো হচ্ছে না কেন

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩৭

    ইমরান খানকে জেলে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে, অভিযোগ ছেলেদের

    ইমরান খানকে জেলে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে, অভিযোগ ছেলেদের

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫:২৭

    সংকট মেটাতে ‘সার কার্ড’

    সংকট মেটাতে ‘সার কার্ড’

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১৮

    এনসিপির সভাস্থলে পাল্টা কর্মসূচির ডাক, যা বলছে জেলা প্রশাসন

    এনসিপির সভাস্থলে পাল্টা কর্মসূচির ডাক, যা বলছে জেলা প্রশাসন

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫:১৬

    দুঃখ প্রকাশ করে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

    দুঃখ প্রকাশ করে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৩০

    নেপালে বন্যার তাণ্ডব থেকে জীবন ফিরে পাওয়ার গল্প

    নেপালে বন্যার তাণ্ডব থেকে জীবন ফিরে পাওয়ার গল্প

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৯

    ‘জিরো কস্টে’ যাচ্ছেন ১০ হাজার, ভয় সেই পুরনো সিন্ডিকেট

    ‘জিরো কস্টে’ যাচ্ছেন ১০ হাজার, ভয় সেই পুরনো সিন্ডিকেট

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৪০

    কুমিল্লায় মহাসড়কে যানজটে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু

    কুমিল্লায় মহাসড়কে যানজটে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৬:১৩

    গরম না কমলে কমবে না লোডশেডিং

    গরম না কমলে কমবে না লোডশেডিং

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৩

    advertiseadvertise