রাফিনিয়া-ইয়ামালে ছুটছে বার্সেলোনা

সংগৃহীত ছবি
শুধু ম্যাচ জেতাই নয়, রিয়াল মাদ্রিদ খেলোয়াড়দের চ্যালেঞ্জ থাকে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর দর্শকদের হৃদয় জেতাও। লা লিগায় রায়ো ভায়েকানোকে ৪-১ গোলে হারালেও বার্নাব্যুর দর্শকদের হৃদয় জিততে পারেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসরা। এজন্য শুনতে হয়েছে দুয়ো।
বার্সেলোনা অবশ্য ম্যাচের পাশাপাশি ভালোবাসাও জিতে চলেছে ভক্তদের। গতকাল লা লিগায় লেভান্তের মাঠে তারা জিতেছে ৪-২ গোলে। লামিন ইয়ামাল করেছেন জোড়া গোল, একটি করে গোল জাবি এসপার্ত ও করিম আদেইমের। গোল না পেলেও দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন রাফিনিয়া। এ মৌসুমে লা লিগায় পাঁচ ম্যাচে রাফিনিয়া ও ইয়ামালের গোল সমান ৬টি করে। লিগে পাঁচ ম্যাচে টানা পঞ্চম জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই আছে বার্সেলোনা।
এ ছাড়া ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে স্টেডিয়াম অব লাইটে সান্ডারল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আর্সেনাল। পেনাল্টিসহ অসাধারণ সব সেভে দলের নায়ক গোলরক্ষক দাভিদ রায়া। এ নিয়ে লিগে চার ম্যাচে টানা চার জয় পেল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে তারা। ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে হামজা চৌধুরীর শেফিল্ড ইউনাইটেড শেষ মিনিটের গোলে ১-০ ব্যবধানে হেরেছে উলভসের কাছে।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোল ও এক অ্যাসিস্টে রিয়াল ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছে রায়ো ভায়েকানোকে। রিয়ালের হয়ে একটি করে গোল আলভারো কারেরাস ও জুড বেলিংহামের। ভায়েকানোর একমাত্র গোলটি সের্হিও কামেয়োর।
৫১তম মিনিটে এক গোল হজম করে রিয়াল। এরপর তাদের রক্ষণ হয়ে যায় এলোমেলো। থিবো কোর্তোয়া করছিলেন একের পর এক সেভ। বার্নাব্যুর দর্শকরা মেজাজ হারিয়ে দুয়ো দিয়েছেন এজন্যই। চ্যাম্পিয়নস লিগে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ম্যাচের পর রিয়াল খেলোয়াড়রা ৯০ মিনিট একই ছন্দে খেলার অবস্থায় ছিল না বলে মেনে নিয়েছেন কোচ হোসে মরিনহো, ‘এটি ছিল ৪৫ মিনিটের ম্যাচ। সেখানেই শেষ। জানতাম, প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধ খেলার মতো শারীরিক বা মানসিক শক্তি ছিল না।’
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ৫৪তম মিনিটে আর্সেনালের বিপক্ষে পেনাল্টি পেয়েছিল সান্ডারল্যান্ড। বক্সে ড্যান ব্যালার্ডকে জাপটে ধরে ফেলে দিয়েছিলেন এজরি কন্সা। কিন্তু এন্সো লি ফির স্পট কিক নিজের বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে আটকে দেন রায়া। বল তার গ্লাভস হয়ে লাগে পোস্টে। এই পেনাল্টিটা মানতে পারছেন না আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা, ‘২৭ বছর ধরে ফুটবলে আছি, কোনো অবস্থাতেই কোনো স্তরে এটি পেনাল্টি হতে পারে না। নিশ্চিত হতে এটি ১০ বার দেখেছি, এই পর্যায়ের ফুটবলে এটি পেনাল্টি হতে পারে না। কোনোভাবেই হতে পারে না।’
৫৮ মিনিটে ডেকলান রাইসের পাস ধরে বাঁকানো শটে আর্সেনালকে এগিয়ে নেন বদলি নামা ব্রুনো গিমারেস। ইনজুরি টাইমে বুকায়ো সাকার পেনাল্টি থেকে ২-০ গোলের জয়ে মাঠ ছাড়ে আর্সেনাল। বক্সে ফাউলের শিকার হয়েছিলেন সাকাই।



