ইরানকে কড়া বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের
- পরমাণু কর্মসূচিতে ছাড় না দিলে থামবে না যুদ্ধ

সংগৃহীত ছবি
একদিকে যুদ্ধ থামানোর আলোচনা, অন্যদিকে বিমানবন্দরের রানওয়ের পাশে আছড়ে পড়ছে ক্ষেপণাস্ত্র। সাত মাস ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যে শান্তির দরজা খুলতে সেই পুরনো শর্তটিই আবার সামনে আনল ওয়াশিংটন। গতকাল বুধবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘ইরানের হাতে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবে না।’ কূটনৈতিক সফরে এথেন্সের এক সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। দুদিন আগে ঠিক একই সুরে কথা বলেছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও।
আলাস্কায় রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে (গত সোমবার) তিনি বলেছিলেন, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে কোনো চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে অবশ্যই তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা ‘অর্থবহ’ মাত্রায় কমিয়ে আনতে হবে। ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের একরোখা অবস্থানের মধ্যেই নতুন এ বার্তা দিলেন দুই নেতা। অর্থাৎ এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সেই ভবিষ্যদ্বাণীর পথেই ইরান যুদ্ধের পরিণতি। তিনি বলেছিলেন, যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে হয় ‘ভালোভাবে’ অথবা ‘ভালো নয় এমন কোনো উপায়ে’।
ইরানের উদ্দেশে ভ্যান্স বলেছিলেন, ‘আপনারা যদি পরমাণু অস্ত্র না চান, তাহলে ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের প্রয়োজন কী? পরমাণু অস্ত্র তৈরির ইচ্ছা নেই, সেটি প্রমাণ করতে চাইলে উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করুন।’
তার ভাষায়, এটি ‘একেবারেই মৌলিক শর্ত’। শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, ইরানের কাছ থেকে বাস্তব পদক্ষেপ চায় যুক্তরাষ্ট্র। ভ্যান্স স্পষ্ট করেছেন, কথার বিনিময়ে পদক্ষেপের দাবি থেকে সরে আসবে না ওয়াশিংটন।



