Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর সেবাই সালমানের নেশা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ইউরোপ

আবার উত্তাল ফ্রান্স, আটক ১৩৫

সুখের ইউরোপে বিদ্রোহে স্বপ্নভঙ্গ

  • ঘর নেই, কাজের নিশ্চয়তা নেই সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
  • ফ্রান্সে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন ইতালিতে দেড়শ বাড়িতে তল্লাশি
  • ইউরোপের দেশে দেশে আন্দোলনে তরুণরা
আগামীর সময় প্রতিবেদন
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:০২
সুখের ইউরোপে বিদ্রোহে স্বপ্নভঙ্গ

‘আমি বিদ্রোহ করি, অতএব আমরা আছি।’ ১৯৫১ সালে ‘বিদ্রোহী মানুষ’ গ্রন্থে দ্রোহের আগুনমাখা এই উচ্চারণ লিখে গিয়েছিলেন নোবেলজয়ী ফরাসি সাহিত্যিক আলবেয়ার কামু। পঁচাত্তর বছর পর তাঁর শব্দগুলো যেন ফিরে এসেছে ইউরোপের রাজপথে। প্যারিসে দোকানের জানালায় কাঠের দেয়াল। মিলানে সেনাপাহারা। মাদ্রিদে বাসাভাড়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ। দেশ আলাদা, ভাষা আলাদা। অথচ তরুণদের প্রশ্ন একই। পড়াশোনা শেষে চাকরি মিলবে? নিজের একটি ঘর হবে? আগের প্রজন্মের চেয়ে ভালো জীবন কি পাওয়া যাবে?

শনিবার (২৪ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল, গ্রিস ও আলবেনিয়ার আন্দোলনগুলোর সামনের সারিতে তরুণেরা। কোথাও শিক্ষার সংকট, কোথাও ব্যয়বহুল বাসস্থান, কোথাও দুর্নীতির প্রতিবাদ। আন্দোলনগুলোর নেতৃত্ব ও দাবি এক নয়। কিন্তু ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার অনুভূতি অনেকের মধ্যে অভিন্ন।

সবচেয়ে উত্তপ্ত ফ্রান্স। সেপ্টেম্বরে প্যারিসের কাছে একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংকট ও অবকাঠামোর দুরবস্থা নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। পরে তাতে যোগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীরা। মজুরি, পেনশন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও আবাসনের দাবিও সামনে আসে। ২০১৮ সালের ‘হলুদ জ্যাকেট’ আন্দোলনের কর্মীরাও যুক্ত হয়েছেন। ওই বছর জ্বালানির ওপর কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে হলুদ নিরাপত্তা জ্যাকেট পরে রাস্তায় নেমেছিলেন ফরাসিরা। পরে তা মূল্যবৃদ্ধি, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর নীতির বিরুদ্ধে বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয়।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও ফরাসি সংবাদমাধ্যম লা মঁদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বিক্ষোভ ঘিরে দেশজুড়ে প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছে সরকার। সঙ্গে সাঁজোয়া যান, জলকামান, হেলিকপ্টার ও বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের তুলনায় এবার ১০ হাজার বেশি নিরাপত্তাকর্মী নামানো হয়েছে।

এমন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও শনিবার দুপুর পর্যন্ত ১৩৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনিয়েজ জানিয়েছেন, ফরাসি সময় দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশজুড়ে ১৩৬টি প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অংশ নিয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। আগের শনিবার একই সময়ে কর্মসূচি ছিল ২৬৪টি, অংশগ্রহণকারী প্রায় ৬০ হাজার।

তল্লাশিতে ধাতব বল, সিসার গুলি, আতশবাজি, গুলতি, ধারালো অস্ত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করেছে পুলিশ। নুনিয়েজ বলেছেন, ‘আমাদের অত্যন্ত দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’ তবে দুপুর পর্যন্ত বড় কোনো সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

প্যারিসে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে মিছিল শুরু হয়েছে। শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষ পোর্ত দিতালি থেকে পোর্ত দ্য ভেনসেনের পথে এগিয়ে যান। মিছিলে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি পরিবার, চাকরিজীবী ও অবসরপ্রাপ্ত মানুষও রয়েছেন। বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন বামপন্থী নেতা জঁ-লুক মেলাঁশোঁ। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

প্যারিসের ২৪টি পাতালরেল স্টেশন বন্ধ। বন্ধ ল্যুভর, ওরসে ও পিকাসো জাদুঘরসহ গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র। নিরাপত্তার কারণে দোকানের জানালায় কাঠের প্রতিবন্ধক। পুলিশের নির্দেশে মিছিলের মূল পথও বদলানো হয়েছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এসব বিধিনিষেধ মানুষের প্রতিবাদের অধিকার সংকুচিত করছে।

লিয়ঁ শহরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জড়ো হওয়া প্রায় দেড়শ মানুষকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। ক্লেরমঁ-ফেরাঁতেও বিক্ষোভকারীদের সরাতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে অরলিয়ঁতে অতি ডানপন্থী নেত্রী মারিন ল্য পেনের দলের সম্মেলন ঘিরে বিক্ষোভ হয়েছে। পুলিশের হিসাবে সেখানে ১১ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন, আয়োজকদের দাবি ২৬ হাজার।

তবে এবারের বিক্ষোভে নতুন করে কতজন আহত হয়েছেন, তার নিশ্চিত পূর্ণাঙ্গ হিসাব শনিবার দুপুর পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। নিহতেরও নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য মেলেনি।

আগের শনিবার (১৭ অক্টোবর) পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। সরকারি হিসাবে সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। সহিংসতায় প্রায় তিন হাজার দোকান ক্ষতিগ্রস্ত বা লুটপাটের শিকার হয়। লিমোজে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঐতিহাসিক নগর ভবন। দেশজুড়ে প্রায় দুই হাজার ৪০০ জনকে আটক করা হয়।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, ওই দিনের সহিংসতায় ৯৯৭ জন পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী আহত হন। তাঁদের সাতজনের অবস্থা গুরুতর ছিল। শুধু প্যারিসেই শতাধিক বিক্ষোভকারী ও সাধারণ মানুষ আহত হন। মুলুজে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী একটি চোখ হারান। সাঁতেতিয়েনে একই বয়সী এক কিশোরের একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্যারিসে বিক্ষোভ চলাকালে হৃদ্‌রোগে একজনের মৃত্যুর কথাও জানিয়েছিল পুলিশ। তবে দেশজুড়ে আহতের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশিত হয়নি।

শিক্ষার্থীদের দাবি, উচ্চশিক্ষায় আরও আড়াই লাখ আসন, পর্যাপ্ত শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কার, বৃত্তি বৃদ্ধি এবং সরকারি ছাত্রাবাসের ভাড়া নিয়ন্ত্রণ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট মাখোঁ। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিব্যবস্থা সংস্কারের আশ্বাস দিলেও আন্দোলনকারীরা বাস্তব পদক্ষেপ চাইছেন।

ইতালিতেও উত্তেজনা। শনিবার বিক্ষোভের আগে মিলানসহ বিভিন্ন শহরে দেড়শ বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। তল্লাশির আওতায় ছিলেন অপ্রাপ্তবয়স্কসহ বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন। মিলানে অতিরিক্ত ৫০০ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। রোম, তুরিন ও নেপলসেও বিক্ষোভের কর্মসূচি রয়েছে।

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে শনিবার পেনশন সুরক্ষার দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। এর আগে ৮৭ বছরের এক নারীকে বাসা থেকে উচ্ছেদের ঘটনা আবাসন আন্দোলনে নতুন ক্ষোভ জুগিয়েছিল। পর্তুগালে বাড়িভাড়া বৃদ্ধি ও উচ্ছেদসংক্রান্ত নীতির বিরুদ্ধে চলছে প্রতিবাদ। গ্রিসে সরকারি শিক্ষার দাবিতে পথে শিক্ষার্থীরা।

আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় দুর্নীতি ও জীবনযাত্রার সংকটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। সেখানে গত কয়েক দিনের সংঘর্ষে তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এদি রামার পদত্যাগও দাবি করছেন বিক্ষোভকারীরা।

ইতিহাসের পাতায় এমন ক্ষোভের প্রতিধ্বনি নতুন নয়। ২০১০ সালে তিউনিসিয়ার পথবিক্রেতা মোহাম্মদ বুয়াজিজির আত্মাহুতির পর শুরু হওয়া আরব বসন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায়। বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি আর তরুণদের হতাশার সঙ্গে সেখানে যুক্ত হয়েছিল কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। ইউরোপের বর্তমান আন্দোলনগুলো প্রধানত শিক্ষা, বাসস্থান ও অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন, কিন্তু প্রজন্মের না-পাওয়ার অনুভূতিতে মিল রয়েছে।

আগামী ৩১ অক্টোবর জার্মানিতে বিক্ষোভের ডাক রয়েছে। নভেম্বরে ফ্রান্স ও স্পেনে ধর্মঘটের পরিকল্পনা। ব্রিটেন ও ইতালিতেও শিক্ষাব্যয় নিয়ে কর্মসূচি রয়েছে। ফরাসি ছাত্রনেত্রী আলিস দ্য ব্রিতোর কথায়, ‘পার্থক্যের চেয়ে মিলই বেশি।’

বিদ্রোহইউরোপফ্রান্সআন্দোলন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি

    টঙ্গীতে গাড়ির ধাক্কায় বাবা ও ছেলে নিহত

    টঙ্গীতে গাড়ির ধাক্কায় বাবা ও ছেলে নিহত

    মামলা হলে আমাকে যেন প্রধান আসামি করা হয় : রুমিন ফারহানা

    মামলা হলে আমাকে যেন প্রধান আসামি করা হয় : রুমিন ফারহানা

    থানার দেড় কিলোমিটার দূরে ছিনতাই, পুলিশ জানল ফেসবুক দেখে

    থানার দেড় কিলোমিটার দূরে ছিনতাই, পুলিশ জানল ফেসবুক দেখে

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু