Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রহিমের ‘মানবতার সদাইঘর’
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

আইরিশ নদী ব্ল্যাকওয়াটারের তীরে জাকারবার্গের নতুন রাজ্য

সজল মিত্র রিচার্ড, আয়ারল্যান্ড থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪২
আইরিশ নদী ব্ল্যাকওয়াটারের তীরে জাকারবার্গের নতুন রাজ্য

দক্ষিণ আয়ারল্যান্ডের স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেল। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ আয়ারল্যান্ডের সবুজ উপত্যকা পেরিয়ে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বয়ে চলেছে ব্ল্যাকওয়াটার নদীর শান্ত জলধারা। সেই দীর্ঘ ইতিহাসের নীরব সাক্ষী নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলও। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে অসংখ্য ঋতুর পরিবর্তন, রাজনৈতিক উত্থান-পতন এবং সামাজিক রূপান্তর দেখেছে এই রহস্যময় দুর্গ। কিন্তু ২০২৬ সালে এসে আবারও আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে এটি। তা-ও আবার এক নতুন মালিকের কারণে। আর সেই মালিক হলেন মেটার প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি মার্ক জাকারবার্গ। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের কাউন্টি ওয়াটারফোর্ডে অবস্থিত ঐতিহাসিক স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেল কিনেছেন জাকারবার্গ এবং তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান। গোপনীয়তার আবরণে সম্পন্ন হওয়া এই চুক্তির আর্থিক বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে আইরিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর অনুমান, প্রায় ৪৪০ একর জমিসহ সম্পত্তিটির মূল্য হতে পারে ২ কোটি থেকে ৩ কোটি ইউরো।

দুর্গ, নদী ও ইতিহাসের সহাবস্থান

স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলের অবস্থান যেন কোনো উপন্যাসের পৃষ্ঠা থেকে উঠে আসা দৃশ্য। ব্ল্যাকওয়াটার নদীর তীরে বিস্তৃত সবুজ প্রান্তরের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা এই স্থাপনা দক্ষিণ আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। প্রায় ১৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের এই দুর্গের চারপাশে রয়েছে বিস্তীর্ণ বনভূমি, কৃষিজমি এবং নদীতীরবর্তী প্রাকৃতিক পরিবেশ। নিকটবর্তী ঐতিহাসিক শহর ইওগাল থেকে সেখানে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় আধা ঘণ্টা। আয়ারল্যান্ডের প্রকৃতির নিজস্ব এক মায়া রয়েছে। কুয়াশা-ঢাকা ভোর, স্যাঁতসেঁতে সবুজ ঘাস, দূরে গবাদিপশুর শান্ত বিচরণ এবং নদীর জলে প্রতিফলিত আকাশ। এসবকিছুর মাঝখানে স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেল যেন অতীত ও বর্তমানের সংযোগস্থল। মধ্যযুগীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত দুর্গটির উঁচু টাওয়ার, খিলানযুক্ত জানালা, পাথরের দেয়াল এবং ঐতিহাসিক নকশা এখনও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। গত দুই দশক ধরে এর ব্যাপক সংস্কার ও সংরক্ষণকাজ চলেছে। ফলে এটি কেবল একটি পুরোনো স্থাপনা নয় বরং আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি ঐতিহাসিক আবাসে পরিণত হয়েছে।

উনিশ শতকের রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক স্থাপনা

স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলের ইতিহাস শুরু হয় উনিশ শতকের প্রথমার্ধে। প্রায় ১৮৩০ সালের দিকে দেশটির রাজনৈতিক দল টোরির সংসদ সদস্য জন কেইলির জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল এটি। দুর্গটির নকশা করেছিলেন স্থপতি ভাই জেমস পেইন এবং জর্জ রিচার্ড পেইন। আয়ারল্যান্ডের স্থাপত্য ইতিহাসে তাদের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু স্ট্র্যানক্যালি নয়, তারা ড্রোমোল্যান্ড ক্যাসেল, কর্ক কাউন্টি জেলখানা এবং কর্ক শহরের ব্ল্যাকরক ক্যাসেলের মতো উল্লেখযোগ্য স্থাপনাগুলোর সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। সেই সময় আয়ারল্যান্ড ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অংশ। ভূমির মালিকানা, রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং সামাজিক মর্যাদা প্রদর্শনের অন্যতম মাধ্যম ছিল বিশাল প্রাসাদ ও দুর্গ নির্মাণ। স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলও ছিল সেই যুগের ক্ষমতা ও অভিজাত সংস্কৃতির প্রতীক। দুই শতাব্দী পরে এসে দৃশ্যপট বদলে গেছে। এখন আর কোনো অভিজাত জমিদার নয়, বরং ডিজিটাল যুগের এক প্রযুক্তি সম্রাট এই দুর্গের মালিক। ইতিহাস যেন এক বৃত্ত সম্পূর্ণ করেছে ক্ষমতার কেন্দ্র বদলেছে, কিন্তু প্রতীকের ভাষা রয়ে গেছে একই।

কার কাছ থেকে কিনলেন জাকারবার্গ?

আন্তর্জাতিক ও আইরিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য বলছে, জাকারবার্গ সম্পত্তিটি কিনেছেন মাইকেল বাকলি ও জিয়ানকার্লা অ্যালেন বাকলির কাছ থেকে। তারা গত প্রায় ২৫ বছর ধরে তারা এই দুর্গের মালিক ছিলেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে এর পুনর্নির্মাণ ও সংরক্ষণে করেছেন বিনিয়োগ। মাইকেল বাকলি লন্ডনভিত্তিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান র‌্যাব ক্যাপিটালের সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে জিয়ানকার্লা অ্যালেন বাকলি আয়ারল্যান্ডের সুপরিচিত ব্যবসায়ী পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। প্রয়াত হোটেল উদ্যোক্তা চার্লস ফোর্টের কন্যা এবং বিশ্বখ্যাত রোকো ফোর্ট হোটেলস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা স্যার রোকো ফোর্টের বোন তিনি।

দক্ষিণ আয়ারল্যান্ডের স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেল। ছবি: সংগৃহীতকেন আয়ারল্যান্ড?

এই প্রশ্নটি এখন অনেকের মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে। মার্ক জাকারবার্গ কেন আয়ারল্যান্ডে একটি ঐতিহাসিক দুর্গ কিনলেন? এর একাধিক সম্ভাব্য ব্যাখ্যা রয়েছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রথমত, আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে মেটার রয়েছে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ডাবলিনে মেটার ইউরোপীয় সদর দপ্তর অবস্থিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজার পরিচালনায় আয়ারল্যান্ড কোম্পানিটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। দ্বিতীয়ত, আয়ারল্যান্ড সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ এবং মনোরম জীবনযাত্রা অনেক ধনকুবেরকে এখানে সম্পত্তি কিনতে উৎসাহিত করছে। তৃতীয়ত, স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলের মতো সম্পত্তি কেবল বসবাসের জায়গা নয়। এটি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং ঐতিহাসিক মর্যাদার এক অনন্য সমন্বয়। ৪৪০ একর জমি ঘেরা এমন একটি সম্পত্তি বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ব্যক্তিদের একজনের জন্য আদর্শ ব্যক্তিগত আশ্রয়স্থল হতে পারে।

জাকারবার্গের রিয়েল এস্টেট সাম্রাজ্য

স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেল কেনার মধ্য দিয়ে জাকারবার্গের রিয়েল এস্টেট সংগ্রহ আরও বিস্তৃত হলো। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ক্যালিফোর্নিয়ার পালো অল্টোতে তার একাধিক বাড়ি রয়েছে। এছাড়া লেক তাহোর তীরে বিলাসবহুল সম্পত্তি, হাওয়াইয়ের কাউয়াই দ্বীপে হাজার একরেরও বেশি জমি এবং অন্যান্য উচ্চমূল্যের আবাসিক সম্পত্তির মালিক তিনি। বিশ্বের ধনী প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের মধ্যে বড় আকারের জমি ও ব্যক্তিগত এস্টেট কেনার প্রবণতা নতুন নয়। অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক কিংবা ওরাকলের ল্যারি এলিসনের মতো ব্যক্তিরাও বিশাল ভূমি ও প্রাসাদসম সম্পত্তির মালিক। তবে স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলের বিশেষত্ব হলো এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব। এটি শুধু বিলাসিতার প্রতীক নয় বরং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও অংশ।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া ও সম্ভাব্য প্রভাব

আয়ারল্যান্ডে আন্তর্জাতিক ধনকুবেরদের সম্পত্তি ক্রয় নিয়ে জনমত বরাবরই মিশ্র। একদিকে, এমন বিনিয়োগ স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন অর্থের প্রবাহ সৃষ্টি করতে পারে। দুর্গের রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা, বাগান পরিচর্যা এবং অন্যান্য কাজে স্থানীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, কিছু সমালোচক মনে করেন, আন্তর্জাতিক ধনীদের ব্যাপক সম্পত্তি ক্রয় স্থানীয় আবাসন বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

তবে স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলের মতো বিশেষ ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই বিতর্ক তুলনামূলক কম। কারণ এটি সাধারণ আবাসন বাজারের অংশ নয় বরং একটি অনন্য ঐতিহাসিক এস্টেট। স্থানীয় পর্যটন খাতের পর্যবেক্ষকরাও মনে করেন, জাকারবার্গের মতো বিশ্বখ্যাত ব্যক্তির নাম এই অঞ্চলের প্রতি আন্তর্জাতিক আগ্রহ বাড়াতে পারে।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু

২৩ আগস্ট ২০২৬

প্রযুক্তি যুগের নতুন অভিজাত শ্রেণি

স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেল কেনার ঘটনাকে বৃহত্তর সামাজিক পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন অনেক বিশ্লেষক। একসময় দুর্গ ও প্রাসাদ ছিল রাজপরিবার, অভিজাত জমিদার এবং রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সম্পদ। আজ সেই স্থান দখল করেছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা। ডিজিটাল অর্থনীতির উত্থান এমন এক নতুন অভিজাত শ্রেণি তৈরি করেছে, যাদের ক্ষমতার উৎস জমি বা বংশগত সম্পদ নয় বরং তথ্য, প্রযুক্তি এবং বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক। মার্ক জাকারবার্গের সম্পদের বড় অংশ এসেছে সামাজিক  যোগাযোগমাধ্যমের বিপ্লব থেকে। অথচ সেই ডিজিটাল সাম্রাজ্যের নির্মাতা আজ মালিক হয়েছেন পাথর, ইট ও ইতিহাসে গড়া এক উনিশ শতকের দুর্গের। এই বৈপরীত্যই হয়তো গল্পটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

ইতিহাস ও ভবিষ্যতের সংযোগস্থলে

স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলের নতুন মালিকানা নিয়ে কৌতূহল হয়তো আরও অনেক দিন থাকবে। জাকারবার্গ সেখানে কতটা সময় কাটাবেন, সম্পত্তিতে নতুন কোনো উন্নয়ন করবেন কি না কিংবা এটি তার পরিবারের ইউরোপীয় আবাসে পরিণত হবে কি না! এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট। ব্ল্যাকওয়াটার নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এই দুর্গ আবারও নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। দুই শতাব্দী আগে যে স্থাপনা ক্ষমতা, মর্যাদা এবং সামাজিক অবস্থানের প্রতীক হিসেবে নির্মিত হয়েছিল, আজ সেটি ডিজিটাল যুগের এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের মালিকানায় এসেছে। ইতিহাসের দীর্ঘ নদী বয়ে চলেছে আগের মতোই, শুধু বদলে গেছে তার তীরের মানুষগুলো।

কুয়াশামাখা আইরিশ সকাল যখন স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলের পাথুরে দেয়ালে এসে পড়ে, তখন হয়তো সেখানে অতীতের প্রতিধ্বনি এখনও শোনা যায়। কিন্তু সেই প্রতিধ্বনির সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে নতুন এক সময়ের গল্প—ফেসবুক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চুয়াল বাস্তবতা এবং ডিজিটাল অর্থনীতির যুগের গল্প। স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেল তাই আর কেবল একটি দুর্গ নয়। এটি ইতিহাস ও প্রযুক্তির, ঐতিহ্য ও আধুনিকতার, পাথরের স্মৃতি ও ডিজিটাল ভবিষ্যতের এক বিরল মিলনস্থল। আর সেই কারণেই মার্ক জাকারবার্গের এই ক্রয় শুধু একটি রিয়েল এস্টেট লেনদেন নয় এটি আমাদের সময়ের ক্ষমতা, সম্পদ এবং প্রতীকের পরিবর্তিত মানচিত্রেরও এক আকর্ষণীয় দলিল।

আয়ারল্যান্ডস্ট্র্যানক্যালি ক্যাসেলমার্ক জাকারবার্গ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ঢাকায় জরুরি অবতরণ করা উড়োজাহাজে রোগীর মৃত্যু যে কারণে

    ঢাকায় জরুরি অবতরণ করা উড়োজাহাজে রোগীর মৃত্যু যে কারণে

    টুপটুপ রিসোর্টের মালিক তানভীরকে প্রধান আসামি করে মামলা

    টুপটুপ রিসোর্টের মালিক তানভীরকে প্রধান আসামি করে মামলা

    বকেয়া বিল আদায়ে গিয়ে মারধরের শিকার পল্লীবিদ্যুতের ২ কর্মী

    বকেয়া বিল আদায়ে গিয়ে মারধরের শিকার পল্লীবিদ্যুতের ২ কর্মী

    আগুনে ছাই বোনের বিয়ের জন্য জমানো ৭ লাখ টাকা

    আগুনে ছাই বোনের বিয়ের জন্য জমানো ৭ লাখ টাকা

    সচিব পর্যায়ে বড় রদবদল

    সচিব পর্যায়ে বড় রদবদল

    বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার

    বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার

    চিকিৎসাসেবায় মেশিন লার্নিং

    চিকিৎসাসেবায় মেশিন লার্নিং

    দলীয় পদ ছাড়ছেন না ভিসিরা, আছেন কমিটিতে-শিক্ষক সংগঠনে

    দলীয় পদ ছাড়ছেন না ভিসিরা, আছেন কমিটিতে-শিক্ষক সংগঠনে

    একই আঙিনায় মন্দির-মসজিদ, ৫৬ বছর ধরে সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গাপূজা

    একই আঙিনায় মন্দির-মসজিদ, ৫৬ বছর ধরে সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গাপূজা

    ‘স্বামীর নির্যাতন সইতে না পাইরা আমার পথ বাইছা নিলাম’

    ‘স্বামীর নির্যাতন সইতে না পাইরা আমার পথ বাইছা নিলাম’

    পদত্যাগের নির্দেশের খবরকে অসত্য বললেন  ইশরাক

    পদত্যাগের নির্দেশের খবরকে অসত্য বললেন ইশরাক

    শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতায় ৫ হাজার কোটি টাকা সহায়তার দাবি

    শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতায় ৫ হাজার কোটি টাকা সহায়তার দাবি

    অনুতপ্ত নন গ্রেপ্তার আমিনী

    অনুতপ্ত নন গ্রেপ্তার আমিনী

    যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ভারতীয় গায়িকা ইমন চক্রবর্তী

    যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ভারতীয় গায়িকা ইমন চক্রবর্তী