ফ্রান্সের বিক্ষোভ ছড়াচ্ছে ইউরোপে, ক্ষোভের কেন্দ্রে তরুণরা

ফ্রান্সজুড়ে ছড়িয়ে পড়া দাঙ্গার ছবিটি ১৯ অক্টোবর তোলা
ফ্রান্সের বিক্ষোভ রূপ নিয়েছে সহিংসতায়। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, শিক্ষাব্যবস্থার সংকট ও সরকারি ব্যয় সংকোচনের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছিল এই বিক্ষোভ। গত ১৭ অক্টোবর শনিবার দেশটির বিভিন্ন শহরে লাখ লাখ মানুষ নামেন রাস্তায়। কোথাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, কোথাও দোকানপাটে লুটপাট, আবার কোথাও সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী বেলজিয়াম ও ইতালিতেও। জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম জেডডিএফের বিশ্লেষণ বলছে, এই বিক্ষোভের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের সামাজিক অসন্তোষ, তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থার সংকট।
কেন এই বিক্ষোভ?
জেডডিএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রান্সে সাম্প্রতিক আন্দোলনের সূত্রপাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুরবস্থা, শিক্ষকসংকট ও শিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকার অভিযোগ থেকে। সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষার্থী বিক্ষোভ ক্রমে বিস্তৃত হয়ে জীবনযাত্রার ব্যয়, কম বেতন, সামাজিক বৈষম্য ও সরকারি সেবার মান নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়। খাদ্য, জ্বালানি ও বিদ্যুতের বাড়তি খরচের চাপে থাকা মানুষের ক্ষোভও এতে যুক্ত হয়েছে। রাজনীতি বিশ্লেষকরা এই আন্দোলনে, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিবাসী ও নিম্ন আয়ের ব্যাপক মানুষের অংশগ্রহণের প্রমাণ পেয়েছেন। আর তাদের সংগঠিত করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বামপন্থী সংগঠনগুলো।
জার্মান-ফরাসি ইনস্টিটিউটের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ডমিনিক গ্রিলমায়ারের মতে, ফ্রান্সে আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রায় ছয় মাস আগে এমন ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা তাৎপর্যপূর্ণ। তার মতে , দেশটির মানুষের মধ্যে অসন্তোষ এতটাই বেড়েছে যে নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা না করে সরকারের পতনের দাবিতে তারা এখনই রাস্তায় নেমেছেন।
তরুণেরা কেন এত ক্ষুব্ধ?
জার্মান সংবাদ মাধ্যম জেডডিএফে সুইজারল্যান্ডের বাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানী অলিভার নাখটভয়ে বলেন, ফ্রান্স, স্পেন ও ইতালির মতো দেশে তরুণদের জন্য ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। উচ্চ বেকারত্ব, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা, আবাসনের ব্যয় এবং সরকারি ব্যয় সংকোচন তাদের হতাশা বাড়াচ্ছে। শিক্ষা শেষ করেও স্থিতিশীল চাকরি ও স্বচ্ছল জীবনের নিশ্চয়তা না পাওয়ার আশঙ্কা তরুণদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করছে।
নাখটভয়েরের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইউরোপের উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো নাগরিকদের সামনে যে উন্নত জীবন ও সামাজিক অগ্রগতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার অনেকটুকুই এখন আর পূরণ করতে পারছে না। ঋণ ও বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ায় সামাজিক খাতে বিনিয়োগের সুযোগও এখন কম। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে তরুণদের ওপর। তাদের এই ক্ষোভ কোনও একটি রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানের তরুণেরাও একই ধরনের অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হচ্ছেন।
সংগঠিত আন্দোলন, নাকি স্বতঃস্ফূর্ত জনসমাগম
ফ্রান্সের বর্তমান বিক্ষোভকে পুরোপুরি স্বতঃস্ফূর্ত বলা যেমন ঠিক নয়, তেমনি কোনও একক সংগঠন এর সবকিছু নিয়ন্ত্রণ বা পরিচালনা করছে এমন বিশ্লেষণও সত্য নয়। শিক্ষার্থী সংগঠন, শ্রমিক ইউনিয়ন ও রাজনৈতিক দল আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনের ডাক এবং বিভিন্ন শহরে স্বতঃস্ফূর্ত জমায়েত আন্দোলনের ব্যাপ্তি বাড়িয়েছে।
জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম এআরডির প্যারিস সংবাদদাতা মিশায়েল স্ট্রেম্পেল তার বিশ্লেষণে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন বিক্ষোভের আহ্বান ছড়িয়ে পড়লেই সব জায়গায় হাজার হাজার লোক জমায়েত হচ্ছে। এসব কর্মসূচি বড় সংগঠন বা শ্রমিক ইউনিয়নের ডাকে হচ্ছে না। ফলে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। ইউনিয়ন নেতারা গ্রেফতার হলেও আন্দোলন থামছে না। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজও স্বীকার করেছেন, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কর্তৃপক্ষের অনুমানের চেয়ে বেশি ছিল এবং কয়েকটি শহরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী সমস্যায় পড়ে।
সহিংসতার দায় বাম চরমপন্থীদের ওপর কেন?
ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু ও জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্টসহ কয়েকজন রাজনীতিক বিক্ষোভের সহিংসতার জন্য বাম চরমপন্থী গোষ্ঠীকে দায়ী করেছেন। তাদের বক্তব্য, সরকারি ভবনে আগুন দেওয়া, দোকান লুট করা কিংবা পুলিশের ওপর হামলা চালানো এগুলো বামদের কাজ। এগুলো শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অংশ নয়। ফরাসি কর্তৃপক্ষও সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
তবে রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, অভিবাসীদের অধিকার, কম টাকায় বাসা, শিক্ষার খরচ কমানো, সামাজিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধিই মূলত বামপন্থীদের দাবি। এজন্য সব দেশের সরকার কিছু হলেই বামদের দায়ী করেন। এছাড়া বিক্ষোভে বামপন্থী নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি মানেই সব বিক্ষোভকারী চরমপন্থী নন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ নাগরিকদের অনেকেই শিক্ষা ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে তাদের অসন্তোষ জানাতে রাস্তায় নেমেছেন। সহিংসতার দায় নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় আন্দোলনের মূল সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণগুলো আড়ালে পড়ে যেতে পারে।
ফরাসি কর্তৃপক্ষের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত সহিংসতার ঘটনায় দুই হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। বিভিন্ন শহরে দোকানপাট ভাঙচুর ও সরকারি স্থাপনায় হামলার খবর ঘটনা ঘটেছে। লিমোজ শহরের ঐতিহাসিক টাউন হল আগুনে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ঘটনা আন্দোলনের প্রতি জনসমর্থন ধরে রাখার ক্ষেত্রেও চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
অভিবাসী পরিবারের তরুণরা কেন আন্দোলনে ?
জার্মানিতে থাকা বাংলাদেশী-জার্মান বিজ্ঞানী ড. শফিকুল ইসলাম আগামীর সময়কে বলেন, একাধিক ফরাসি ও জার্মান ডানপন্থী রাজনীতিবিদ ফ্রান্স, ইতালি ও বেলজিয়ামের আন্দোলনে অভিবাসী পরিবারের তরুণদের বেশি অংশ গ্রহণের দাবি করেছেন। তবে অভিবাসী পরিবারের তরুণদের আন্দোলনে অংশগ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক থাকলেও তারাই বেশি অংশগ্রহণ করছেন এমন পরিসংখ্যান নেই। তাই তাদের সামগ্রিকভাবে সহিংসতার জন্য দায়ী করার সুযোগ নেই।
ড. শফিক বলেন, তবে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আবাসন এবং সামাজিক বৈষম্যের মতো বিষয় অভিবাসী পরিবারের তরুণদের ক্ষোভ অস্বীকার করার উপায় নেই। যেসব তরুণ নিজেদের সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া মনে করেন কিংবা ভবিষ্যতে উন্নত জীবন পাওয়ার সুযোগ সীমিত বলে মনে করেন, তাদের কেউ কেউ প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনে যুক্ত হতে পারেন। আবার অনেকে শান্তিপূর্ণভাবে শিক্ষা ও সামাজিক ন্যায্যতার দাবি তুলছেন। ফলে অভিবাসী পরিচয়ের চেয়ে তাদের বাস্তব সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দিয়ে অংশগ্রহণের কারণ ব্যাখ্যা করা বেশি যুক্তিসংগত।
ইউরোপের অন্য দেশেও কেন বিক্ষোভ?
ফ্রান্সের আন্দোলনের সঙ্গে মিল রেখে বেলজিয়াম ও ইতালিতেও শিক্ষার্থী ও তরুণেরা রাস্তায় নেমেছেন। বেলজিয়ামের ব্রাসেলস ও লিয়েজ শহরে শিক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের সুযোগ সীমিত হওয়ার আশঙ্কা নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে। ব্রাসেলসে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করা হয়। ইতালির রোম, মিলান, তুরিন ও ভেরোনাসহ বিভিন্ন শহরে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকসংকট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুরাবস্থা এবং শিক্ষা খাতের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন।
জার্মান গণমাধ্যম জেডডিএফের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তরুণদের ক্ষোভের কারণের মধ্যে মিল থাকলেও প্রতিটি দেশের পরিস্থিতি আলাদা। সমাজবিজ্ঞানী নাখটভয়েরের মতে, এসব আন্দোলন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাসম্পন্ন কোনও একক সংগঠনের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও তৃণমূল পর্যায়ের ক্ষোভ থেকে আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, আবার সংগঠিত নেতৃত্ব ও অভিন্ন কর্মসূচির অভাবে তা দ্রুত দুর্বলও হয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা ও আন্দোলনের ভবিষ্যত
ফ্রান্সের বিক্ষোভ নিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিও আলোচনায় এসেছে। তবে রাজনীতি বিশ্লেষকরা এসব গুঞ্জনকে যার যার ভূরাজনৈতিক সুবিধা অনুযায়ী প্রপাগান্ডা হিসেবেই অভিহিত করেছেন। ফরাসি গণমাধ্যম লা মঁদ এর ১৯ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক শিবির এবং রাশিয়ার পক্ষ থেকে ফ্রান্সের অস্থিরতাকে অভিবাসনসংক্রান্ত বিশৃঙ্খলা ও ইউরোপের অবক্ষয়ের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এই ঘটনাকে নিজেদের রাজনৈতিক বয়ানের পক্ষে ব্যবহার করছে। ফ্রান্সে ২০১৮ সালে ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন শুরু হয়েছিল জ্বালানির দাম ও করের বোঝা নিয়ে ক্ষোভ থেকে। পরে তা জীবনযাত্রার ব্যয়, বৈষম্য ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়। সরকার কিছু ছাড় দিতে বাধ্য হলেও আন্দোলনটি দীর্ঘমেয়াদে সংগঠিত শক্তি ধরে রাখতে পারেনি। আবার ২০২৩ সালে অবসরের বয়স বাড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের পর সরকার পেনশন সংস্কার কার্যকর করে। এই দুই অভিজ্ঞতা দেখায়, বড় বিক্ষোভ হলেই সরকার নীতিগতভাবে পিছু হটবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। বর্তমান আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে শিক্ষার্থী ও শ্রমিক সংগঠনগুলো কতটা ঐক্য ধরে রাখতে পারে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি জনসমর্থন কতটা স্থায়ী হয় এবং সরকার শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেয় কি না, তার ওপর।
জার্মান বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বিক্ষোভের তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক ফল অনিশ্চিত। সরকার শিক্ষা ও জনসেবায় কিছু ছাড় দিতে পারে, আবার সহিংসতা দমনে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে পারে। সহিংসতা বাড়লে আন্দোলনের সামাজিক দাবির বদলে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, মূল সমস্যাগুলোর সমাধান না হলে আন্দোলন স্তিমিত হওয়ার পরও নতুন করে বিক্ষোভ দেখা দিতে পারে।
তিনি বলেন, ফ্রান্সের পরিস্থিতি তাই শুধু একটি দেশের আইনশৃঙ্খলার সংকট নয়, এটি ইউরোপের তরুণদের ভবিষ্যৎ, সামাজিক ন্যায্যতা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থারও পরীক্ষা। বিক্ষোভ কয়েক দিনের মধ্যে থেমে গেলেও শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সমস্যা থেকে যাবে। ইউরোপের সরকারগুলোর সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো, বাজেটের সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকেও তরুণদের জন্য বাস্তবসম্মত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা। সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে আজকের ক্ষোভ আগামী দিনে আরও বড় রাজনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে।



