আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ

সংগৃহীত ছবি
তিন বছর তিন মাস অপেক্ষায় ছিলেন আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামার। সেই অপেক্ষা ফুরিয়েছিল আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে। কিন্তু তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আবারও প্রশ্ন তুলেছেন ম্যাচ রেফারি।
বুধবার অভিষেক ওয়ানডেতে নামার আগে অক্টোবরের শুরুতে জাপানে এশিয়ান গেমসেও খেলেছিলেন। কিন্তু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ওই ম্যাচে তার বোলিং নিয়ে কোনো আপত্তি জানাননি ওই ম্যাচের আম্পায়ার বা রেফারি। এর আগেও ২০১৯ সালের বিপিএলে আলিসের বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি পেয়েছিলেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা। মূল ধারায় কোনো ম্যাচ না খেলেই ২০১৯ সালে বিপিএলে ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে রংপুরের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক দিয়ে নাটকীয় অভিষেক হয়েছিল আলিস আল ইসলামের। অভিষেকের ঠিক দুদিন পরই সেবার প্রথম তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে অফিসিয়াল রিপোর্ট জমা দেন আম্পায়াররা, যার ফলে তাকে দীর্ঘদিনের জন্য নিষিদ্ধ হতে হয়।
সেই ধাক্কা সামলে অ্যাকশন শুধরে ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফরম্যান্স করে আবারও নির্বাচকদের নজরে আসেন আলিস। তবে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিপিএলে চিটাগং কিংসের হয়ে খেলার সময় ফরচুন বরিশাল ও রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচ আম্পায়াররা দ্বিতীয়বারের মতো তার বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ করেন। বিসিবির বোলিং অ্যাকশন রিভিউ কমিটির পরীক্ষা পার করে অবশেষে জাতীয় দলে ডাক পান এই স্পিনার। তিন বছর তিন মাসের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় আলিসের। কিন্তু ভাগ্যের ফের! এত বছর পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে পা রাখতেই আবারও পুরনো ভূত তাড়া করেছে তাকে।
অভিষেক ম্যাচের ঠিক পরদিনই গতকাল বৃহস্পতিবার অন-ফিল্ড আম্পায়াররা আইসিসির কাছে আবার তার বোলিং অ্যাকশন অবৈধ বলে রিপোর্ট করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ১৪ দিনের মধ্যে আইসিসি অনুমোদিত পরীক্ষাগারে তাকে বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষার ফল না আসা পর্যন্ত অবশ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং চালিয়ে যেতে পারবেন আলিস।



