হুতিদের মোকাবেলায় সৌদিকে সামরিক সহায়তা দিবে ব্রিটেন

সোমবার লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। ছবি : রয়টার্স
ইয়েমেনের হুতিদের হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবকে সীমিত সামরিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটেন। সৌদি যুদ্ধবিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহ করবে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ)।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম স্থানীয় সময় সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের বার্নহাম বলেছেন, সৌদি আরব সামরিক সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছিল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পরামর্শের ভিত্তিতে তিনি সেই অনুরোধ অনুমোদন করেছেন।
বার্নহাম জানিয়েছেন, এই সহায়তা হবে ‘প্রতিরক্ষামূলক’ এবং সময়সীমাবদ্ধ। বিষয়টি পর্যালোচনার আওতায় থাকবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে একটি আরএএফ ভয়েজার বিমান সৌদি যুদ্ধবিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহের কাজে যুক্ত হবে।
যুক্তরাজ্যের এই সহায়তা শুধু সৌদি আরবকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হবে। হুতিদের ওপর হামলায় ব্রিটিশ বিমান সরাসরি অংশ নেবে না।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইয়েমেনের হুতিদের সঙ্গে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের সংঘাত আবারও বেড়েছে। হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। শনিবার রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়।
এর ফলে বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর তাদের নজরদারি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ স্বাভাবিক সময়ে এই পথ দিয়ে চলাচল করে।
বার্নহাম বলেছেন, সৌদি আরবের ওপর হামলা ও সম্ভাব্য আরও বিঘ্নের কারণে যুক্তরাজ্য বৃহত্তর অঞ্চলের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তেল পরিবহনের পথগুলো খোলা রাখাও এর একটি উদ্দেশ্য।
যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্ক রয়েছে। ব্রিটেন সৌদি আরবের অন্যতম বড় অস্ত্র সরবরাহকারী। চলতি বছর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে সৌদিকে সুরক্ষা দিতে ব্রিটেন সেখানে স্কাই সাবর এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা মোতায়েন করেছিল।
সূত্র : আলজাজিরা




