Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রাণের ডাকে ছোটেন রবি
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে ১০ শতাংশ পরিবারের হাতে ৬৮ শতাংশ সম্পদ : সিএনএন

সিএনএন
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৩:০৮
যুক্তরাষ্ট্রে ১০ শতাংশ পরিবারের হাতে ৬৮ শতাংশ সম্পদ : সিএনএন

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে সম্পদ বৈষম্য ক্রমাগত বাড়ছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ ১০ শতাংশ পরিবারের হাতে এখন দেশের মোট সম্পদের ৬৮ শতাংশ। ১৯৮৯ সালে এই হার ছিল ৩২ শতাংশ।

সিএনএনের এক বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরেই দুই ভিন্ন গতিপথে চলছে, যেখানে ধনীরা আরও ধনী হচ্ছেন এবং নিম্ন ও মধ্য আয়ের জনগোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিকে ‘কে-আকৃতির অর্থনীতি’ হিসেবে অভিহিত করেন অর্থনীতিবিদেরা।

প্রতিবেদন বলছে, গত তিন বছরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যেও সব শ্রেণির মানুষের সম্পদ কিছুটা বেড়েছে। তবে শীর্ষ ১ শতাংশ ধনীর নিট সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ, যেখানে মধ্যম আয়ের ৪০ শতাংশ মানুষের সম্পদ বৃদ্ধির হার ১০ শতাংশেরও কম।

বিশ্লেষণে বলছে, এই বৈষম্যের পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে আবাসন, শেয়ারবাজার এবং মূল্যস্ফীতির প্রভাব। যুক্তরাষ্ট্রের মোট আবাসন সম্পদের অর্ধেকের বেশি শীর্ষ ২০ শতাংশ মানুষের হাতে। বিপরীতে নিম্ন আয়ের ২০ শতাংশ মানুষের হাতে রয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ আবাসন সম্পদ।

মহামারির পর কম সুদহারের সুযোগে অনেক গৃহমালিক পুনঃঅর্থায়নের মাধ্যমে বিপুল নগদ অর্থ সংগ্রহ করেন, যা সম্পদ বৈষম্য আরও বাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

শেয়ারবাজারেও ধনীদের আধিপত্য স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সম্পদের তিন-চতুর্থাংশের বেশি শীর্ষ ২০ শতাংশ মানুষের হাতে, যার মধ্যে এক-চতুর্থাংশের বেশি রয়েছে শীর্ষ ১ শতাংশের দখলে। গত তিন বছরে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক বেড়েছে ৮৬ দশমিক ২ শতাংশ, অথচ নগদ অর্থের গড় বার্ষিক রিটার্ন ছিল ১ শতাংশেরও কম।

মূল্যস্ফীতির প্রভাবও সব শ্রেণির মানুষের ওপর সমানভাবে পড়েনি। নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো আয়ের বড় অংশ খাদ্য ও বাসস্থানের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় করে, যেখানে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি বেড়েছে। মিনিয়াপোলিস ফেডের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে নিম্ন আয়ের ২০ শতাংশ মানুষের জীবনে ভোক্তা মূল্য বেড়েছে ৫৭ শতাংশ, যেখানে শীর্ষ ২০ শতাংশের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি ছিল ৪৬ শতাংশ।

আয়ের ভিত্তিতেও ব্যয়ের চিত্রে বড় পার্থক্য দেখা গেছে। যাদের বার্ষিক আয় ৪০ হাজার ডলারের কম, তাদের ব্যয় প্রবৃদ্ধি প্রায় স্থবির ছিল। অন্যদিকে ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার বা তার বেশি আয়ের পরিবারের ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ আয়ের মানুষের অধিক ভোগব্যয় সামগ্রিক বাজার চাহিদা বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতিকে আরও দীর্ঘস্থায়ী করেছে। প্রতিবেদন বলছে, ধনী শ্রেণি শুধু বেশি আয়ই করছেন না, বরং বিনিয়োগের সুযোগ এবং সম্পদ বৃদ্ধির কাঠামোগত সুবিধাও তাদের হাতে বেশি থাকায় বৈষম্য আরও গভীর হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রবৈষম্যআয়ের পার্থক্য
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    নামও ঠিক ছিল, জন্মের আগেই ইসরায়েলের গুলি কাড়ল প্রাণ

    নামও ঠিক ছিল, জন্মের আগেই ইসরায়েলের গুলি কাড়ল প্রাণ

    ইউপি নির্বাচন ৭ ধাপে, শুরু ১২ নভেম্বর

    ইউপি নির্বাচন ৭ ধাপে, শুরু ১২ নভেম্বর

    বরিস জনসন স্টেশন ছাড়ার পরপরই ইউক্রেনের ট্রেনে রাশিয়ার হামলা

    বরিস জনসন স্টেশন ছাড়ার পরপরই ইউক্রেনের ট্রেনে রাশিয়ার হামলা

    ইসলামী ব্যাংকের সামনে মারামারি

    ইসলামী ব্যাংকের সামনে মারামারি

    সৌদির পাইপলাইন বন্ধ, বিশ্ববাজারে ঢুকছে না ৪ শতাংশ তেল

    সৌদির পাইপলাইন বন্ধ, বিশ্ববাজারে ঢুকছে না ৪ শতাংশ তেল

    ডাকসুর ৩ কাণ্ড তদন্তে ঢাবির ৩ কমিটি

    ডাকসুর ৩ কাণ্ড তদন্তে ঢাবির ৩ কমিটি

    চাঁদের পিঠে আলোকপিণ্ড

    চাঁদের পিঠে আলোকপিণ্ড

    ডাকসুতে ঢুকে জিন্নাহর ছবি ভাঙচুর করলেন সাবেক শিক্ষার্থী

    ডাকসুতে ঢুকে জিন্নাহর ছবি ভাঙচুর করলেন সাবেক শিক্ষার্থী

    দুই বছর পর সচিব সভায় বসছেন শীর্ষ কর্মকর্তারা, আসতে পারে যে নির্দেশ

    দুই বছর পর সচিব সভায় বসছেন শীর্ষ কর্মকর্তারা, আসতে পারে যে নির্দেশ

    তিন মাসে কোটিপতি অ্যাকাউন্ট বেড়েছে ৫ হাজার

    তিন মাসে কোটিপতি অ্যাকাউন্ট বেড়েছে ৫ হাজার

    পল্লবীতে বস্তাবন্দির ভিডিও, চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার নজরুল

    পল্লবীতে বস্তাবন্দির ভিডিও, চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার নজরুল

    ইউক্রেন-রাশিয়া একে অপরের জ্বালানি স্থাপনায় আর হামলা চালাবে না: ট্রাম্প

    ইউক্রেন-রাশিয়া একে অপরের জ্বালানি স্থাপনায় আর হামলা চালাবে না: ট্রাম্প

    রিজভীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক

    রিজভীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক

    ঢাবি ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান মবের শিকার তাহসিনের

    ঢাবি ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান মবের শিকার তাহসিনের

    বিজয়ীদের হাতে বিশ্বকাপ মেগা কুইজের পুরস্কার

    বিজয়ীদের হাতে বিশ্বকাপ মেগা কুইজের পুরস্কার