Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শেষ ঠিকানার কারিগর
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ইউরোপ

ইসরায়েলি কিছু পণ্যের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় কী প্রভাব পড়বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪২
ইসরায়েলি কিছু পণ্যের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় কী প্রভাব পড়বে

ছবি: রয়টার্স

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলে থাকা অবৈধ বসতিগুলোয় উৎপাদিত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। একই সঙ্গে বসতি সম্প্রসারণে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও নেওয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা।

গত বছর ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাজ্য। এরপর ইসরায়েল ইস্যুতে এটিই দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠোর নীতিগত পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেছেন, ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে ফিলিস্তিনের জনগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এসব বসতি অবৈধ।

মিলিব্যান্ড আরও বলেছেন, ‘ব্রিটিশরা চায় না, আমরা বসতি থেকে আসা পণ্য আমাদের দোকানে বিক্রি করে দখলদারিত্বকে সমর্থন করি।’

এ ছাড়া ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রির ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তবে ইসরায়েল থেকে সরাসরি আসা পণ্য ও সেবা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে না বলে জানানো হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় কী কী

অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে—

  • পশ্চিম তীরের অবৈধ ইসরায়েলি বসতির সব পণ্য।
  • বসতি সম্প্রসারণের নির্মাণকাজ, অবকাঠামো, অর্থায়ন বা আবাসন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত সব প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা।
  • পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিতে সম্পত্তি বিক্রির বিজ্ঞাপন যুক্তরাজ্যে পুরোপুরি নিষিদ্ধ।
  • ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় সমর্থন বা উসকানি দেওয়া উগ্র বসতিস্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা।
  • দখলদারিত্বে অবদান রাখে এমন অস্ত্র ও অন্য পণ্যের নতুন রপ্তানি লাইসেন্স দেওয়া হবে না।

এ ঘটনায় ইউরোপ জুড়ে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের আলোচনা শুরু হয়েছে।

মিলিব্যান্ডের বক্তব্যের পর ১২ দেশ ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে বিধিনিষেধ আরোপের নিজ নিজ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে তারা।

ইসরায়েল সরকারকে অবিলম্বে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ডেনমার্ক, স্পেন, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও সুইডেন।

পার্লামেন্টে কী বলেছেন মিলিব্যান্ড

মঙ্গলবারের ঘোষণার আগে মিলিব্যান্ড বলেছিলেন, নতুন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ও নিষেধাজ্ঞামূলক ব্যবস্থায় ইসরায়েল বিষয়ে যুক্তরাজ্যের নীতিতে একটি সার্বিক পরিবর্তন আনবে। এর মাধ্যমে শুধু ফিলিস্তিনে অন্যায়ের বিষয়টি তুলে ধরা নয়, কার্যকর পদক্ষেপও নেওয়া হবে।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে অবৈধ বসতি ও বসতি সম্প্রসারণ, ইসরায়েল নয়।

মিলিব্যান্ড আরও বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যবহারের জন্য এরই মধ্যে ৩০টির বেশি অস্ত্র রপ্তানি লাইসেন্স স্থগিত করেছে যুক্তরাজ্য। দখলদারিত্ব অব্যাহত থাকা পর্যন্ত এ ধরনের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

বিশেষ করে পশ্চিম তীরে প্রস্তাবিত ‘ইওয়ান’ বসতি নির্মাণ ঠেকানোর চেষ্টা করা হবে। সেখানে বসতি গড়ে উঠলে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দুই ভাগে বিভক্ত হবে। এতে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাও নষ্ট হতে পারে।

একই সঙ্গে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর অর্থায়নকারী সংস্থা আল-কর্দ আল-হাসানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বসতিগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যের পরিমাণ কত

সামগ্রিকভাবে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার যুক্তরাজ্য। হাউজ অব কমন্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েলের মধ্যে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৬০০ কোটি পাউন্ড বা ৮১০ কোটি ডলার।

এর মধ্যে বসতিগুলোয় উৎপাদিত পণ্যের পরিমাণ সঠিকভাবে নির্ধারণ করা কঠিন। তবে পার্লামেন্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দখল করা ভূখণ্ড থেকে আনুমানিক ৩ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ড বা ৫ কোটি ১৪ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করেছে যুক্তরাজ্য।

ইসরায়েল থেকে যুক্তরাজ্যের আমদানি করা প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে মূল্যবান পাথর ও ধাতু, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্লাস্টিক, যন্ত্রপাতি এবং ফলসহ তাজা কৃষিপণ্য। বিপরীতে যুক্তরাজ্য ইসরায়েলে ড্রোন, হেলিকপ্টার ও উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি করে।

ইসরায়েল থেকে আমদানি করা পণ্য ও বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে পার্থক্য করার চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে যুক্তরাজ্য।

ইসরায়েলি বসতি থেকে আসা পণ্যের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের আগে কীভাবে সেগুলোর লেবেল দিতে হবে, সে বিষয়েও নির্দেশনা আছে।

২০২৫ সালের মে মাসে ডিজিটাল বাণিজ্যসহ অন্যান্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে বাণিজ্য চুক্তি আধুনিকায়নের আলোচনা স্থগিত করে যুক্তরাজ্য।

ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন কি প্রত্যাহার করছে যুক্তরাজ্য

এর উত্তর না। পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে মিলিব্যান্ড জোর দিয়ে বলেছেন, এসব পদক্ষেপ ইসরায়েলের জনগণের বিরুদ্ধে নয়। ব্রিটিশ জনগণের সঙ্গে ইসরায়েলি জনগণের অটুট সম্পর্ক রয়েছে।

তার ভাষ্য, ‘আমাদের বিরোধ ইসরায়েলের জনগণের সঙ্গে নয়, তাদের সরকারের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে।’

একই সঙ্গে তিনি বয়কট, বিনিয়োগ প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞা বা বিডিএস আন্দোলনের বিরোধিতা করার কথা জানিয়েছেন।

মিলিব্যান্ড বলেছেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে দক্ষিণ ইসরায়েলে চালানো হামলা ইসরায়েলের জন্য বড় হুমকির বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। একই সঙ্গে ইরান-সমর্থিত লেবাননের হিজবুল্লাহর ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের কথাও বলেছেন তিনি।

নিজের ইহুদি পরিচয় নিয়ে ‘গর্বিত’ উল্লেখ করে মিলিব্যান্ড বলেছেন, ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতি সমর্থনের সঙ্গে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থনের কোনো ‘বিরোধ’ নেই।

ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া কী

যুক্তরাজ্যের ঘোষণার পর পাল্টা চারটি ব্যবস্থা নিয়েছে ইসরায়েল। এর মধ্যে রয়েছে জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করা, দক্ষিণ ইসরায়েলের কিরিয়াত গাতে আন্তর্জাতিক গাজা সহায়তা কেন্দ্র থেকে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের সরিয়ে দেওয়া এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বাহিনীকে ব্রিটিশ প্রশিক্ষণ বন্ধ করা। পাশাপাশি ১২ ব্রিটিশ এমপির ইসরায়েলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েলের নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাজ্য সরকার দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে।

ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির পাল্টা হিসেবে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া

যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি যুক্তরাজ্যকে ইহুদিবিদ্বেষী বলে অভিযুক্ত করেছেন। তার দাবি, এমন নিষেধাজ্ঞা ইহুদি জনগণের বিরুদ্ধে বৈষম্য তৈরি করবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ‘যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্ত গাজা নিয়ে অগ্রগতি, ২০ দফা পরিকল্পনা এবং বোর্ড অব পিসের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। স্পষ্টতই আমরা যুক্তরাজ্য যা করেছে, তা করব না।’

অন্যদের প্রতিক্রিয়া

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত হুসাম জোমলট বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিল। তবে তিনি এটিকে যুক্তরাজ্য-ফিলিস্তিন সম্পর্কের একটি পরিবর্তনের মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘আজ ব্রিটেন নিন্দা থেকে পরিণতির দিকে, কথা থেকে কাজে এগোতে শুরু করেছে।’

মানবাধিকার সংগঠনগুলোও যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, আমদানি নিষেধাজ্ঞা ও নিষেধাজ্ঞামূলক ব্যবস্থা ব্রিটেনের নীতিতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ও ইতিবাচক পরিবর্তন।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইউকে বলেছে, নতুন পদক্ষেপগুলো প্রয়োজনীয় বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

তবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে মিলিব্যান্ডের বক্তব্যের পর দেশটির ইহুদি সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী জিউইশ লিডারশিপ কাউন্সিল অভিযোগ করেছে, সরকারের পদক্ষেপের ফলে ব্রিটিশ ইহুদিরা আরও বেশি টার্গেট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।

যুক্তরাজ্যের প্রধান রাবাই এফ্রাইম মিরভিস বলেছেন, ব্রিটিশ ইহুদিদের জন্য আজ সত্যিই একটি অন্ধকার দিন। এই সিদ্ধান্তের ফলে উগ্রপন্থীদের হামলার ঝুঁকি আরও বাড়বে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।

নিষেধাজ্ঞা কতটা কার্যকর হবে

ইসরায়েলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাজ্য-ইসরায়েলের মোট বাণিজ্যের ১ শতাংশেরও কম। তাই এর সরাসরি অর্থনৈতিক প্রভাব সীমিত হতে পারে। তবে নিষেধাজ্ঞাটির রাজনৈতিক গুরুত্ব বেশি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কাউন্সিল ফর আরব-ব্রিটিশ আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের ক্রিস ডয়েল বলেছেন, অবৈধ বসতিতে উৎপাদিত পণ্য যেন ইসরায়েলি পণ্য হিসেবে ভুলভাবে বিক্রি না হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে বসতিগুলোয় বিনিয়োগ ও আর্থিক সেবার ওপরও নিষেধাজ্ঞা চান তিনি।

তার মতে, ইসরায়েল বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ না করলে যুক্তরাজ্যকে আরও কঠোর পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। একই ধরনের ব্যবস্থা ইউরোপের অন্য দেশগুলো নিলে এর প্রভাব আরও বড় হতে পারে।

রাজনৈতিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াবে। বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান যে আগের চেয়ে কঠোর হয়েছে, সেটিও স্পষ্ট হবে। এতে ইউরোপের অন্য দেশগুলোও একই ধরনের পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত হতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকটের সমাধানে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক পরিকল্পনার পক্ষে থাকা দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত চাপ তৈরি হতে পারে।

অর্থনৈতিক দিক থেকে এককভাবে যুক্তরাজ্যের এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব খুব বেশি নাও হতে পারে। কারণ বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্যের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। তবে বিনিয়োগ, ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়লে প্রভাব ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ একই পথে হাঁটলে ইসরায়েলি বসতিগুলোর অর্থায়ন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের ওপর বড় চাপ তৈরি হতে পারে।

ফলে এই নিষেধাজ্ঞার মূল গুরুত্ব তাৎক্ষণিক বাণিজ্যিক ক্ষতির চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক। এটি ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অবস্থান আরও শক্ত করতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলযুক্তরাজ্যনিষেধাজ্ঞাপণ্য আমদানি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনে জটিলতা কমবে

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনে জটিলতা কমবে

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৫৬

    ঢাকা-দিল্লির রেল বৈঠকের প্রথম দিন সিদ্ধান্তহীন

    ঢাকা-দিল্লির রেল বৈঠকের প্রথম দিন সিদ্ধান্তহীন

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৪৪

    ‘এত বড় কথা’ বলে এজলাস থেকে উঠে যান প্রধান বিচারপতি

    ‘এত বড় কথা’ বলে এজলাস থেকে উঠে যান প্রধান বিচারপতি

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৯

    ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায়ের অভিযোগ, এনসিপি নেত্রী আটক

    ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায়ের অভিযোগ, এনসিপি নেত্রী আটক

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:১৯

    আদিবাসী বহ্নিশিখাদের বঞ্চনার ময়দান

    আদিবাসী বহ্নিশিখাদের বঞ্চনার ময়দান

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৬

    জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ ইসরায়েলের

    জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ ইসরায়েলের

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৮

    বিসিবির চোখে হরেদরে সবাই সমান

    বিসিবির চোখে হরেদরে সবাই সমান

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৮

    ডেঙ্গুতে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড

    ডেঙ্গুতে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:১৪

    ১৬ ডিসেম্বর আংশিকভাবে চালু হবে তৃতীয় টার্মিনাল

    ১৬ ডিসেম্বর আংশিকভাবে চালু হবে তৃতীয় টার্মিনাল

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:১৪

    নতুন দায়িত্বে ডা. মাহমুদা মিতু

    নতুন দায়িত্বে ডা. মাহমুদা মিতু

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:০৬

    বিদেশ ভ্রমণে মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের হোটেল ভাড়া, পকেট খরচ দুটোই বাড়ছে

    বিদেশ ভ্রমণে মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের হোটেল ভাড়া, পকেট খরচ দুটোই বাড়ছে

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৫

    বালুতে মূল্যবান খনিজের খোঁজে পরমাণু শক্তি কমিশন

    বালুতে মূল্যবান খনিজের খোঁজে পরমাণু শক্তি কমিশন

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৪০

    অনেকজনকে চিহ্নিত করেছি, থানায় যাচ্ছি মামলা করতে : বাঁধন

    অনেকজনকে চিহ্নিত করেছি, থানায় যাচ্ছি মামলা করতে : বাঁধন

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:২৭

    বাঁধনের ওপর হামলাকারীদের দেশে ফেরাতে ‘সর্বোচ্চ’ চেষ্টায় সরকার

    বাঁধনের ওপর হামলাকারীদের দেশে ফেরাতে ‘সর্বোচ্চ’ চেষ্টায় সরকার

    ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৪৫

    এপারে মৃত্যুর মিছিল, ওপারে নীরবতা

    এপারে মৃত্যুর মিছিল, ওপারে নীরবতা

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২

    advertiseadvertise