ককরোচ আন্দোলন
বৈঠক শেষে সরকারকে ‘ডেডলাইন’ সিজেপির, বড় কর্মসূচির ঘোষণা

মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন সৌরভ দাস
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে সরকারকে আগামীকাল দুপুর ২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মুখপাত্র সৌরভ দাস। ততক্ষণ পর্যন্ত যন্তর-মন্তরে চলমান অবস্থান কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে সিজেপি।
সৌরভ দাস বলেছেন, বৈঠকে তারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি কোনোভাবেই আলোচনার বিষয় নয় এবং এ দাবিতে কোনো আপস হবে না।
বৈঠক শেষে যন্তর-মন্তরে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বললেন, ‘আমরা সরকারকে জানিয়েছি, এ বিষয়ে আর বেশি সময় অপেক্ষা করা সম্ভব নয়। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদ না ছাড়লে আমরা আরও একটি দেশব্যাপী আন্দোলনের ডাক দেব। সেটি ২০ জুলাইয়ের আন্দোলনের চেয়েও বড় হবে। আমরা বিষয়টি তাদের পরিষ্কারভাবে বুঝিয়েছি। আমাদের বিশ্বাস, তারা বুঝেছে যে দেশের মানুষ ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগই চায়। এর কম কিছু আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’
তিনি আরও বললেন, ‘নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় যেসব শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে, তাদের মৃত্যুর দায় কে নেবে? আমরা সেই উত্তর জানি। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ বা তাকে পদ থেকে অপসারণ—এটি কোনোভাবেই আলোচনাসাপেক্ষ নয়। এটি ছাড়া এই আন্দোলন এবং দেশজুড়ে চলা এর কর্মসূচিগুলো অব্যাহত থাকবে। আমরা সরকারকে জানিয়েছি, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে মানুষের মতভেদ থাকতে পারে। কিন্তু সারা দেশের মানুষ বিশ্বাস করে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ করা উচিত।’
রাঙ্কা জানান, সরকার আগামীকাল (২৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় সিজেপির প্রতিনিধিদের আবারও আলোচনায় ডেকেছে।
অন্যদিকে সিজেপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে. পি. নাড্ডা বলেছেন, সরকার আন্দোলনকারীদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেছে এবং বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা হয়েছে বিষয়গুলো নিয়ে।
নাড্ডা বললেন, ‘আমরা তাদের দাবিগুলো শুনেছি এবং জানিয়েছি, এ বিষয়ে পরে আমাদের অবস্থান জানানো হবে।’




